শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১৪ জুন, ২০১৮, ০৯:০৫:০৫

বেলকুচিতে ঈদের বাজারে কেনাকাটায় উপচে পড়া ভিড়

বেলকুচিতে ঈদের বাজারে কেনাকাটায় উপচে পড়া ভিড়

এম,এ.মুছা বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধ : সিরাজগঞ্জের বেলকুচির মুকুন্দগাঁতী মার্কেটে ঈদের কেনাকাটায় উপচে পড়া ভিড়। ঈদের আগ মুহূর্তে শিশু থেকে শুরু করে নানা বয়সী মানুষের উপচেপড়া ভিড়ে মুখরিত হয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জের বেলকুচির তামাই বাজার, মুকুন্দগাঁতী সহ অন্যান্য মার্কেটের বিপণী বিতানগুলিতে। সাধ আর সাধ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে পছন্দের জিনিস কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতারা।

তবে বেলকুচি তাঁত সমৃদ্ধ এলাকা তাঁতের বাজার মন্দা হওয়ায় কিছুটা প্রভাব পড়েছে ঈদ বাজারে। অন্য বছর যেমন রোজার শুরু থেকেই মার্কেট গুলিতে ভিড় থাকে এবার তেমনটি লক্ষ্য করা যায়নি। তবে শেষের দিকে এসে মার্কেটগুলি জমজমাট। ভারতীয় বাংলা সিরিয়াল ও হিন্দি ছবির নায়ক-নায়িকাদের নামধারী হরেক রকমের পোশাক বাজার দখল করে রেখেছে।

সরেজমিনে বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে শতাধিক ছোট বড় বিপণি বিতানর গুলোতে পাওয়া যাচ্ছে মেয়েদের থ্রিপিস, টুপিস, টপস, লেহেংগা, কামিজ, শাড়ি, ছেলেদের শার্ট, পাঞ্জাবি, লং পাঞ্জাবি, জুতা, ফতুয়া, জিন্সসহ শিশুদের নানা বৈচিত্রের পোশাক। তবে দেশি পোশাকের চাইতে বিদেশি পোশাকের দিকে বেশি ঝুঁকছে ক্রেতারা।

প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে বিকিকিনি। সন্ধ্যার পর থেকে প্রত্যেকটি মার্কেটে আলোক সজ্জায় পাল্টে যায় চিরচেনা বেলকুচি পৌর এলাকার মুকুন্দগাঁতীসহ অন্যন্যে মার্কেটের আসল চেহারা।

শাড়ির দোকান গুলোতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ঢাকাই, চিত্রা, বুটিক, বালুচুরি, কাতান, জামদানিসহ বিভিন্ন ধরনের সিল্ক। এছাড়া, বেনারসি কিংবা জামদানি শাড়ীর পাশাপাশি ক্রেতারা ঝুঁকছেন বিচিত্র নাম আর বাহারি ডিজাইনের ভারতীয় শাড়ির দিকে। পাঁচ’শ টাকা থেকে ১৫-২০ হাজার টাকা দামের শাড়ি বিক্রি হচ্ছে মার্কেটের বড় দোকান গুলোতে।

মুকুন্দগাঁতী মার্কেট করতে আসা ফারহানা রহমান বলেন, এবার ঈদে শাড়ী কাপড় থেকে শুরু করে সব জিনিসের দাম একটু বেশি। তার পরও নিজের জন্য এবং শাশুড়ী, স্বামী, সন্তানসহ আত্মীয় স্বজনের জন্য কেনাকাটা করেছি।

কলেজ শিক্ষার্থী মুক্তা বলেন, ঈদের জন্য একটি থ্রিপিচ কিনেছি। ড্রেসের সঙ্গে ম্যাচিং করে কসমেটিকস ও জুতা কেনা হয়েছে। তবে অন্য বারের চাইতে দাম একটু বেশি।

এ্যাপেক্স শোরুমে জুতা কিনতে আসা জহুল ইসলাম বলেন, আমার এক মাত্র কন্যার জন্য এক হাজার টাকা দিয়ে  জুতা কিনেছি। দাম একটু বেশি  হলেও একমাত্র মেয়ে বলে কথা।

আলমগীর এ্যান্ড ব্রাদার্স বিক্রেতা বলেন, শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী ছেলে-মেয়েদের পোশাক বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি পোশাকের চাইতে বিদেশি পোশাকের দিকে বেশি ঝুঁকছে ক্রেতারা। বিশেষ করে ভারতীয় সিরিয়াল ও ছবির নামে বিভিন্ন জামা যেমন বহ্নি, রাখি বন্ধন, বাহুবলী, মোগল-ই-আযম, সুলতান এগুলো বেশি বিক্রি হচ্ছে।

আজকের প্রশ্ন

খুলনা সিটি নির্বাচনের ভোটকে ‘প্রহসন’ বলেছেন বিএনপি ও বামপন্থিরা। আপনি কি একমত?