মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৮, ১১:৪৬:১৫

এ কেমন শিক্ষিকা!

এ কেমন শিক্ষিকা!

এসএসসি পরীক্ষার্থী লুনা ইসরাত। ক্লাস পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছিলেন মাত্র ৭ নম্বর। আর এতেই ক্ষিপ্ত হন শিক্ষিকা মুক্তা রানী দাস। মোচড় দিয়ে ভেঙে দেন লুনার হাত। এছাড়াও আরো কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছেন। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বাঁশতৈল মো. মনশুর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে। এ ঘটনায় শনিবার সকালে বিদ্যালয়ে এক জরুরী সভা ডাকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমরান হোসেন।

সূত্রে জানা গেছে, বাঁশতৈল নয়াপাড়া গ্রামের মৃত দুলাল মিয়ার মেয়ে লুনা ইসরাত দশম শ্রেনীর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। সে আগামী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। লুনাসহ ক্লাসের কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্লাস পরীক্ষায় বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষায় কম নম্বর পায়। বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মুক্তা রানী দাস নম্বর কম পাওয়ায় বৃহস্পতিবার ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বেত দিয়ে পেটাতে থাকেন। এক পর্যায় লুনা শিক্ষিকার বেত ধরে ফেলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষিকা লুনার হাত ধরে মোচড় দিলে লুনা আহত হয়। পরে লুনাকে হাসপাতালে নেয়া হলে এক্সরে করে জানা যায় লুনার হাতের চিকন হাঁড় ফেটে গেছে। পরে চিকিৎসক তার হাতে প্লাস্টার করে দেন।

শিক্ষিকা মুক্তা রানী রবি দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে মুঠোফোনে মুক্তার স্বামী কমল চন্দ্র দাস বলেন, পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে লুনা ৭ নম্বর পাওয়ায় মুক্তা ক্লাস রুমে তাকে শাসন করছিলেন। এসময় লুনা বেত ধরে ফেলায় হাত ধরে টান দিতেই লুনা হাতে ব্যাথা পায়। চিকিৎসক লুনার হাতে তিনি প্লাস্টার করে দিয়েছেন। ২/৩ দিনের মধ্যেই সে সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে ডাক্তার তাদের জানিয়েছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এমরান হোসেন বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে লুনা ইসরাতকে চিকিৎসার জন্য শিক্ষকদের দিয়ে হাসপাতালে পাঠান। এ বিষয়ে শনিবার সকালে বিদ্যালয়ে জরুরী সভা ডাকা হয়েছে।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ায় সরকার আতঙ্কিত - ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?