মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১১:৫১:৩৩

বন্যার পদধ্বনি: বেড়েই চলেছে তিস্তার পানি

বন্যার পদধ্বনি: বেড়েই চলেছে তিস্তার পানি

লালমনিরহাট : উজানের ঢল ও ভারী বর্ষণে তিস্তা নদীর পানি বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তার আগে রাত ৯টায় এই পয়েন্টে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার (৫২ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার) ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল আলম চৌধুরী জানান, তিস্তার পানি অব্যাহত রয়েছে। তাই দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায়, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে তীরবর্তী অঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। পাটগ্রাম উপজেলার বহুল আলোচিত ছিটমহল আঙ্গরপোতা-দহগ্রামের চর,হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, চর হলদীবাড়ি, তিস্তা, ও ধরলা নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলো বন্যায় প্লাবিত হয়ে প্রায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এদিকে পানি অস্বাভাবিকহারে বেড়ে যাওয়ায় লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ ও হাতীবান্ধায় বেশ কয়কটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা করছে এলকাবাসী। কালীগঞ্জ, আতিমারী উপজেলার তীরবর্তী বাঁধগুলো ভেঙে যেতে পারে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করে স্থানীয়ভাবে বাঁধ নির্মাণ করছেন।

তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নিলফামারীর ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চড়খড়িবাড়ি এলাকায় স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বালির বাঁধটি হুমকির মুখে পড়েছে। এরইমধ্যে বাঁধের একটি অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় খাঁলিশাচাঁপানী ইউনিয়নের ছোটখাতা, বানপাড়া ও বাঁইশপুকুর চর এলাকায় ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একই অবস্থা ঝুঁনাগাছচাঁপানী ইউনিয়নের ছাতুনামা ফরেস্টের চর। পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড়সিঙ্গের চরের বসতভিটায় এখন বন্যার পানি বইছে। প্রাণ বাঁচাতে বন্যাকবলিত মানুষজন গবাদিপশু ও আসবাবপত্রসহ তিস্তা নদীর ডান তীর বাঁধ ও উঁচুস্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

অপরদিকে জেলার জলঢাকা উপজেলার ডাইয়াবাড়ি, গোলমুন্ডা, শৈলমারী, কৈমারী ইউনিয়নের চরবেষ্টিত গ্রামগুলোতে বন্যার পানি প্রবেশ করার খবর পাওয়া গেছে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ায় সরকার আতঙ্কিত - ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?