সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৮, ০২:১২:৩৯

কোটা সংস্কার: দুই দিনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না হলে ফের আন্দোলন

কোটা সংস্কার: দুই দিনের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না হলে ফের আন্দোলন

ঢাকা: কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়ের করা সব মামলা দু’দিনের মধ্যে প্রত্যাহার না হলে ফের আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।

সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক নূর হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাবি মেনে নিয়েছেন। এটি সহ্য করতে না পেরে একটি কুচক্রী মহল কেন্দ্রীয় কমিটির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারা জামায়াত-শিবির বলে পরিচয় করিয়ে দিতে উঠেপড়ে লেগেছে। এটি পুরোপুরি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আন্দোলন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য এটি করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

তিনি বলেনন কোটা সংস্কার আন্দোলন করায় আমাদের বিরুদ্ধে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভিত্তিহীন মামলা দিয়েছে। দাবি সত্ত্বেও তা প্রত্যাহার হয়নি। আগামী ২ দিনের মধ্যে সব মামলা প্রত্যাহার না হলে ছাত্রসমাজ আবার আন্দোলনে নামবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভিসির বাসভবনে কোনো সাধারণ শিক্ষার্থী হামলা করেনি উল্লেখ করে নূর হোসেন বলেন, বরাবরের মতই আমরা এ হামলায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’

এ সময় আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, যারা অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তাদের বলছি- আমি বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজি মুহাম্মদ মহসীন হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। আমার পরিবার আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

আন্দোলনের আরেক যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, ছাত্রশিবির বানিয়ে আমার বিরুদ্ধে একটি জাতীয় দৈনিক মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করেছে। তারা লিখেছে, আমি সূর্যসেন হলে ২০১২ সালে ছিলাম। অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি ভর্তিই হয়েছি ২০১৩ সালে।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হোসেন বলেন, আমরা অহিংস আন্দোলনে বিশ্বাসী। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সেটিই করেছি। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণার দেয়ার পরই আমরা আন্দোলন থেকে সরে গেছি। অথচ আমাদের বিএনপি-জামায়াত বানানো হচ্ছে। ছাত্রসমাজকে বিতর্কিত করা হচ্ছে, এর চেয়ে আর লজ্জার কি আছে!

সংগঠনের নেতারা বলেন, আজ বিকাল পাঁচটার মধ্যে ইত্তেফাক পত্রিকা যদি প্রতিবেদন প্রত্যাহার না করে, কাল থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ে এই পত্রিকা বর্জন করা হবে।

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ায় সরকার আতঙ্কিত - ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?