রবিবার, ২২ এপ্রিল ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৮, ০৫:১২:৩৩

‘গণমাধ্যমে সংবাদ না হলে ফিরে আসতাম না’

‘গণমাধ্যমে সংবাদ না হলে ফিরে আসতাম না’

ঢাবি : চোখ বেঁধে ডিবি কার্যালয়ে তুলে নেয়ার ঘটনার পর নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা। এ সময় সরকারের কাছে নিরাপত্তা দেয়ার দাবি জানান তারা।

সোমবার ডিবি কার্যালয় থেকে ফিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তারা। সংবাদ সম্মেলনে ডিবি কার্যালয় থেকে ফিরে আসা পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর, রাশেদ খান ও ফারুক তিন জনই বক্তব্য রাখেন।

রাশেদ খান বলেন, আমার বাবার কোনো দোষ নাই। তাকে ছেড়ে দেয়া হোক। কষ্ট করে লেখাপড়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন। তাকে আটক করাটা যথেষ্ট কষ্টকর। এখন আমার বাবার কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা চলছে।

নুরুল হক নুর বলেন, গুলিস্তানে নেয়ার পর গামছা কিনে চোখ বাঁধা হয়। মাথায় হেলমেট পড়ানো হয় আমাদের। এরপর ডিবি অফিসে নেয়া হয়।

ডিবি পুলিশ বলেছে, তোমাদের ওপর হামলার আশঙ্কা ছিল। সেজন্য নিয়ে আসা হয়েছে। একটা ভিডিও দেখানোর কথা বলেন তারা যদিও কোনো ভিডিও দেখানো হয়নি। ছেড়ে দেয়ার সময় বলা হয়. ডাকলে আবার যেতে হবে ডিবি অফিসে।

নুর দাবি করে বলেন, ‘এটি একটি অপহরণ। মিডিয়া না জানলে হয়তো ফিরে আসতাম কিনা সন্দেহ।’

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অপর নেতা ফারুক হাসান বলেন, আমাদের ওপর হামলা হবে বলে নিয়ে আসা হয়। ডিবি কার্যালয়ে পানি খেতে চাইলে দেয়া হয়নি। নিজেদের নিরাপত্তার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদেরও নিরাপত্তা দাবি করছি।

তিনি বলেন, নিরাপত্তা ইস্যু থাকতেই পারে। সরকার ডাকলেই কিন্তু যেতাম। বলে কয়ে নিয়ে গেলে তো আমরা পালাতাম না। অবশ্যই যেতাম। এভাবে না নিয়ে গেলেই পারতো।

কোটা সংস্কারের আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীসহ বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাদের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রতিবাদ মিছিল বের হয়।

এর আগে রাজধানীর চাঁনখারপুল এলাকা থেকে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের এই ৩ নেতাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয় সাদা পোশাকের পুলিশ। এর কিছুক্ষণ পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমের কাছে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদের কথা অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, ‘তাদের আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। কিছু তথ্য জানতে তাদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল। তারা চলে গেছে।’

এই বিভাগের আরও খবর

  এইচএসসির ভূগোল দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা স্থগিত

  শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ সেল গঠনের দাবি

  প্রিলি থেকেই কোটা দাবি মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের

  সুফিয়া কামাল হলের ৩ ছাত্রীকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে

  ‘গভীর রাতে ছাত্রীদের বের করে দেয়া দু:খজনক’

  মধ্যরাতে ঢাবির ২০ ছাত্রীকে হল ত্যাগে বাধ্য করল প্রশাসন

  ঢাবি থেকে এশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

  এশাকে হেনস্তা, ২৬ শিক্ষার্থীকে শোকজ’র সিদ্ধান্ত ঢাবির

  অনুমোদন পেল আরও ২ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

  এবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

  ‘অজ্ঞাত লোকেরা আমাদের অনুসরণ করছে, হুমকি দিচ্ছে’

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন?