রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০৭:৩০:১৮

কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ

কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জেলা জজ আবু শামীম আজাদ বিচারাধীন বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের হয়।ধর্ষিতার বাবা বাবুগঞ্জ উপজেলার চর উত্তর ভূতেরদিয়া গ্রামের বাসিন্দা আতিকুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

মামলায় ধর্ষক একই এলাকার লুতফর মোল্লার ছেলে রায়হান মোল্লা, ও তাঁর সহযোগী শাহ আলম ফকিরের মেয়ে হামিদা আক্তার, রুবেল মোল্লা এবং রায়হানের পলাশ সিকদার ও বোন রুমা আক্তার ভানুসহ অজ্ঞাত আরও ৩ থেকে ৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বাদী আদালতে বলেন, তার অষ্টাদশী কন্যা অভিযুক্ত রায়হানের সাথে আগরপুর ডিগ্রী কলেজে একাদশ শ্রেণীতে পড়ে। রায়হান তাকে প্রায়ই কু প্রস্তাব দিত।মেয়ে একথা বাবাকে জানালে তিনি রায়হানের বোন ও ভগ্নীপতিকে জানায়।তারা কোন বিচার না করে উল্টো রায়হানকে মেয়ে তুলে নিয়ে বিয়ে করার পরামর্শ দেয়।

গত ১ আগস্ট রায়হান অন্যান্যদের সহযোগিতায় বাদীর কন্যাকে কলেজে যাওয়ার পথ থেকে জোড়পূর্বক অপহরণ করে পলাশের বাড়ি নিয়ে যায়।সেখানে রায়হান তাকে জোড়পুর্বক ধর্ষণ করে। বাদী মেয়ের খোঁজ না পেয়ে হামিদার কাছে জানতে পারে তার মেয়ে রায়হানের সাথে আছে।একথা জেনে তিনি রায়হানের বাবা মায়ের কাছে গেলে তারা সবকিছু অস্বীকার করে। অভিযুক্তরা ধর্ষিতাকে নিয়ে মুলাদী গিয়ে জোড়পূর্বক তিনটি সাদা কাগজে সাক্ষর নেয়।

বাদী তার মেয়েকে উদ্ধারের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে দাবী জানায়। ইউপি চেয়ারম্যান রায়হানের বাবাকে চাপ প্রয়োগ করলে অভিযুক্তরা গত ১৫ আগস্ট ধর্ষিতাকে বাদীর বাড়িতে ফেরত দিয়ে যায়।বাদী মেয়ের কাছ থেকে সব ঘটনা জেনে থানায় মামলা করতে যায়।থানা পুলিশ আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেয়।

এভাবে অভিযোগ দিয়ে মামলা দায়ের করলে আদালত ধর্ষিতাকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করতে বাদীকে নির্দেশ দিয়ে শেবামেক হাসপাতালের অধ্যক্ষকে ধর্ষণ সংক্রান্ত পরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন। একই সাথে বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে অপহরণ ও ধর্ষণের বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন বলে আদালত সূত্র জানায়।



আজকের প্রশ্ন