ঢাকা, রবিবার ২৮শে মে ২০১৭ - 

বাংলাদেশে কওমী মাদ্রাসায় কী পড়ানো হয়?

প্রাইমনিউজবিডি.কম
 বৃহঃস্পতিবার ২০শে এপ্রিল ২০১৭

ঢাকা: বাংলাদেশে প্রচলিত তিন ধরনের মাদ্রাসা শিক্ষার মধ্যে মসজিদ ভিত্তিক মাদ্রাসাগুলোই মূলত কওমী মাদ্রাসা হিসেবে পরিচিত।

২০১৫ সাল পর্যন্ত ব্যানবেইসের হিসেবে ১৩ হাজার ৮২৬টি কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লক্ষ ৮৮ হাজার ৪৬০ জন। এসব শিক্ষার্থীরা যা পড়ছেন বা শিখছেন এক্ষেত্রে সরকারের নিয়ন্ত্রণ বা তদারকির কোনোরকম সুযোগ নেই।

উনিশ শতকে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রতিষ্ঠিত দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসার মাধ্যমে কওমি শিক্ষাব্যবস্থার প্রচলন হয়। ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসার অনুসরণ করে বাংলাদেশেও কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা চালু রয়েছে।

কওমি শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান এ শিক্ষা ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্যই হলো ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষায় পারদর্শী হওয়া। তাদের সিলেবাসে দেখা যায় তাকমীল বা দাওরায়ে হাদিস স্তরে শিক্ষার্থীরা মূলত হাদিস সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পড়ানো হয়।

আর প্রাথমিক থেকে বিভিন্ন স্তরে দেখা যায় কোরান হাদিস ছাড়াও, একাধিক ভাষা, গণিত, বিজ্ঞান, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও তর্কশাস্ত্রের মতো বিভিন্ন বিষয় তাদের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত আছে।

ঢাকার কওমী মাদ্রাসাগুলোর নিয়ন্ত্রক বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মাহফুজুল হক বলেন - মৌলিকভাবে কোরান হাদিস বোঝার জন্য যেসব আনুসঙ্গিক বিষয়াবলী প্রয়োজন সেগুলো পড়ানো হয়। ফেকাহ পড়ানো হয়। এর সাথে তাদের চার পাঁচটা ভাষার উপরেও তাদেরকে শিক্ষা দেয়া হয়। বাংলা, ইংরেজি প্রাথমিক পর্যায়ে, আরবি উচ্চস্তর পর্যায়ে, পাশাপাশি উর্দুও তাদেরকে শেখানো হয়। অল্প ফারসিও তাদেরকে পড়ানো হয়।

মি. হকের দাবি দাওরায়ে হাদিস স্তরে শিক্ষার্থীরা ধর্মীয় বিষয়ে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের চেয়ে বেশি জানেন এবং শেখেন।

"আমরা মনে করি যেকোনো কলেজ ইউনিভার্সিটি যেখানে ইসলামি স্টাডিজ বা আরবী সাহিত্য বিভাগ আছে, তারা এই দুই সাবজেক্টে যা পড়ে তার চেয়ে অনেক বেশি আমাদের এখানে ছেলেরা পড়ে। জেনারেল শিক্ষা অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত বাংলা, অঙ্ক, ইংরেজি, সমাজ, ভূগোল, ইতিহাস বর্তমানে আমাদের এ মাদ্রাসাগুলোতে পড়ানো হয়। তাছাড়া উপরের দিকে অর্থনীতি এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানও আমরা পড়াচ্ছি।

কওমী মাদ্রাসার নীতি নির্ধারকরা সব সময় কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সিনিয়র সহসভাপতি ও সনদ বাস্তবায়ন কমিটির কো চেয়ারম্যান আল্লামা আশরাফ আলী বলেন, তারা সরকার থেকে কোনোরকম অনুদান এবং অর্থসহায়তা গ্রহণ করেন না এবং তদারকির নামে সরকারের কোনোরকম নিয়ন্ত্রণও চান না। কওমি শিক্ষার আধুনিকায়ন বা সংস্কারের প্রশ্নে তিনি বলেন, সরকারের কেউ নয় আলেমরাই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

এখানে ইঞ্জিনিয়ার বানানো হয় না, বৈজ্ঞানিক বানানো হয় না, ডাক্তার হয় না, দার্শনিক হয় না। ইসলামি শিক্ষার মধ্যে গভীর জ্ঞানী হয়। এটা একটা বিভাগ যেখানে ইসলামী শিক্ষায় গভীর জ্ঞানী করে তোলা হয়।

সরকারি স্বীকৃতির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি শিক্ষা বা আরবী বিভাগের মাস্টার্স এবং কওমি মাদ্রাসার দাওরায় হাদিস সনদের মান সমান হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. ইউসুফ জানান সিলেবাসে খুব একটা পার্থক্য নেই। তিনি মনে করেন মান পাওয়ার পর নিজেদের স্বার্থেই কওমী শিক্ষায় কিছু সংস্কার করা প্রয়োজন।

দাওরায়ে হাদিসে তারা সিহাহ সিত্তাহ হাদিসের ছয়টি কিতাবগুলো তারা পড়ায়। যুগ যুগ ধরে এটা চলে আসছে। আলিয়া মাদ্রাসাতেও এরকম কামিল যখন এমএ'র মান ছিলনা তখন সিহাহ সিত্তাহ'র কিতাব পড়ানো হতো। যখন এটাকে এমএ'র মান দেয়া হয় তখন এই কামিলকে কামিল হাদিস, কামিল আদব, কামিল ফিকহ, কামিল তাফসির এধরনের বিভাজন করা হইছে। কওমি মাদ্রাসার দাওরা সিলেবাসকে এভাবে বিভাজন করে আপডেট করতে পারে এতে কোনো অসুবিধা নাই।

ওনারা নিজেরাই বিভাজন করে আপডেট করতে পারে এখানে সরকারের ইনভলবের কোনো দরকার নাই। বিশেষজ্ঞ কমিটি তাদের মধ্যে নিয়ে তারা করুক অসুবিধা কি? আমি মনে করি পরিবর্তন দরকার তা নাহলে এই মানের কোনো ফায়দা হবে না।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুনতাসির মামুন মনে করেন যুগোপযোগী সিলেবাস না হলে মাস্টার্স সমমান পেলেও কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে না।

বিশেষ কাজের সহায়তায় হয়তো চাকরির সুযোগ থাকবে কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে তারা সুবিধা করতে পারবে না। তাদেরকে কোনো না কোনোভাবে আধুনিকায়ন করতে হবে এবং মূল ধারার কাছাকাছি আসতে হবে। কওমীরা বলছে তারা কোনো কিছুর সঙ্গে থাকবে না। আমরা এটার বিরোধিতা করছি। আমরা মনে করি কোনো না কোনোভাবে তাদের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট হতে হবে এই ডিগ্রির জন্য। সরকারি একটা মনিটরিং থাকতে হবে। তাহলে এটার গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। -বিবিসি



১৬ মাস পর মৌলভীবাজার কারাগার থেকে ভারতীয় দুই নাগরিকের মুক্তি বাজেট অধিবেশন শুরু মঙ্গলবার চুলের যত্নে মেহেদি পাতা! তিন বছরে জব্দ ১১০০ কেজি স্বর্ণ ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১ অধ্যাপক রিয়াজুল স্বপদেই থাকছেন দিনভর খণ্ডযুদ্ধে পুলিশসহ আহত অর্ধশত, হরতালে অচল কাশ্মীর ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আন্দোলনের বিকল্প নেই’ ম্যানচেস্টার হামলা : সালমানের ছবি প্রকাশ ঐশ্বর্য এবং দীপিকা যখন একসাথে! বাংলাদেশে চীনা রণতরীর নোঙরে ‘দিল্লির উদ্বেগ’ লিটন নন্দীসহ চারজনের জামিন স্পট মার্কেটে যাচ্ছে মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ব্লগার রাজীব হত্যা: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ স্টোকসের সেঞ্চুরিতে সিরিজ ইংল্যান্ডের নিন্মমুখী প্রবণতায় লেনদেন চলছে রোজায় সুস্থ থাকার ১০ উপায় বন্য হরিণের হাতে ধর্ষণের শিকার গরু শ্যালিকা-দুলাভাই অসম প্রেম, অতঃপর... রেইনট্রির চার পরিচালকের ব্যাংক হিসাব তলব হারের কারণ হিসেবে যা বললেন ইমরুল টিভি দেখলে ঝুঁকি বাড়ে ডায়াবেটিসের! রোদ চশমা কেনার সময়... ‘একসাথে থাকতে হলে এ বছর শেষ হবার আগেই বিয়ে করতে হবে’ শান্তি প্রতিষ্ঠায় পরস্পরকে সহযোগিতা করুন কোপা দেল রে’ দিয়েই বার্সা ছাড়লেন এনরিকে খালেদা জিয়ার বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা চলবে আসলাম চৌধুরীর জামিন বহাল বন্যায় আন্তর্জাতিক সহায়তা চায় শ্রীলঙ্কা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬, আহত ৮৫ গভীর রাতে ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীর বিয়ে, অতঃপর যা হলো বিয়ের একদিন পরই বাবা হলেন ৫ম শ্রেণির ছাত্র! ‘আল্লাহ মেহেরবান’ গানে বিতর্কিত নাচ নিয়ে মুখ খুললেন নুসরাত সুপ্রিম কোর্টের মূল ফটক থেকে সরিয়ে নেয়া ভাস্কর্য অ্যানেক্স ভবনের সামনে বসানো হচ্ছে ভন্ড ফকিরের শরবত খেয়ে স্বামী-স্ত্রী অচেতন, স্বর্ণালংকার লুট ২ বছরের জন্য উৎসে কর প্রত্যাহার চায় বিজিএমইএ রবিবার দিনটি আপনার কেমন যাবে? কাঁঠালের বিচি খান বদলাবে জীবন! নিমপাতার অভাবনীয় কিছু গুণ ও এর ব্যবহার বনানী ধর্ষণ: মূল নেপথ্য কারণ ফাঁস? প্রথম রমজানে এতিমদের সঙ্গে ইফতার করবেন খালেদা জিয়া ডায়াবেটিক রোগীরা রোজায় কী খাবেন, কী খাবেন না এবার চঞ্চলকে বিয়ে করলেন শখ! ফিটনেস ট্র্যাকারের তথ্য সঠিক নয় ঘুম না হলে নিজের কোষই খেয়ে ফেলে মস্তিষ্ক ‌ নাভিতে ২ ফোটা তেল, রাতারাতি উপকার! চর্বিযুক্ত মাছ উপকারী নাকি ক্ষতিকর? গার্লফ্রেন্ডের জন্য একি করলেন দেব! তালতলীতে শিশু ধর্ষিত ঠাকুরগাঁওয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক