ঢাকা, মঙ্গলবার ২২শে আগস্ট ২০১৭ - 

ঘরের শত্রু বিভীষণ নিয়েই ভোটযুদ্ধে আওয়ামী লীগ

প্রাইমনিউজবিডি.কম
 রবিবার ১৮ই জুন ২০১৭

ঢাকা: অভ্যন্তরীণ বিরোধ আর কোন্দলের ঘটনা আওয়ামী লীগে নতুন নয়। গত দুই মেয়াদ ক্ষমতাসীন থাকায় ঐতিহ্যগত এই কোন্দল আরো জট পাকিয়েছে। বিশেষ করে দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শাসক দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব -বিরোধ চরমে পৌছেছে। অন্তত ৩০ জেলায় নেতাকর্মীদের মাঝে বড় ধরনের কোন্দল আছে।


আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় একাধিক নেতা, স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং জেলা-উপজেলার নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ে- বাণিজ্য আর স্বজনপ্রীতির। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে ফাঁকা মাঠে জয়ী হয়ে প্রথমবারের মতো সংসদে পা রাখা কয়েকজন এমপি দলের নিজের প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়াতে দলীয় কোন্দল সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। তারা নিজ দলেরই প্রতিদ্বন্দ্বীকে ঘায়েল করতে গুরুত্ব দিচ্ছেন দলে অনুপ্রবেশকারীদের। দীর্ঘদিনের ত্যাগী নেতারা গুরুত্ব না পেয়ে হয়ে পড়ছেন নিস্ক্রিয়। এছাড়াও প্রথমবারের মতো বিভাগভিত্তিক দায়িত্ব পাওয়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের মতদ্বৈততাও দেখা দিয়েছে বিভিন্ন স্থানে।


দলের তৃণমূলে নেতাকর্মীদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব-বিরোধের নিষ্পত্তি না করেই ভোটযুদ্ধে নামছে আওয়ামী লীগ। দলীয় অভ্যন্তরীণ বহুমুখী কোন্দল সম্পর্কে হাইকমান্ড অবগত থাকলেও বিরোধ নিষ্পত্তিতে তারা হয়ে পড়েছেন অনেকটাই অসহায়। তারা মনে করছেন, আওয়ামী লীগের মতো বড় দলে নেতাকর্মীদের মধ্যে কোন্দল তৈরি হতেই পারে। আরসব কোন্দল মীমাংসা করা সম্ভব হবে না। বরং টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠনের চালেঞ্জে নির্বাচনী প্রস্তুতি নেওয়াটাই বেশি জরুরী। নির্বাচনের আগে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার উদ্যোগ ও আহ্বানে এসব কোন্দল বেশিরভাগই মিটে যাবে তারা মনে করছেন।


দলীয় কোন্দল নিয়ে কোনো কোনো কেন্দ্রীয় নেতার ভিন্নমতও রয়েছে। তারা মনে করেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার আগেই দলীয় কোন্দল মিমাংশার উদ্যোগ নেওয়া জরুরী। কারণ দলে কোন্দল নিয়ে ভোটযুদ্ধে নামলে ঘরের শত্রু হয়ে ওঠতে পারে বিভীষণ। নির্বাচনের ফলকে যা প্রভাবিত করবে।


এদিকে একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। একই নির্বাচনী আসনে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাশায় চাপা কোন্দলও বিরাজ করছে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে। প্রভাবশালী সম্ভাব্য প্রার্থীরা জানান দিয়ে এলাকায় যাচ্ছেন; গণসংযোগ করছেন। তবে মারকুটে এমপিদের ক্ষেত্রে এ হিসাব একটু ভিন্ন। এমন সব আসনে বর্তমান এমপির রোষানলে পড়ার ভয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীরা এলাকায় যাচ্ছেন সতর্কতার সঙ্গে। ঢাকায় বসে ফোনে এমপি বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে সখ্য রাখছেন। হয়রানির ভয়ে তারা প্রকাশ্যে জনসংযোগে নামছেন না।


বরাবরের মতো আওয়ামী লীগে দলীয় কোন্দল প্রকট হয়ে ওঠেছে ঢাকা, চট্টগ্রাম কিংবা কুমিল্লার মতো জেলা মর্যাদার মহানগর ইউনিটগুলোতে । এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী অঞ্চলের অন্তত ৩০টি জেলার কোন্দল-গ্রুপিং একরকম ‘চলমান প্রক্রিয়ার’ মতো। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, কেন্দ্রের চাপে ক্ষণিকের জন্য হাত আর বুক মেলালেও আওয়ামী লীগের এ কোন্দল একরকম ‘ঐতিহ্যগত’। এ ছাড়া বড় দল হিসেবে সারাদেশেই রয়েছে দলটির কিছু ‘টুকটাক’ কোন্দল (নেতাদের ভাষ্য)। এর সঙ্গে এবার যোগ হচ্ছে আগামী নির্বাচনে দলের মনোনয়ন প্রার্থীদের মধ্যকার অন্তর্কোন্দল আর মনোনয়ন লাভের স্নায়ুযুদ্ধ। এর আগে প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় সারাদেশে মনোনয়ন বঞ্চিতদের একটি ক্ষোভ রয়ে গেছে স্থানীয় মনোয়ন বোর্ডের দায়িত্বে থাকা থানা ও জেলার নেতা এবং এমপিদের ওপর। সব মিলিয়ে আওয়ামী লীগে এখন বহুমাত্রিক কোন্দল লক্ষ করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা।


আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা মনে করছেন, দলের সাধারণ সম্পাদকের দৃশ্যমান দৌড়ঝাঁপ ও সাংগঠনিক হুমকির কারণে তৃণমূলে কোন্দল কিছুটা চাপা পড়েছে। তবে নেতারা এও মনে করছেন, সাময়িকভাবে ঢাকায় ডেকে এনে কোন্দল কিছুটা চাপা দেয়া গেলেও নির্বাচনে এর স্নায়ু প্রভাব পড়তে পারে। অনেক জেলায় নিজ দলের নেতারা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ নাও করতে পারেন। এক্ষেত্রে তারা সর্বশেষ কুমিল্লা সিটি নির্বাচনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত বৃহত্তর ফরিদপুরে এসব দলীয় কোন্দল নির্বাচনে তেমন প্রভাব না ফেললেও অন্যান্য জায়গার চিত্র তার উল্টাটা হতে পারে।


ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মতে, কোন্দল নিরসনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাও সবক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় না। অনেক দিন ধরে আওয়ামী লীগের প্রতি বিভাগে একজন সাংগঠনিক সম্পাদক দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আট সাংগঠনিক সম্পাদক আর চার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ময়মনসিংহসহ আট বিভাগে দায়িত্ব পালন করছেন শুরুতে নতুন এ বিষয়টিকে দলের নেতারা ভালোভাবে নিলেও; এখন বিষয়টি জটিলতা বাড়াচ্ছে। অনেক ইস্যুতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকরা ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। কয়েকটি জেলায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে ছাড়াই বর্ধিত সভা করেছেন সাংগঠনিক সম্পাদকরা। কোন্দল নিরসনে দায়িত্বপ্রাপ্তরা উপজেলা ইউনিটকেও ঢাকায় ডাকছেন। বিষয়টি নিয়ে খোদ দলের কেন্দ্রীয় কমিটির অনেকের মধ্যেই অসন্তোষ রয়েছে। গত মাসে সম্পাদকমণ্ডলীর এক বৈঠকে যুগ্ম সম্পাদক আবদুর রহমান এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। এ ছাড়া কোন্দলপূর্ণ জেলাগুলোর বিষয়ে অনেক ক্ষেত্রে সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন। সম্প্রতি একটি উপজেলার কোন্দল নিরসনের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে। সাংগঠনিক সম্পাদকদের কেউ কেউ নিজ নির্বাচনী এলাকায় সময় দিচ্ছেন সপ্তাহের পর সপ্তাহ। দু’একজনের নিজের নির্বাচনী মাঠও বেশ অনুকূলে না; তার সঙ্গে যোগ হয়েছে মনোনয়ন ধরে রাখার দৌড়। সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন সিরাজ আর আহমদ হোসেন নিজেরাই আছেন মনোনয়নের দৌড়ে। বরিশাল বিভাগে এখনো হয়নি বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন। জানা যায়, সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনয়ন ধরে রাখতে নিজ নির্বাচনী এলাকায় সময় দিচ্ছেন অনেক। এ ছাড়া সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় রদবদল না হওয়ায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকদের বিভাগ পরিবর্তন হয়েছে। আগে প্রত্যেকে নিজ বিভাগে ছিলেন। এখন নতুন বিভাগের রাজনীতি আঁচ করতে যেমন সময় লেগেছে। গুছাতেও লাগছে সময়।


আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনের পর ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক কোন্দলের ভয়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে হাত দেননি। দলের নেতারা বলছেন, নারায়নগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, ফরিদপুর অঞ্চল আর ঢাকা মহানগরের যেখানে হাত দেবে সেখানেই কোন্দল; তাই কোন্দল চাঙা করার চেয়ে দূরে থাকাকেই শ্রেয় মনে করছেন নতুন সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যরিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। যেখানে দলের সাধারণ সম্পাদকের বারংবার নির্দেশের পর এখনো হয়নি ঢাকা মহানগরের থানা ও ওয়ার্ডের পূর্ণাঙ্গ কমিটি।


এছাড়াও প্রথমবারের মতো যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব বণ্টন প্রক্রিয়া নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে অনেক কেন্দ্রীয় নেতার। তারা বলছেন, আগে প্রতিটি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধিদল ছিল। যার নেতৃত্বে থাকতেন দলের সভাপতিমণ্ডলী ও উপদেষ্টা পরিষদের জ্যেষ্ঠ নেতারা। মূল সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকতেন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। এ প্রক্রিয়ায় দলের প্রায় সব কেন্দ্রীয় নেতার সংশ্লিষ্টতা থাকত সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায়। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় অনেক নেতা কাজ ছাড়া ‘অবসর’ যাপন করছেন। অনেক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সদস্য দিনের বেশিরভাগ সময় কাটাচ্ছেন দলীয় কার্যালয়ে কর্মীদের সঙ্গে আড্ডায়। প্রচার, পরিবেশ কিংবা দফতরের মতো কয়েকটি বিষয়ভিত্তিক সম্পাদক ছাড়া অন্য পদধারী নেতারা সাংগঠনিক কোনো কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারছেন না।


শাসক দলের নীতি নির্ধারক পর্যায়ের প্রায় সব নেতাই একটা বিষয়ে একমত যে, দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার উদ্যোগ ও আহ্বানে নির্বাচনের আগে এসব কোন্দল কমে যাবে। থাকবে না ঘরের শত্রু বিভীষণের নির্বাচনকে প্রভাবিত করার হুমকি।

উৎসঃ পুর্বপশ্চিম


প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন




তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদারের অঙ্গীকার পাক প্রধানমন্ত্রীর নূর হোসেন-তারেক সাঈদসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল হেনারা’র চিকিৎসার্থে সাহায্যের হাত বাড়ালেন ‘‘ফ্রেন্ডস ফর লাইফ’’ নারী যাত্রীকে ধর্ষণের ইচ্ছে হয়েছিল, স্বীকারোক্তি উবের চালকের ষোড়শ সংশোধনীর রায় নিয়ে সরকার সীমালংঘন করছে : বাম মোর্চা আ.লীগের ভাব দেখে মনে হচ্ছে তারা এদেশের মালিক: ফখরুল ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহায়তা অব্যাহত থাকবে’ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা নওগাঁয় বিদ্যানিকেতন স্কুলের ত্রান বিতরণ খাগড়াছড়িতে রিড প্রকল্পের দু’দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা কোটালীপাড়ায় স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ: মামলা না করতে নিষেধ ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু সাংবাদিকতা বিষয়ে ৩ দিনের প্রশিক্ষণের সমাপ্তি আফগানিস্তান থেকে সেনা সরাবে না ট্রাম্প জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি ‘৬ ধাপ পিছিয়ে সাংবাদিকরা’ বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগ করতে হবে: আইনজীবী পরিষদ জাল টাকা ছাপানো চক্রের ৭ জন গ্রেপ্তার ইসরাইলের দীর্ঘস্থায়ী বৈরী মনোভাবের নিন্দা হামাস ও ফাতাহ’র তামিমের জন্য আবারো সুখবর! যুবদলের প্রচার প্রকাশনায় নতুন নির্দেশনা আবারও শীর্ষে নাদাল ক্ষমতাসীন দল না চাইলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: সুজন সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স স্পট মার্কেটে যাচ্ছে বুধবার গোপালগঞ্জে বিশেষ অভিযানে ৫৩ জন গ্রেফতার ৩ ঘণ্টায় ৪ কোম্পানি হল্টেড স্বপ্ন এখন লাশ ঘরে গোপালগঞ্জে ছুড়িকাঘাতে ইউপি সদস্যের মৃত্যু সামনে দিয়ে হাঁটার অভিযোগে স্ত্রীকে তালাক! স্যারোগেসির জন্য চেম্বারে আসতেই ধর্ষণের শিকার নারী শেয়ার কিনবেন ন্যাশনাল লাইফের উদ্যোক্তা পরিচালক জেনে নিন বজ্রপাত থেকে বাঁচার উপায়! জানাজার বিষয়ে বড় ছেলেকে যা বলে গিয়েছিলেন নায়করাজ ভারতে তিন তালাক স্থগিত মিডিয়ার যেসব মেয়েরা ড্রাগ নেয়, সবগুলোকে জেলের ভাত খাওয়ানো উচিত : অভিনেত্রী ফারিয়া শাহরিন আইন সচিবের নিয়োগ স্থগিত বারান্দায় এক যুগলের যৌনমিলন, উদ্দেশ্য এলাকাবাসীর নজরে পড়া… প্রথম ঘণ্টায় লেনদেন ২৬১ কোটি টাকা চীনের হুমকি উপেক্ষা করে কাছাকাছি ভারত-তাইওয়ান বিলাসবহুল গাড়িতে করে চুরি করতে যেত যে চোর ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোক্তার শেয়ার বেচা সম্পন্ন ফের উত্তেজনা রুশ-মার্কিন সম্পর্কে সারাদেশেই বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা পাবনায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৫ এসব আমাদের বিবেককেও স্পর্শ করে, একেবারে নীরব থাকতে পারি না: প্রধান বিচারপতি ২০৯০ সালের আগে এমন সূর্যগ্রহণ আর হবে না লভ্যাংশ পাঠিয়েছে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক রাজ্জাকের মৃত্যুতে যা বললেন তার প্রথম নায়িকা সুচন্দা সাভারে নৌকায় বর্জ্রপাত: নিহত ২, নিখোঁজ ১০ রাজধানীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত প্রেমিকের সাথে বের হলেই দিতে হয় সতীত্বের পরীক্ষা!