বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০৬:১০:০৫

বিয়ের আশ্বাসে নেপালি ছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, শিক্ষক আটক

বিয়ের আশ্বাসে নেপালি ছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, শিক্ষক আটক

সিরাজগঞ্জ : বিয়ের আশ্বাসে এক নেপালি মেডিকেল শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ডা. তুহিন নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। তিনি সিরাজগঞ্জের নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক।

গত রোববার বিকেলে শহরের ধানবান্ধি মহল্লায় ভাড়া বাসা থেকে ওই শিক্ষককে (চিকিৎসক) আটক করা হয়। তাকে সিরাজগঞ্জ সদর থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার দুপুরে নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. এসএম আকরাম হোসেন তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

ঘটনার বিষয়ে নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, লেখাপড়ার সুবাদে ডা. তুহিনের সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে ডা. তুহিন ছাত্রীকে বিয়ের আশ্বাস দেখিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সম্প্রতি ওই ছাত্রী বিয়ের জন্য চাপ দিলে ডা. তুহিন নানা তালবাহানা শুরু করেন।

গত শুক্রবার দুপুরে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কলেজে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। গত রোববার ওই ছাত্রী তুহিনের বাসায় গিয়ে আবারও বিয়ের জন্য চাপ দেন। এ সময় ডা. তুহিন ও তার স্ত্রী ওই ছাত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

পরে নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী এ ব্যাপারে মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর নালিশ করেন। এ ঘটনার পরই পুলিশ রোববার বিকালে ডা. তুহিনকে শহরের ধানবান্ধি মহল্লার তার ভাড়া বাসা থেকে সিরাজগঞ্জ সদর থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।

নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. এসএম আকরাম হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে সব কিছু জানা যাবে।’

এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ সদর থানা হেফাজতে ডা. তুহিনের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযুক্ত চিকিৎসককে থানায় আনা হয়েছে। মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন। তদন্তের পর কোনো অভিযোগ দেয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এ ঘটনায় নর্থ বেঙ্গল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।



আজকের প্রশ্ন