শনিবার, ২০ জানুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৭:২৯:০৯

রংপুরে জাপার দ্বিগুণ ভোট পেয়েছে আ’লীগ

রংপুরে জাপার দ্বিগুণ ভোট পেয়েছে আ’লীগ

ঢাকা: রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হলেও সাধারণ কাউন্সিলর পদে এগিয়ে রয়েছে সরকারি দল। মেয়র পদে বিজয়ী জাতীয় পার্টির চেয়ে তাদের কাউন্সিলরের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি। ৩৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টিতেই জয় পেয়েছে আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীরা। জাতীয় পার্টি জিতেছে সাতটিতে এবং বিএনপি জিতেছে ছয়টিতে। বাকি পাঁচটিতে জয়লাভ করেছে স্বতন্ত্র প্রার্থী। রিটার্নিং কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে। তবে সংরক্ষিত ১১টি নারী কাউন্সিলর পদের ফলাফল এখনো পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে রংপুর সিটিতে দ্বিতীয়বারের মতো ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাতেই মেয়র পদের ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সরকারি দল আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবং সাবেক মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টুকে প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে রংপুরের নগরপিতা হন জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। এই নির্বাচনে বিএনপির অবস্থান তৃতীয় স্থানে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন হয়েছে চতুর্থ। এরশাদের ভাতিজাসহ বাকি তিন প্রার্থীর ভোটের পরিমাণ পাঁচ হাজারের কোটা পার হয়নি।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর

১নং ওয়ার্ড- রফিকুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ড-হরাধন রায় হারা, ২নং ওয়ার্ড-আবুল কালাম আজাদ (লাটিম), ৩নং ওয়ার্ড-লিটন হাজী (টিফিন ক্যারিয়ার), ৫নং ওয়ার্ড-মোখলেছুর রহমান তরু, ১৫নং ওয়ার্ড-জাকারিয়া আলম শিবলু (ট্রাক্টর), ২০নং ওয়ার্ড-তৌহিদুল ইসলাম (লাটিম), ৩৩নং ওয়ার্ড-সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, ৩২নং ওয়ার্ড-শামিম (লাটিম), ২৪নং ওয়ার্ড-রফিকুল ইসলাম, ২৮নং ওয়ার্ড-রহম উল্লাহ বাবলা (টিফিন ক্যারিয়ার), ২৭নং ওয়ার্ড- হারুন অর রশিদ, ১৬নং ওয়ার্ড-আমিনুর রহমান (ঘুড়ি), ২৯নং ওয়ার্ড-মোক্তার হোসেন (করাত), ১৭নং ওয়ার্ড-গফফার আলী (ঘুড়ি)।

জাতীয় পার্টি সমর্থিত কাউন্সিলর

৬নং ওয়ার্ড-মনোয়ারুল ইসলাম লেবু (ঘুড়ি), ১৩নং ওয়ার্ড-ফজলে এলাহি ফুলু, ২১নং ওয়ার্ড- মাহাবুবার রহামন মঞ্জু (ঘুড়ি), ২৫নং ওয়ার্ড-মো. নুরুনব্বী ফুলু (লাটিম), ৩১নং ওয়ার্ড শামছুল আলম, (ট্রাক্টর), ৮নং ওয়ার্ড-মানিক মাস্টার, ২৩নং ওয়ার্ড-মো. সেকেন্দার আলী (ঘুড়ি)।

বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর

৩০নং ওয়ার্ড-আরজু, ৭নং ওয়ার্ড-মাহাফুজার রহমান মাফু (ঠেলাগাড়ী), ১২নং ওয়ার্ড-রবিউল ইসলাম রতন, (টিফিন ক্যারিয়ার), ১৪নং ওয়ার্ড- শফিকুল ইসলাম মিঠু (লাঠিম), ১৮নং ওয়ার্ড-লাইকো (ট্রাক্টর), ৯নং ওয়ার্ড-নজরুল ইসলাম দেওয়ানী (ঘুড়ি)।

স্বতন্ত্র কাউন্সিলর

১৯নং ওয়ার্ড-মাহামুদুর রহমান টিটু (টিফিন ক্যারিয়ার), ২২নং ওয়ার্ড- মিজানুর রহমান মিজু (মিষ্টি কুমড়া), ১০নং ওয়ার্ড-নাইছুর রহমান নাজু (টিফিন ক্যারিয়ার), ১১নং ওয়ার্ড-লুৎফর রহমান (টিফিন ক্যরিয়ার), ২৬নং ওয়ার্ড- সাইফুল ইসলাম ফুলু।

উল্লেখ্য, রংপুর সিটিতে তিন লাখ ৯৩ হাজার ৯৯৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের কথা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটাধিকার প্রয়োগ করে দুই লাখ ৯৩ হাজার একজন ভোটার। রংপুর রিটার্নিং কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, এই নির্বাচনে ৭৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ ভোট কাস্টিং হয়েছে।

 

 

আজকের প্রশ্ন

শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহনীয় মাত্রায় ঘুষ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। জাতির জন্য এমন পরামর্শ ভয়ানক নয় কি?