ঢাকা, রবিবার ২২শে অক্টোবর ২০১৭ - 

সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে

প্রাইমনিউজবিডি.কম
 রবিবার ১১ই জুন ২০১৭

শেখ হাসিনার অধীনে নয় সহায়ক সরকারের অধীনে  নির্বাচন চাই। আর সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে বাধ্য করা হবে । বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল এ মন্তব্য করেছেন। একান্ত  স্বাক্ষাতকারে তিনি এসব কথা বলেন ।


টানা ১১ বছর ও ৪ রাষ্ট্রক্ষমতায় এবং ৪ বছর সংসদের বাইরে থাকা বিএনপি  সাংগঠনিকভাবে দুর্বল এবং আত্মবিশ্বাসের জায়গায় নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।


দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে তৃনমুল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে হতাশা।


বিএনপির নেতাকর্মী থেকে শুরু করে দেশের সাধারন মানুষ সবার মধ্যেই এখন একটাই ধারনা এই বিএনপি দিয়ে কিছু হবে না।


সুনিদির্ষ্ট কোন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্থির করতে না পারায় দলটির গভীরে হতাশায় ডুবে গেছে।দেশের নিপীড়িত সাধারন মানুষ এখনো তাকিয়ে রয়েছে একটি কঠোর সফর আন্দোলনের দিকে।


দেশের বৃহৎ একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে যে স্ট্যাটেজিতে বিএনপির চলার কথা ছিল, সেই স্ট্যাটেজিতে তারা নেই। এ কারণে ২০১৪ সালের ১৮ জুলাই সাদেক হোসেন খোকা ও আব্দুস সালামকে সরিয়ে মির্জা আব্বাস ও হাবিবুন নবী খান সোহেলকে মহানগর বিএনপির দায়িত্ব দেওয়া হয় । কিন্তু এরপরেও বিএনপির অবস্থা আরো করুন হয়ে পড়ে। যে নেতাদের ওপর দায়িত্ব দেয়া হয় কথিত রয়েছে আন্দোলনের ডাক দিয়ে নেতারা পার্লারে গিয়ে রুপর্চচায় ব্যস্ত থাকতেন।


পরবর্তীতে আবারো মহানগর বিএনপিকে দুই ভাগ করে দায়িত্ব দেয়া হয় আন্দেঅরন কর্মসূচিকে আরো জোড়দার করা লক্ষ্যে। ঢাকা মহানগ বিএনপির দক্ষিণে হাবিবুন নবী খান সোহেলকে সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।  যেহেতু আগের কর্মসূচি নিয়ে অনেক বিতর্ক ছিল ।


এবার ডাকসাইটের সেই নেতা হাবিবুন নবী খান সোহেল আন্দোলন নিয়ে কি ভাবছেন সে ব্যাপারে কথা হয় তার সঙ্গে।


তিনি বলেন , দলের  সবার সহায়তা , সক্রিয়তা, ও প্রচেস্টার মাধ্যমে এ দায়িত্ব পালনে বদ্ধ পরিকর।


ঢাকার আন্দোলনে কোন ব্যর্থতা্ নেই নেতাদের ।  বরং সফল হয়েছে । ২০১৪ সালে বির্তকিত এক তরফা নির্বাচনে আমরা জনগনকে কেন্দ্র বিমুখ করতে পেরেছি। জনগন ভোট দিতে যায়নি। জনগনকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি যে এ নির্বাচন সাজানো -পাতানো । ঢাকা মহানগর আন্দোলনে সব ধরনের জনগনকে সম্পৃক্ত করতে পেরেছি বলেই তারা নির্বাচনে অংশগ্রহন করেনি। এ কারনেই কিন্তু আজকের সরকার জনবিচ্ছিন্ন সরকার। সুতারং আমরা সফল।


আমরা দলের সমস্ত ইউনিটগুলোকে সুসংগঠিত করবো । কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের দাবীর সঙ্গে জনগনকে আরো গভীরভাবে  সম্পৃক্ত করবো। জনগনের দাবী আদায় করার জন্য জনগনকে নিয়েই আমরা মাঠে নামবো।


নির্বাচনের জন্য রুট থাকতে হবে, তারপর রোডম্যাপ, কিন্তু সেই রুট নেই। এখনও বিরোধী দলের কথা বলার সুযোগ নেই। স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করার সুযোগ নেই। এখনও নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি


এ মুর্হুতে জনগনের দাবী সবার আগে নির্বাচনকালীন একটি সহায়ক সরকার এবং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন ।


যে প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে যাদেরকে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব দেযা হয়েছে তাতে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করতে পারছি না।


তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার নয়। জনগণের সরকার থাকলে এমনটি কখনো হতো না। আগামী দিনে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে এই অগণতান্ত্রিক সরকারকে বাধ্য করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হবে।


আগামী দিনে রাজপথ দখল করতে না পারলে ভোটকেন্দ্র দখল করা যাবে না। আমরা যতই সহায়ক সরকারের কথা বলি আন্দোলন করতে না পারলে এই দেশের আমলারা ভোটের সময় শেখ হাসিনার পক্ষেই কাজ করবেন ।


শেখ হাসিনার নির্বাহী আদেশের বাইরে গিয়ে বর্তমান নির্বাচন কমিশন কোনভাবেই সিুষ নির্বাচন  করতে পারবেন না।


দল যেহেতু চায় একটি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড । আমরাও স্টো চাই।  নিরপেক্ষ নিবার্ছন কোনভাবেই শেখ হাসিনার অধীনে হতেক পারবে না। সেজন্য আমরাও কখনোই শেখ হাসিনার অধীনে কোন নিরর্বাচনে অংশগ্রহন করবো না্ ।  আমরা সেজন্যই রোডম্যাপ বা রাস্তার মাপ চাই না্ । সহায়ক সরকার চাই।

হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, যুগ্ন-মহা সচিব বিএনপি

Advertisement
রিয়ালের সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান আরও বাড়াল বার্সা ‘হলফনামার বিধান বাতিল চাওয়া মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ফল প্রকাশ নারীরা বিনামূল্যে পাবেন টেলিটকের ২০ লাখ সিম মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দেখাতে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের অন্যন্য উদ্যোগ ডিএসইতে ৫৫% কোম্পানির দরপতন বৈঠক ডেকেছেন খালেদা জিয়া ম্যাশের হাফ সেঞ্চুরি কেপিসিএলের পর্ষদ সভা ২৯ অক্টোবর অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা: খালেদা জিয়ার আবেদন নাকোচ হাইকোর্টে Put more pressure on Myanmar: Sheikh Hasina Parineeti Chopra's desi diva look ‘ইসিকে দিয়ে নীল নকশা আঁটছে আ’লীগ’ নাইজারে বন্দুকধারীদের হামলা, ১৩ পুলিশ নিহত কাল থেকে আবার মিলবে ইলিশ ঐশীর যাবজ্জীবন দণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ 'উল্টো পথে গাড়ি চালালে কাউকে ছাড় দেব না' হার্বাল ওষুধ লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় ন্যাশনাল ফিড মিলের পর্ষদ সভা ২৮ অক্টোবর দেশ গার্মেন্টেসের পর্ষদ সভা ২৮ অক্টোবর মসুল-রাক্কায় গণকবরে ভারতীয় রয়েছে কিনা জানতে ডিএনএ সংগ্রহ টাইটানিকের শেষ চিঠি নিলামে রেকর্ড দামে বিক্রি ১৫ দিনে সংশোধন করা যাবে জাতীয় পরিচয়পত্র রাতে খালেদা-সুষমার বৈঠক ‘নানী-দাদীদের’ সুন্দরী প্রতিযোগিতা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে চাপ দিন ঢাকা-উত্তর-দক্ষিণবঙ্গ রেল চলাচল স্বাভাবিক একসঙ্গে সেলফি তুলে কথা রাখলেন আলিয়া-জ্যাকলিন দেশের সব রুটে নৌযান চলাচল শুরু যেখানে অন্যের বউ চুরি করা বৈধ! ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন মায়ের জিন-ই ঠিক করে সন্তান মেধাবী হবে কি না! ছেলেদের যে ১০টি ভুলে প্রেম এসেও ভেঙে যায় বন্ধুর প্রাক্তন প্রেমিকার সঙ্গে প্রেম করা কি ভাল? স্বামীকে সুখে রাখার ১০টি টিপস ব্রণ থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায় ভারত মহাসাগরে চীনা সাবমেরিন! দক্ষিণে সুখোই পাঠাল ভারত কেমন যাবে আপনার রোববার দিনটি? পদ নেই, তবুও পদোন্নতি! সুস্থ থাকতে মাংসের বদলে খেতে পারেন মাশরুম উন্নত দেশ গড়তে আ.লীগকে ক্ষমতায় রাখার আহ্বান জয়ের বৃষ্টি কাঁদা-মাটিতে একাকার রোহিঙ্গা ক্যাম্প ১৬ বছর বয়সেই মন ভেঙে যায় সালমান খানের! আফগানিস্তানে মিলিটারি বাসে হামলা: নিহত ১৫ ১০ ঘন্টা পর পাটুরিয়া -দৌলতদিয়া রুটে ফেরি চলাচল শুরু রবিবার ৩৩ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে সংলাপে বসছে ইসি সম্পত্তি নিয়ে পাকিস্তানি ‘আত্মীয়’র সঙ্গে বিবাদে জড়ালেন সাইফ সাভারে সাংবাদিকদের সাথে উপজেলা চেয়ারম্যানের মত বিনিময় 'ভাই' সেজে প্রেমিকার শ্বশুরবাড়িতে হাজির প্রেমিক, অতঃপর...! সোমবার দুপুরে সুষমা-খালেদা একান্ত বৈঠক