বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ১০:৪১:২৬

কিমের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দারুণ

কিমের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দারুণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নাটক করতে জুড়ি নেই তার। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তিনি একের পর এক নাটকের জন্ম দিয়ে চলেছেন। বলছিলাম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাম্পের কথা। শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের সঙ্গে তার নাকি দারুণ সম্পর্ক। অথচ দিন কয়েক আগেও দেশটিকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। আর কিমকে বিভিন্ন সময়ে ‘রকেট ম্যান’ বলে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপও করেছেন। তাকে ধ্বংস করে দেয়ারও হুমকি দিয়েছেন বহুবার।

কিন্তু এবার সুর নরম করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্ষমতায় আসার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি মার্কিন দৈনিককে দেয়া বিশেষ সাক্ষাৎকার ট্রাম্প বলেছেন, ‘অনেকের সঙ্গেই আমার সম্পর্ক দারুণ। শুনলে হয়তো আপনারা চমকে যাবেন। কিম জং উনের সঙ্গেও আমার সম্পর্ক বেশ ভাল।’

তার এই মন্তব্যের পরে দু’দেশের সম্পর্কের টানাপড়েন কিছুটা হলেও কমবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।

গত বছর জুড়ে একের পর এক পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে আমেরিকার ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলেছেন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম। পিয়ংইয়ং থেকে সরাসরি আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকিও দিয়েছিলেন তিনি। চুপ করে থাকেননি ট্রাম্পও। গত বছর সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চ থেকে সরাসরি উত্তর কোরিয়াকে ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধ না করার জন্য পিয়ংইয়ংয়ের উপর আরোপ করা হয়েছে একাধিক আর্থিক নিষেধাজ্ঞাও। উত্তর কোরিয়ার দীর্ঘ দিনের বন্ধু চীনও শেষ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার প্রশ্নে আমেরিকার পাশেই দাঁড়িয়েছিল। কিমকে ঠেকাতে কোরীয় উপসাগরে দক্ষিণ কোরিয়া আর জাপানকে নিয়ে একের পর এক মহড়াও সেরেছে মার্কিন বাহিনী।

কার পরমাণু অস্ত্রের বোতাম কত বড়, তা নিয়েও বড়াই করেছেন দুই নেতা। তবে গত বছরের শেষ থেকেই সুর নরমও করেন কিম। আমেরিকার পক্ষ নেওয়ার পর থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গেও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। কিন্তু হঠাৎই দক্ষিণ কোরিয়ায় শীতকালীন অলিম্পিকে উত্তর কোরয়ার খেলোয়াররা নেবেন বলে জানান কিম। দুই বছর পর গত ৯ জানুয়ারি বৈঠক করেছেন দুই কোরিয়ার প্রতিনিধিরা।

সম্ভবত সেটা দেখেই দু’দিন আগে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ট্রাম্পও।

পাকিস্তান নিয়েও কিছুটা সুর নরম করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আমরা আশাবাদী, পাকিস্তান তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জঙ্গিদের আমাদের হাতে তুলে দেবে।’ জঙ্গি দমনে যে অনুদান বন্ধ রেখেছে মার্কিন প্রশাসন সে সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন,‘আমরা তো সেই টাকা অন্য খাতে খরচ করিনি। দরকার পড়লে পাকিস্তানকেই আবার দেওয়া হবে।’

সূত্র: আনন্দবাজার

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ায় সরকার আতঙ্কিত - ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?