বুধবার, ১৫ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই, ২০১৮, ০১:১৭:৫১

বিমানে ৭২০ কোটি টাকার হরিলুট

বিমানে ৭২০ কোটি টাকার হরিলুট

ঢাকা: ফেব্রুয়ারি থেকে মে। ইন্টারনাল অডিট আপত্তির পর চলতি বছরের এই চার মাসেই ননসিডিউল ফ্রাইটার বা মালবাহী জাহাজে কার্গো হ্যান্ডেলিং চার্জ বাবদ বিমানের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে ২০ কোটি ২৪ লাখ ৬৩ হাজার ৩৪২ টাকা।

গেল দুই বছরে কার্গো শাখায় ননসিডিউল ফ্রেইটারের কাছ থেকে ইনবাউন্ড-আউটবাউন্ড কার্গো হ্যান্ডলিং চার্জ বাবদ ৭৬ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে। বিমানের আভ্যন্তরীণ অডিট রিপোর্টে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

তদন্তে দেখা গেছে, ২০১৭ সালের ২৪ নভেম্বর ননসিডিউল ফ্রেইটার সিল্ক ওয়ে ওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে বহন করা ১৬ হাজার ৬৮৪ কেজি মালামালের কার্গো হ্যান্ডলিং চার্জ বাবদ দুই লাখ ৩৩ হাজার ৫২৯ টাকা এবং ওই বছর ৪ ডিসেম্বর একই এয়ারলাইন্সের আর একটি ফ্লাইটে বহন করা ১৮ হাজার ১০৭ কেজি মালের চার্জ বাবদ দুই লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা আদায় করেছে বিমান।

বিজ্ঞপ্তি না থাকার অজুহাতে যে টাকা ২০০৮ সাল থেকে বিমানের কোষাগারে জমা দেয়া হয়নি। যা আদায়যোগ্য ছিল বলে প্রতিবেদন উঠে এসেছে।

অডিট শাখার হিসাব মতে, ২০০৮ সাল থেকে প্রতি বছর ৭৬ কোটি টাকা হারে অর্থ লুটপাট হয়েছে। অর্থাৎ এই হারে, ২০০৮ সাল থেকে অন্তত ৭২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। যা বিমানের অ্যাকাউন্টে জমা হয়নি।

এক সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সাল থেকে এই খাতে অনিয়মিত আদায় হলেও ২০১১ সালের মাঝামাঝি সময়ে কার্গোর মহাব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পান বর্তমানে গ্রাহকসেবা বিভাগের পরিচলাকের পদে থাকা আলী আহসান বাবু। মূলত এরপর থেকে বিজ্ঞপ্তি না থাকার অজুহাতে ননসিডিউল ফ্রেইটারের কাছ থেকে অর্থ আদায় বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে বিমান বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।

বিমানের সবমহলে আলোচিত হলেও এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও তদন্ত কমিটি গঠন করেনি কর্তৃপক্ষ।

প্রশ্ন উঠেছে, দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে কেন তিনি বিজ্ঞপ্তির ব্যবস্থা করেননি? বিমানের লাভের চিন্তা না করে কেন বিজ্ঞপ্তির অজুহাত দিচ্ছেন? এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মুখ খুলেননি আলী আহসান বাবু।

আজকের প্রশ্ন

খুলনা সিটি নির্বাচনের ভোটকে ‘প্রহসন’ বলেছেন বিএনপি ও বামপন্থিরা। আপনি কি একমত?