বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ১০ মার্চ, ২০১৮, ০৪:৪৭:১০

আবারও যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

আবারও যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

ঢাকা : গ্যাস সঙ্কটের কারনে দেশের সর্ববৃহৎ দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান তারাকান্দি যমুনা সার কারখানার উৎপাদন আবারো বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার (৯ মার্চ) রাত ১১টা থেকে জেএফসিএল কর্তৃপক্ষ কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেয়।

জেএফসিএল সুত্রে জানা গেছে, চলতি সেচ মৌসুমে বিদুৎ খাতে গ্যাস ব্যাবহার বৃদ্ধি এবং শিল্পখাতে প্রকট গ্যাস সংকট মোকাবেলার অজুহাতে সরকার চালু হওয়ার ২০দিনের মাথায় আবারও যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।

তিতাস গ্যাস ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী পেট্রোবাংলার চলতি ইরি-বোর মৌসুমে সেচ কাজে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের আদেশের সূত্র উল্লেখ করে কারখানার ব্যাবস্থাপনা পরিচালকের নিকট ৮মার্চ ২০১৮ইং তারিখে গ্যাস বন্ধ রাখার চিঠি দেয়। ওই চিঠির প্রেক্ষিতে যমুনা সারকারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক যমুনা সার কারখানার সকল ইউনিট নিরাপদে বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দেন। ৯মার্চ রাত ১১টার পর কারখানায় সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাস সঙ্কট মোকাবেলার অজুহাতে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারী তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখে। ১৫ ফেব্রুয়ারী গ্যাস সরবরাহ পেয়ে কারখানায় ১৯ ফেব্রæয়ারী সার উৎপাদন শুরু হয়। টানা ২০দিন পার হতে না হতেই আবারও ৯মার্চ রাতে গ্যাস সঙ্কটে সার উৎপাদন বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে করে সার সঙ্কটের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

চলতি মাসে কারখানা থেকে ইউরিয়া সার বিপননে চাহিদা রয়েছে ২৪ হাজার মেঃ টন। বর্তমানে কারখানায় সার মজুত রয়েছে ২হাজার মেঃ টন। কারখানা কর্তৃপক্ষ আমদানীকৃত সারের মজুতের কথা উল্লেখ করে সারের সঙ্কট না হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তা সত্বেও কৃষকরা চলতি ইরি-বোর মৌসুমে সার সঙ্কটের আশঙ্কা করছেন।

বিসিআইসি‘র নিয়ন্ত্রানাধীন যমুনা সার কারখানা কেপিআই-১ মান সম্পন্ন দেশের বৃহৎ ও একমাত্র দানাদার ইউরিয়া উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান। ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দৈনিক ১৭০০ মে. টন ইউরিয়া উৎপাদনে সক্ষম এ কারখানা বৃহত্তর ময়মনসিংহসহ উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় সারের চাহিদা পুরণ করে আসছে।

এ ব্যাপারে যমুনা সারকারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুবা সুলতানা বলেন, চলতি ইরি-বোর মৌসুমে সেচ কাজে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য কারখানার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ায় সার উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে।

আবারও গ্যাস সরবরাহ পেলে পুনরায় সার উৎপাদন শুরু করা হবে। তবে কবে নাগাদ কারখানায় উৎপাদন শুরু হবে তা বলতে পারেননি তিনি। আমদানি করা সার মজুতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সারের কোন সঙ্কট হবে না।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ায় সরকার আতঙ্কিত - ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?