মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৫:২৪:৪৫

ভারতে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠ ৪ বিচারপতির সংবাদ সম্মেলন, ‘গণতন্ত্র বিপন্ন’

ভারতে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে জ্যেষ্ঠ ৪ বিচারপতির সংবাদ সম্মেলন, ‘গণতন্ত্র বিপন্ন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ‘গণতন্ত্র বিপন্ন। সুপ্রিম কোর্টে সবকিছু ঠিকঠাক চলছে না।’ এ মন্তব্য ভারতের সুপ্রিম কোর্টের  চার জ্যেষ্ঠবিচারপতির।
শুক্রবার নজিরবিহীন সংবাদ সম্মেলন ডাকেন বিচারপতি জে চেলামেশ্বর। প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি তিনি। তাঁর বাড়িতেই সংবাদ সম্মেলনে হাজির ছিলেন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, বিচারপতি মদন বি লকুর এবং বিচারপতি ক্যুরিয়েন জোসেফও।

কী কারণে তাঁদের এই নজিরবিহীন পদক্ষেপ? বিচারপতি চেলামেশ্বর বলেছেন, ‘দেশের ইতিহাসে এটা একটা অস্বাভাবিক ঘটনা। এরমধ্যে কোনও খারাপ কিছু নেই। আমরা এটা করতে বাধ্য হয়েছি। সুপ্রিম কোর্ট ঠিকভাবে চলছে না।’ এদিকে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে ওই চার বিচারপতির বৈঠকের পরেই আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদের সঙ্গে বৈঠক ডেকেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের কাজে যে তাঁরা অসন্তুষ্ট, তা গোপন না করেই চেলামেশ্বর বলেন, ‘দেশ এবং এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমরা ঋণী। এই প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে প্রধান বিচারপতি যাতে পদক্ষেপ করেন তা নিয়ে বোঝাতে গিয়েছিলাম। আমরা ব্যর্থ হয়েছি।’


কর্মরত অবস্থায় ভারতের বিচারপতিরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার এমন ঘটনা আগে ঘটেনি। ডিসেম্বর মাসে একটি মামলার শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের সঙ্গে বিচারপতি চেলামেশ্বরের সংঘাত বাঁধে। সেই মামলা চেলামেশ্বরের হাত থেকে নিয়ে অন্য চার বিচারপতির হাতে দিয়ে দেন। এই চার বিচারপতি মেনে নিয়েছিলেন- সুপ্রিম কোর্টে কোনও মামলার শুনানি কার হাতে যাবে তার সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার প্রধান বিচারপতির রয়েছে।
ডিসেম্বরে মেডিকেল দুর্নীতি সংক্রান্ত ওই মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। লখনউ এর একটি মেডিকেল কলেজ ঘুষ নিয়ে ছাত্র ভর্তি করিয়েছে এমন অভিযোগ ওঠে। তার জন্য কালো তালিকা করা হয় ওই কলেজকে। কলেজটি সেই রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়েছিল। বিচারবিভাগও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত অভিযোগ ওঠার পরে সেই মামলা অন্য বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি।  সূত্র: ভারতীয় দৈনিক আজকাল।

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহনীয় মাত্রায় ঘুষ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। জাতির জন্য এমন পরামর্শ ভয়ানক নয় কি?