ঢাকা, রবিবার ২৮শে মে ২০১৭ - 

গোপনে সাংগঠনিক শক্তি সঞ্চয়ের কাজ করছে জামায়াত

প্রাইমনিউজবিডি.কম
 বৃহঃস্পতিবার ২০শে এপ্রিল ২০১৭

ঢাকা: দীর্ঘদিন ধরেই মাঠের রাজনীতিতে নীরবতা পালন করছে জামায়াতে ইসলামী। কেবলমাত্র ইস্যুকেন্দ্রিক গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠানো ছাড়া রাজনৈতিক তেমন কোন কর্মসূচিও নেই জামায়াত-শিবিরের। গত বছরের শেষের দিকে দলের শীর্ষ কয়েকজন নেতার ফাঁসি কার্যকরের প্রতিবাদে হরতালের ডাক দিলেও রাজপথে কোথাও পিকেটিং করতে দেখা যায়নি জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীদেরকে।

এক দিকে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের চেষ্টা অন্যদিকে রাজনীতির কোণঠাসায় পড়ে স্বাভাবিক ভাবে নীরবতা দেখাচ্ছে তারা। তবে বাস্তবে তারা ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে সাংগঠনিক শক্তিতে শক্তিশালী করে তুলছে। সারাদেশেই গোপনে তাদের সাংগঠনিক শক্তি সঞ্চয়ের কাজ করছে দলটি।

খোজ নিয়ে জানা যায়, ২০ দলীয় জোটের সঙ্গে সম্পর্ক, কর্মসূচি কোথাও দেখা যায় না দলটির নেতাকর্মীদের। এমনকি আগে গোপনে বৈঠক করার যে ধারাটি ছিল, এখন আর সেটিও সেভাবে হচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে ‘সুসংগঠিত’ দল হিসেবে পরিচিত জামায়াতে ইসলামী দীর্ঘদিন ধরে চুপ থাকার পেছনে অনেক কারণ রয়েছে।

মাঠের রাজনীতি অনুকূলে না থাকায় নেতাকর্মীদের মন এখন দল গোছানোর দিকে। কেন্দ্রের নির্দেশনা মতো আনুষ্ঠানিক বৈঠকের বদলে নানা কৌশলে সাংগঠনিক শক্তি সঞ্চয়ের জন্য ভেতরে ভেতরে সারা দেশে কাজ চলছে দলটির। আগে গোপনে বৈঠক করার যে ধারাটি ছিল, সেটিও এখন আর সেভাবে হচ্ছে না। তবে আগের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ করতে না পারলেও বসে নেই দলটির নেতাকর্মীরা। বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্র থেকে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, তৃণমূল পর্যায়েও ভিন্ন কৌশলে চালানো হচ্ছে সাংগঠনিক কার্যক্রম। কখনো কখনো সবার কাছে দলীয় সিদ্ধান্ত পৌঁছে যাচ্ছে ব্যক্তিগত আলাপে। কখনো আবার আড্ডার ফাঁকে সেরে নেয়া হয় সাংগঠনিক আলাপ।

সূত্র জানায়, আত্মগোপনে থাকা কেন্দ্রীয় নেতারাও বিভিন্ন কৌশলে বিভিন্ন স্থান সফর করছেন। ইতোমধ্যে দলের সর্বোচ্চ ফোরাম কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ, কর্মপরিষদ ও মজলিশে শুরায় সারা দেশ থেকে বাছাই করা তরুণ নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সারা দেশে দলের গুরুত্বপূর্ণ শাখা কমিটিগুলোতেও তরুণদের অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজপথের আন্দোলনের পরিবর্তে সাংগঠনিক মূলকাজ তথা দাওয়াতি কাজের দিকে বেশি জোর দিচ্ছে দলটি। পাশাপাশি চলছে অন্যান্য কার্যক্রমও।

সূত্রে জানা যায়, জামায়াতের নিবন্ধন নিয়ে সরকার শেষ পর‌্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয় সেদিকে তাকিয়ে আছে দলটির শীর্ষ নেতারা। নিষিদ্ধ হলে কোন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দলটি রাজনীতির মাঠে থাকবে সে ব্যাপারেও চিন্তাভাবনা অনেকটা চূড়ান্ত করে রেখেছে। জামায়াত ইসলামী দলটি নিষিদ্ধ হলে তার তরুণ নেতৃত্বকে সামনে এনে নতুন নামে রাজনীতির মাঠে নামার চিন্তা করছে।

এদিকে জামায়াতের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে বিএনপি এমনটাই দাবী করে ২০দলীয় জোটের এমন শরিক দলের নেতা জানান, জামায়াতের ব্যাপারে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। কারণ জামায়াত নিষিদ্ধ হলে নতুন নামে নতুন নেতৃত্বে দল পরিচালনা করবেন তারা।

নাম প্রকাশ করা না শর্তে জামায়াতের এক নেতা জানান, দেশে বর্তমানে যে পরিস্থিতি রিরাজমান তাতে আমরা কোথাও বসতে পারছি না। নেতাকর্মীরা জড়ো হতে পারছি না। যে হারে গ্রেফতার, গুম, খুন, নির্যাতন-নিপীড়ন চলছে। তাতে প্রকাশ্যে নেতারা মাঠে নামতে চায় না। এদিকে সংগঠনের কর্মকান্ড ও বন্ধ রাখা যাবে না। তাই পুলিশের গ্রেফতার এড়িয়ে চলতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উপায়ে আড্ডার ফাঁকে কিছু নেতাকর্মী জড়ো হয়ে দলের সাংগঠনিক তথ্য আদান-প্রদান করছি। এভাবে দলের নির্দেশনা নেতাকর্মীদের কাছে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। বর্তমান সময়ের চাইতে কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে জামায়াতকে রাজনীতি করতে হয়েছে। বর্তমানে যেসব কাজ চলছে তা স্বাভাবিক সাংগঠনিক কার্যক্রমেরই অংশ। সরকারের নানা জুলুম-নির্যাতন উপেক্ষা করেই এসব কার্যক্রম চলছে, চলবে। যেহেতু আপাতত সেভাবে কর্মসূচি নেই, তাই সংগঠন গোছানোর দিকেই বেশি মনযোগ দেয়া হচ্ছে।

ইসলামী ছাত্র শিবিরের এক কর্মী জানায়, দলীয় কর্মকান্ড তারা গোপনে গোপনেই করতে হচ্ছে। আপাতত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বসবাসরত নেতাকর্মীরা একেক সময় এক পন্থা অবলম্বন করে মিটিং করছে। কখনো কখনো রাতের বেলায় বাসা বাড়িতে জমায়েত হয়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে তারা।

এদিকে শীর্ষ নেতাদের ফাঁসি হলেও জামায়াতে নেতৃত্বের সংকট নেই। নতুন করে গঠিত হয়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ। নতুন সদস্য যুক্ত করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরায়ও। এর বাইরে নতুন নির্বাচিত নেতৃত্ব ও নতুন নামের বিষয়টি পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। তবে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে দলটির ভবিষ্যৎ।

যুক্তরাষ্ট্রে সন্দেহভাজনের গুলিতে নিহত ৮ সোমবার দিনটি আপনার কেমন যাবে? পুলিশের ডিআইজি পদে রদবদল সিপিবির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম শেরপুরে জাল নোটসহ গ্রেফতার ৮ রাজনগরে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্র নির্ভরতা নয়, এবার নিজস্ব নেভিগেশন সিস্টেম ভারতের মানিকগঞ্জে বজ্রপাতে দুই স্কুলছাত্রসহ ৫ জনের মৃত্যু এতিম ও উলামা-মাশায়েখদের সঙ্গে ইফতার করলেন খালেদা জিয়া বরিশাল বিভাগে ২১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ৭৫ জন আবারো একসঙ্গে ক্যাটরিনা-শাহরুখ-আনুশকা দেশে ফিরলেন অস্ট্রেলিয়ার সেই ‘গাঞ্জা কুইন’ স্ত্রীকে হত্যার পর নিজের পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্বামী! ভূমিসচিব হলেন ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার জাতির ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবেগের সাথে তামাশা করা হয়েছে: আহমদ শফী গ্রীক দেবীর মূর্তি পুনঃস্থাপন সরকারের কপট চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ: খেলাফত মজলিস ঘর ভাঙছে ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের! ঈদে টানা ৯ দিনের সরকারি ছুটি কার্যালয়ে তল্লাশি নিয়ে কথা কম বলাই বিএনপির জন্য মঙ্গলজনক: কাদের মূর্তি পুনঃস্থাপনে আমরা বিস্মিত হতবাক বাকরুদ্ধ ফলের খোসার যত গুণ ঘর ভাঙছে ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের! রাণীনগরে পনিতে ডুবে কন্যা শিশুর মৃত্য রাজধানীতে ল্যাভেন্ডার সুপার সপ’কে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে না ঠাকুরগাঁওয়ের গর্ভবতী মায়েরা কুষ্টিয়ায় মাদক মামলায় নারীর যাবজ্জীবন ‘তেঁতুল হুজুররা অপরাজনীতির জিকির তোলার চেষ্টা করছে’ ১৬ মাস পর মৌলভীবাজার কারাগার থেকে ভারতীয় দুই নাগরিকের মুক্তি বাজেট অধিবেশন শুরু মঙ্গলবার চুলের যত্নে মেহেদি পাতা! তিন বছরে জব্দ ১১০০ কেজি স্বর্ণ ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১ অধ্যাপক রিয়াজুল স্বপদেই থাকছেন দিনভর খণ্ডযুদ্ধে পুলিশসহ আহত অর্ধশত, হরতালে অচল কাশ্মীর ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আন্দোলনের বিকল্প নেই’ ম্যানচেস্টার হামলা : সালমানের ছবি প্রকাশ ঐশ্বর্য এবং দীপিকা যখন একসাথে! বাংলাদেশে চীনা রণতরীর নোঙরে ‘দিল্লির উদ্বেগ’ লিটন নন্দীসহ চারজনের জামিন স্পট মার্কেটে যাচ্ছে মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ব্লগার রাজীব হত্যা: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ স্টোকসের সেঞ্চুরিতে সিরিজ ইংল্যান্ডের নিন্মমুখী প্রবণতায় লেনদেন চলছে রোজায় সুস্থ থাকার ১০ উপায় বন্য হরিণের হাতে ধর্ষণের শিকার গরু শ্যালিকা-দুলাভাই অসম প্রেম, অতঃপর... রেইনট্রির চার পরিচালকের ব্যাংক হিসাব তলব হারের কারণ হিসেবে যা বললেন ইমরুল টিভি দেখলে ঝুঁকি বাড়ে ডায়াবেটিসের! রোদ চশমা কেনার সময়...