শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৮:২৫:১৪

কর্মীদের মাঝেই নিজেকে খুঁজে পাই: ছাত্রলীগ সম্পাদক

কর্মীদের মাঝেই নিজেকে খুঁজে পাই: ছাত্রলীগ সম্পাদক

চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘাত-সংঘর্ষ এবং দুর্নীতির দুষ্টক্ষত সেরে উঠতে চায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। কিন্তু, কিছুতেই এগুলো পিছু ছাড়ছে না সংগঠনটির। সিলেটের বদরুল আর শরীয়তপুরের আরিফ হোসেন হাওলাদারদের মত গুটিকয়েক কর্মীর কারণে নানা সময় গণমাধ্যমে নেতিবাচক শিরোনাম হয় ছাত্রলীগ। এ কারণে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় শীর্ষ নেতাদেরও।

এমনই ঘটনা ছাড়াও সংগঠনের সার্বিক বিষয় নিয়ে সঙ্গে কথা হয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইনের। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন পরিবর্তন ডটকমের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সালাহ উদ্দিন জসিম আর ছবি তুলেছেন রাফিয়া আহমেদ।

এসএম জাকির হোসাইন ছাত্রলীগের ২৮তম নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক। ২০১৫ সালের ২৬ জুলাই ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলনে নির্বাচিত হন তিনি। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ছিলেন।

জাকির হোসাইনের জন্ম মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায়। হাফেজ মাওলানা আবদুল জলিলের পাঁচ ছেলে ও চার মেয়ের মধ্যে অষ্টম জাকির।

নয়াবাজার হাইস্কুল থেকে ২০০২ সালে এসএসসি এবং নরসিংদী পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে এইচএসসি পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে এমফিল করছেন।

রাজনীতির ছাত্র জাকির হোসেন ছাত্ররাজনীতির আঁতুড়ঘর মধুর ক্যান্টিনে বসে এ প্রতিবেদকের সঙ্গে ছাত্রলীগ, ছাত্ররাজনীতিসহ দেশের যুব ও ছাত্রসমাজের বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে কথা বলেছেন।

সাত দশকে ছাত্রলীগ। এক রকম বুড়ো বয়সে এসে গেছে এই সংগঠনটি। ৪ জানুয়ারি সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এই সময়ে এসে ছাত্রদের নিয়ে আপনাদের পরিকল্পনা কী?

একটু গল্প দিয়ে শুরু করি। আমরা সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাবেক নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে গল্প করলাম যে, একটা সময় যুবসমাজ-তরুণ সমাজ বা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কিভাবে আড্ডা দিত, কথা বলত। তাদের সামনে দিয়ে ছাত্রী বোনেরা যাওয়ার সময় তাদের ডিস্টার্ব করার মেন্টালিটি ছিল না। এখন যেটা বলা হয়, ইভটিজিং। এখন কিন্তু একবিংশ শতাব্দীতে এসে দেখা যাচ্ছে, সামাজিক অবক্ষয়ের কারণে নাকি অন্য কিছুর কারণে জানি না, ইভটিজিংয়ের মাত্রা বা ডিস্টার্ব করার প্রবণতা বেড়ে যাচ্ছে। সামাজিক মূল্যেবোধ যাতে মানুষের মাজে থাকে, তরুণ সমাজ যাতে আগে যেভাবে পরিচালিত হয়েছে, সেভাবে যেন কাজ করে- এটাই চাওয়া। এজন্য অভিভাবকদের উচিত তাদের ছেলে-মেয়ে কোথায় যাচ্ছে এবং কী করছে তাদের খবর নেওয়া। একটা ছাত্র সংগঠন চাইলেই সব নেতাকর্মীর ব্যক্তিগত জীবন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। আমার জন্য সম্ভব না- আমার নেতাকর্মী কোথায় যাচ্ছে এবং কী করছে এই খবর রাখা। প্রতিটি পরিবার যদি দায়িত্ব নেয়, তাহলে সম্ভব; এটা তাদের দায়িত্বও।

এখনকার সবচে বড় সমস্যা মাদক। মাদকের কারণে একটা ছেলের জীবন অস্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে। তার কথাবার্তা, চাল-চলনসহ সব কিছুতেই অস্বাভাবিকতা। আমি ছাত্রলীগের গত পুনর্মিলনীতে একটা পরিসংখ্যান তুলে ধরেছিলাম, বাংলাদেশে মাদকের সাথে যারা সম্পৃক্ত তার ৫০ ভাগ যুবক। এর মধ্যে ৩০ ভাগ বেকার। বেকারত্বের কারণে যারা মাদকের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, তারা থেকে বের হতে পারছে না। অনিশ্চিত জীবনের দিকে তারা যাচ্ছে। সেটা থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমি কয়েকটা দাবি নেত্রীর সামনে তুলে ধরেছিলাম।
এক. মাদকের যারা ব্যবসা করে, প্রশ্রয় দেয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

দুই. যেই যেই পয়েন্ট (পথ) দিয়ে মাদক প্রবেশ করে সেগুলো চিহ্নিত করে সেই জায়গাগুলো বন্ধ করে দিতে হবে।

তিন. মাদক ব্যবসায়ীদের যারা সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে-নিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।

তাহলে হয়ত আমরা আমাদের যুবসমাজকে সামাজিক অবক্ষয় থেকে ফিরিয়ে আনতে পারব। আমরা পৃথিবীর মধ্যে জনসংখ্যার দিক দিয়ে সামনের সারির দেশ। আমাদের সাড়ে চার কোটি তরুণ প্রজন্ম আছে যেটা আমাদের জনসংখ্যার ৩০ ভাগ। এটা অন্য কোনো দেশে নেই।  আমরা চাই, জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে সেরকম সোনার মানুষ তৈরি করা। বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যে ভিশন দিয়েছেন, সেটা বাস্তবায়নে যাতে তরুণ সমাজ ভূমিকা পালন করতে পারে। নিজেদের গড়ে তুলতে পারে সেরকম একটি তরুণ প্রজন্ম গড়তে চাই। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের শিক্ষিত, আধুনিক এবং ডিজিটালাইজড শক্তিশালী তরুণ প্রজন্ম হিসেবে যেন তুলে ধরতে পারি সে ক্ষেত্রে আমরা কাজ করব।

অনেক ছাত্র তো রাজনীতি করে না। আপনি রাজনীতিতে কেন এসেছেন। কোন বিষয়টা আপনাকে আকৃষ্ট করেছে? রাজনীতির তো বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম আছে, আওয়ামী রাজনীতিই কেন বেছে নিলেন?

আমার রাজনীতির শুরু পারিবারিকভাবে। আমি জন্মের পরে দেখেছি আমার দুই চাচা মুক্তিযোদ্ধা। আর বাড়ি যাওয়ার একটা ব্রিজ আছে, সেটার নাম আমার বাবার চাচাত ভাইয়ের নামে। উনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। সুতরাং আমরা পরিবারিকভাবেই রাজনীতিতে যুক্ত। আমার মায়ের বংশ বা বাবার বংশ সবাই রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। তাদের দেখেই আসা। আমি মনে করি, রাজনীতি এক ধরনের সেবা। রাজনীতির মাধ্যমে মানুষকে সহযোগিতা করার সুযোগ থাকে। আমি ছাত্রলীগকে ভালোবাসছি এজন্যই যে, দেশের জন্য এই ছাত্রলেীগের অনেক অবদান। এ দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলনে ছাত্রলীগের অবদান স্বীকার করতে হবে। এরকম একটি ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ। আমার সবচেয়ে যে জিনিসটা ভালো লাগে, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের জন্য কাজ করা।

এখনও ছাত্রলীগের প্রতি সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের প্রবল আস্থা আছে। আমি সর্বশেষ একটা ঘটনা বললে বুঝতে পারবেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজে যখন রেজাল্ট নিয়ে আন্দোলন নীলক্ষেত মোড়ে, আমরা এটা নিয়ে ভিসি স্যারের সাথে কথা বললাম। ভিসি স্যার ১২টার দিকে গেছেন, তাদের সঙ্গে কথা বললেন। তারপরও আন্দোলন থামছে না। এরপর আমি নিজেই গেলাম সেখানে। তাদের কাছে দুইজন প্রতিনিধি পাঠালাম যে, আমি তাদের সাথে কথা বলতে চাই। ওরা সাত কলেজের ৮-১০জন আসছে। আমি ছাত্রলীগের সভাপতিসহ ওদের বললাম, আপনাদের এই আন্দোলন যৌক্তিক। আপনাদের আন্দোলনের সাথে আমাদের একাত্মতা আছে। কিন্তু মানুষকে কষ্ট দিয়ে তো কোনো আন্দোলন হয় না, লাভও নেই। সফলতা পাবেন নিশ্চয়তাও নেই। তার চেয়ে যদি আমরা যৌক্তিক ও গণতান্ত্রিকভাবে আগাই। আমরা ভিসি স্যারের সাথে কথা বলে সমাধান করি, সেটা ভালো না? তখন ওরা একটা কথা বলেছিল- আপনারা যদি দায়িত্ব নেন তাহেল আমরা সেটা মেনে নেব। আজকের জন্য স্থগিত করব। পরের দিন ভিসি স্যারের সঙ্গে কথা হয়েছে। সুন্দর একটা সমঝোতার মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে। এই যে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আস্থার যায়গা, এটা কিন্তু অনেক বড় বিষয়। এটা আমাদের কোনো ব্যক্তির উপর নয়, ছাত্রলীগের প্রতি তাদের আস্থা।

ছাত্রদের আস্থার জায়গা এই ছাত্রলীগ। এত বড় একটা সংগঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, বিষয়টি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?

আমি নিজেকে কখনো নেতা মনে করি না। আমি মনে করি আমার ছাত্রলীগের সকল নেতাকর্মীদেরই একজন। তাদের ভাই। আর ছাত্রলীগের আজীবন থাকার সুযোগ নেই। একটা সময় চলে যাব। সুতরাং আমি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আমার ভাইয়ের মত মনে করি। তাদের সুবিধা-অসুবিধায় পাশে থাকতে চাই। তাদের মত করেই আমার লাইফ স্টাইলটা চালিয়ে যেতে চাই। তাদের মধ্যেই আমি আমার নিজেকে খুঁজে পাই।

এত বড় সংগঠন চালাতে গিয়ে কোন বিষয়টাকে চ্যালেঞ্জ মনে করেন?

সব সময় আমি চ্যালেঞ্জ নিতেই ভালোবাসি। ওরকম কোনো চ্যালেঞ্জ নেই। থাকলে সেটা মুখোমুখি হওয়াটাই ভালো মনে করি। এত বড় একটা ছাত্র সংগঠন, তার সবকিছুই যে পজিটিভ তা নয়। অনেক কিছু নেগেটিভ আসতেই পারে। কারণ একটা পরিবারের অনেক ছেলে-মেয়ে থাকলে বাবা-মায়েরাও সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এক-দুজন ব্যতিক্রম থাকেই। এরকম ছাত্রলীগতো আমাদেরও একটা বৃহৎ পরিবার। তাদের মধ্যে সবাই যে সমান থাকবে, এটা মনে করি না। আমাদের ছাত্রলীগেও মাঝে মাঝে দু-একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা হয়। সেটার জন্য আমরা প্রশ্রয় দেই না, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিই। বিচারের সংস্কৃতি প্রথম থেকেই ছাত্রলীগে প্রচলিন ছিল, এটা ছাত্রলীগ সব সময় ধরে রাখেবে।

আপনার অভিজ্ঞতা থেকে যদি বলেন- একজন ছাত্রনেতার কোন বৈশিষ্ট্যগুলো থাকা উচিত?

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হচ্ছে, জ্ঞানটাই সবচে বড় শক্তি। জ্ঞানসমৃদ্ধ একটা তরুণ সমাজ আজকে দরকার। এখন পৃথিবীটা একটা গ্লোবাল ভিলেজের মত। পৃথিবীর কোথায় কী হচ্ছে এখানে বসেই জানতে পারি। এই সময়ে সবচে স্মার্ট হচ্ছে সে, যার কাছে লেটেস্ট ইনফরমেশন আছে। আমরা চাই, যার কাছে লেটেস্ট তথ্য আছে, জ্ঞান সমৃদ্ধ তাকে নেতা বানাতে। এখন ছাত্ররা বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবসের পার্থক্য জানে না এরকমও পাই। বাংলাদেশের ইতিহাস জানে না, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানে না এবং ভাষা আন্দোলন বুঝে না। আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সাথে বাংলাদেশের ইতিহাস সমৃদ্ধ, সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে এ রকম নেতৃত্বকেই আমরা প্রাধান্য দেই। এছাড়া আমাদের গঠনতন্ত্র তো আছেই, যেখানে বয়স, ছাত্রত্ব, অবিবাহিত এই শর্তগুলো আছেই।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আসলেই ছাত্রলীগের সম্মেলনের বিষয়টা চলে আসে, যেহেতু এটা নেতা তৈরির প্ল্যাটফর্ম। সম্মেলন কবে নাগাদ দিচ্ছেন?

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্মেলন একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এই পক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আমরা ইতোমধ্যে ৫৫টি জেলা কমিটি দিয়েছি। বাকি জেলা কমিটিগুলো আমরা দেব। যেহেতু বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি যখন আমাদের সিগনাল দেবেন, তখন আমরা সে অনুযায়ী এগোবো। এখনও আমাদের কোনো সিগনাল দেননি। আমরা যেদিন ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছি, পরদিন থেকে যেমন দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করেছি। সেদিন থেকেই প্রস্তুতিও নিতে শুরু করেছি। সুতরাং আমাদের সকল রকমের প্রস্তুতি আছে। আমরা যদি গ্রিন সিগন্যাল পাই, তাহলেই আমরা সম্মেলন করব।

সামনে নির্বাচন। যেহেতু সম্মেলনের ইঙ্গিত পাননি, নিশ্চয়ই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছেন?

অবশ্যই। এটাও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমরা সাবেক হব না থাকব- এটার উপর নির্ভর করবে না আমাদের নির্বাচনের প্রস্তুতি। আমাদের নির্বাচনে প্রস্তুতি আরও আগ থেকেই শুরু হয়েছে। কেন্দ্রভিত্তিক কমিটি করছি। আমাদের জেলাভিত্তিক সব বক্তৃতাই নির্বাচনের বিষয়ে বলছি। ধরুন, আমরা সাবেক হয়ে গেলাম। আমরা যেখানে শেষ করব, সেখান থেকেই নতুনরা শুরু করবে। এটা তো থামিয়ে দেয়ার সুযোগ নেই।

৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছাত্র সমাজের প্রতি আপনাদের আহ্বান-

আজকে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেখুন। জাতীয় পর্যায়ে কিন্তু আমাদের ছাত্রনেতারাই গিয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সুতরাং সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে- আসুন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণ, দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে কলম ধরি এবং জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত দেশ গড়ি। এই গড়ার ক্ষেত্রে যাতে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা এগিয়ে আসে, তারা যেন সচেতন হয়, তাদের মধ্যে সেই সচেতনতা বোধ, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত করতে কাজ করছে ছাত্রলীগ। আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে যেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এসে ভূমিকা পালন করতে পারে, সেজন্য ছাত্রলীগের পতাকা তলে সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি।



আজকের প্রশ্ন