শুক্রবার, ২২ জুন ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৩ জুন, ২০১৮, ০৯:৪৪:৩০

নদীবন্দরগুলোতে চাঁদাবাজি ও যাত্রী হয়রানির অভিযোগ

নদীবন্দরগুলোতে চাঁদাবাজি ও যাত্রী হয়রানির অভিযোগ

ঢাকা : ঈদকে কেন্দ্র করে দেশের প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট, বরিশাল, চাঁদপুরসহ সকল নদীবন্দর ও খেয়াঘাটগুলোতে সরকারের নিয়োজিত ইজারাদাররা অতিরিক্ত টোল আদায়ের নামে নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি শুরু করেছে। চলতি সপ্তাহের প্রথমদিক থেকে এই নৈরাজ্য শুরু হলেও সংশ্লিষ্ট কোন কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে এগিয়ে আসছে না বলে অভিযোগ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সম্প্রতি গণপরিবহনে ভাড়া নৈরাজ্য পর্যবেক্ষণ উপ-কমিটির সদস্যদের বিভিন্ন নদীবন্দর ও খেয়াঘাটে যাত্রী সেবা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকালে এই তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সদরঘাটে খেয়া পারাপারে ইজারাদারদের নৌকায় ৫০ পয়সা টোল আদায়ের চুক্তি থাকলেও নৌকা ছাড়া শুধু মাত্র ঘাটে নামতেই যাত্রী প্রতি ৫ টাকা হারে টোল আদায় করা হচ্ছে। ৫ টাকা টোল দিয়েও যাত্রীসাধারণ কে আবার ভাড়াকৃত নৌকায় আবারও ৫/ ১০ টাকা নৌকা ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

ইজারাদারের নৌকায় পারাপারে প্রতি ১০০ কেজি মালামাল বহনে ২ টাকা ইজারা আদায়ের চুক্তি থাকলেও সদরঘাটে নিয়োজিত ইজারাদার কোন নৌকা ভাড়া না করে শুধুমাত্র ঘাট দিয়ে পারাপারে যাত্রী সাধারণের কাছ থেকে অবৈধ ভাবে খেয়া পারাপারের ভাড়ার পাশাপাশি কোন যাত্রী পণ্য নিয়ে নদী পারাপারেও সর্বনিম্ন ১০ টাকা থেকে সর্ব্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত নৌকা ভাড়া আদায় করছে। ইজারাদারকে এই টোল দেওয়ার পরও যাত্রীসাধারণ নৌকায় পণ্য ও নৌকার ভাড়া আলাদাভাবে দিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। এতে দেখা গেছে প্রতিদিন সদরঘাটে দুইপাড়ে যাতায়াতকারী যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা অবৈধ ভাবে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই ঈদে তার দ্বিগুণ আদায় হচ্ছে। এরকম চিত্র দেশব্যাপি ছড়িয়ে থাকা দেশের প্রায় সবকটি নদীবন্দর ও খেয়া ঘাটে লক্ষ্য করা গেছে।

এছাড়াও ঘাটে প্রবেশে যাত্রী প্রতি টিকিটবিহীন টাকা আদায় করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করছে বিআইডাব্লিউটিএ নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। প্রতিদিন লক্ষাধিক যাত্রী সদরঘাট দিয়ে যাতায়াত করলেও ঈদের মৌসুমে যাত্রী যাতায়াত তিনগুণ বেড়ে যায়। ঘাটে গত একসপ্তাহ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে বিআইডাব্লিউটিএর নিয়োজিত কর্মচারীরা সিংহভাগ যাত্রীদের টিকিটবিহীন টার্মিনাল প্রবেশ ফি আদায় করছে। এতে টার্মিনাল প্রবেশ ফি আত্মসাতের পাশাপাশি নৌ-দুর্যোগ তহবিলেরও লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে । এদিকে ঘাটে নিয়োজিত কুলিদের দৌরাত্ব ও গুটি কয়েক অসাধু লঞ্চ-মালিকদের দৌরাত্ব বন্ধে অসহায় যাত্রীদের পাশে দাড়াঁতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

আজকের প্রশ্ন

খুলনা সিটি নির্বাচনের ভোটকে ‘প্রহসন’ বলেছেন বিএনপি ও বামপন্থিরা। আপনি কি একমত?