রবিবার, ২১ জানুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ০৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:০৬:৪৫

এক রাতে তিন জা ও ননদকে ধর্ষণের রোমহর্ষক বর্ণনা

এক রাতে তিন জা ও ননদকে ধর্ষণের রোমহর্ষক বর্ণনা

ঢাকা: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানা এলাকায় প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে চার নারী ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত তিনজন। তারা হলেন- মিজান মাতব্বর, রুবেল ও ইলিয়াছ। বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রামের আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে আসামি জহিরুল ইসলাম হাওলাদার (২৬) এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে তিনি ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত নন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন।

আসামি জহিরুলের জবানবন্দি রেকর্ড করেন চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু ছালেম মোহাম্মদ নোমান।

এরআগে গতকাল বুধবার ঢাকার সায়েদাবাদ এলাকা থেকে জহিরুল ইসলাম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।

গত ১২ ডিসেম্বর গভীর রাতে কর্ণফুলীর বড়উঠান ইউনিয়নের শাহ মিরপুর গ্রামে একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে বাড়ির চার নারীকে ধর্ষণ করে ডাকাতরা। চারজনের মধ্যে তিনজন প্রবাসী তিন ভাইয়ের স্ত্রী, অন্যজন তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসা ননদ।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার জবানবন্দিতে জহিরুল প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ এবং ডাকাতি নিয়ে পুরো ঘটনার বিবরণ দেন।

নিজেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে লোকাল বাস চালক উল্লেখ করে জহিরুল বলেন, রুবেলই তাকে ডাকাতির জন্য নিয়ে গিয়েছিল। লুটপাট শেষ হওয়ার পর ইলিয়াছ একজন অল্পবয়সী মেয়ে এবং আরেকজন মহিলা নিয়ে একটি রুমের ভেতরে যায়। এরপর মিজান মাতব্বর আমার কাছে টাকা-পয়সার ব্যাগটি দেয় এবং সে অন্য একজন মহিলাকে নিয়ে আরেকটি রুমে যায়। ১৫-২০ মিনিট পর ইলিয়াছ অল্পবয়সী মেয়েটিকে রেখে যায়। রুবেল (পিবিআইয়ের তথ্যমতে মাইদুল) ওই মেয়েটিকে নিয়ে আরেকটি রুমে চলে যায়। তখন আমি একজন বয়স্ক মহিলা, একজন গর্ভবতী মহিলা এবং বাচ্চাদের পাহারা দিই। কিছুক্ষণ পর মিজান মাতব্বর, রুবেল ও ইলিয়াছ রুম থেকে বের হয়ে আসেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, জহিরুলের জবানবন্দিতে তিনজন নারীকে ধর্ষণের বিষয় পাওয়া গেছে। তবে আমাদের তদন্তে আমরা দু’জনকে ধর্ষণের তথ্য পেয়েছি। এছাড়া মিজান মাতব্বর জবানবন্দি দিয়ে ধর্ষণে জড়িত নন বলে জানিয়েছিল। কিন্তু, জহিরুলের জবানবন্দিতে মিজানও ধর্ষণে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

জহিরুলের জবানবন্দি অনুযায়ী তিন ধর্ষকের মধ্যে রুবেল এবং ইলিয়াছকে পুলিশ এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি।

এ ঘটনায় মামলা নিতে পুলিশের বিরুদ্ধে গড়িমসি করার অভিযোগের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান জাবেদের নির্দেশে কর্ণফুলী থানা পুলিশ ঘটনার সাত দিন পর মামলা নেয়।

গত ২৬ ডিসেম্বর মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। ওইদিনই মিজান মাতব্বর ও আবু সামা নামে দু’জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর তারা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

২৭ ডিসেম্বর হান্নান মেম্বার নামে আরেকজনকে আটক করা হয়েছে, যাকে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে জানিয়েছে পিবিআই।

এরআগে এ ঘটনায় পুলিশ আরো তিনজনকে গ্রেফতার করে। তবে আদালতে দেওয়া জবানবন্দির মধ্যে তাদের কারো নাম উল্লেখ করেনি কেউ।

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

আজকের প্রশ্ন

শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহনীয় মাত্রায় ঘুষ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। জাতির জন্য এমন পরামর্শ ভয়ানক নয় কি?