মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১২:১৬:২৮

সাংবাদিক সুবর্ণা হত্যার অন্যতম আসামি মিলন আটক

সাংবাদিক সুবর্ণা হত্যার অন্যতম আসামি মিলন আটক

পাবনা: পাবনার নারী সাংবাদিক সুবর্ণা নদী (৩০) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত অন্যতম আসামি শামসুজ্জামান মিলনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

মিলন পাবনা পৌরসভার গোপালপুরের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে। মৃত্যুর স্বামী রাজীবের সহকারী মিলনের নাম বলে গিয়েছেন সুবর্ণা নদী।

তাকের আটকের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে র‌্যাব।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) অরবিন্দ সরকার জানান, র‌্যাবের পক্ষ থেকে আসামিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার পর তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হবে।

এর আগে ঘটনার দিন সুবর্ণার সাবেক শ্বশুর পাবনার ইদ্রাল ইউনানি কোম্পানি ও শিমলা ডায়াগনস্টিকের মালিক আবুল হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া সুবর্ণার বাড়ির কেয়ারটেকার ইমরান হোসেনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। তবে সুবর্ণার সাবেক স্বামী রাজীব এখনও পলাতক।

উল্লেখ, গত ২৮ আগস্ট রাতে পাবনা পৌর সদরের রাঁধানগর মহল্লায় আদর্শ গার্লস হাইস্কুলের সামনে ভাড়া বাসায় ফেরার পথে বাসার সামনেই কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায়। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সুবর্ণা আনন্দ টিভি’র পাবনা প্রতিনিধি ছিলেন। অনলাইন পোর্টাল দৈনিক জাগ্রতবাংলার সম্পাদক ও প্রকাশক ছিলেন। পাশাপাশি পাবনা বার্তা ২৪ ডটকমসহ কয়েকটি গণমাধ্যমে কাজ করতেন। এর আগেও সুবর্ণার একবার বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসারের জান্নাত নামের ৬ বছরের কন্যা সন্তান ও মাকে নিয়ে শহরের রাঁধানগর মহল্লায় আদর্শ গার্লস হাইস্কুলের সামনে বাসা ভাড়া থাকতেন।

এ ঘটনায় পরের দিন ২৯ আগস্ট বিকেলে পাবনা সদর থানায় মামলা করেন নদীর মা মর্জিনা বেগম। এতে ইড্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস (ইউনানি) ও শিমলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন, তার ছেলে ও নদীর সাবেক স্বামী রাজীব হোসেন এবং তাদের অফিস সহকারী শামসুজ্জামানের নাম উল্লেখ করে আট-নয়জনকে আসামি করা হয়।

 



আজকের প্রশ্ন