ঢাকা, শুক্রবার ২২শে সেপ্টেম্বর ২০১৭ - 

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ : ভারতের ‘সোনালি ঐতিহ্যের’ অবসান ঘটাল মোদি সরকার

প্রাইমনিউজবিডি.কম
 বৃহঃস্পতিবার ৭ই সেপ্টেম্বর ২০১৭

মনি শঙ্কর আয়ার

গত ৭০ বছরের বেশি সময় ধরে স্বাধীন ভারত তিব্বতের বৌদ্ধ, আফগানিস্তানের মুসলিম, শ্রীলঙ্কার হিন্দু ও খ্রিস্টান এবং ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের লাখ লাখ মুসলিম, বৌদ্ধ ও উপজাতীয় – সব ধর্মের উদ্বাস্তুদের জন্য তার দরজা খোলা রেখেছে। আমরা কাউকে আশ্রয় দেব কী দেব না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ২০১৪ সালের আগে কখনোই ধর্ম শনাক্তকারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। একমাত্র বৈশিষ্ট্য ছিল মানবিক বিষয়টি – আশ্রয় প্রার্থীরা তাদের দেশে নির্যাতন ও সহিংসতা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এসেছে কিনা সেটাই যাচাই করা হতো।


হায়, সেই নীতি এখন বদলে গেছে। হিন্দুবাদী ভারতের দিকে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রথম সাইনপোস্ট ছিল আসাম নির্বাচনের সময়ে দেওয়া মোদির প্রতিশ্রুতি : বাংলাদেশ থেকে যেকোনো হিন্দু এলেই সে ভারতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাস করতে পারবে, কিন্তু বাংলাদেশী কোনো মুসলিম সেই সুযোগ পাবে না। এটা আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্যের খেলাফ। মনে রাখতে হবে, মুসলিম সুলতান আর বাদশাহরা পারস্যে ইসলামপন্থীদের হাতে নির্যাতিত জরোস্ত্রিয়ানদের আশ্রয় দিয়েছিলেন। এখন একদিকে ওই ঐতিহ্যের অবসান ঘটানো হচ্ছে, অন্যদিকে বিশ্বের যেকোনো স্থানের হিন্দুকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, ঠিক যেমনটি ইহুদিদের করা হয় ইসরাইলে। ভারতে মুসলিমদের প্রকাশ্যেই বাধা দেওয়া হচ্ছে, অথচ ভারত হলো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম আবাসভূমি।


এ প্রেক্ষাপটেই ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘পাসপোর্টস অ্যাক্ট অ্যান্ড দি ফরেনার্স অ্যাক্ট’ প্রজ্ঞাপন থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে নির্যাতনের শিকার ‘হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান, জৈন, পারসি ও বৌদ্ধদের’ স্বাভাবিক প্রবেশ ও আবাসন-প্রক্রিয়া নমনীয় করা হয়। তবে এতে মুসলিমদের সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমাদের সংবিধানের মূলনীতির এটা সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এবং অনুচ্ছেদ ১৪-এ যেকোনো ধর্মের ‘যেকোনো ব্যক্তি’কে এই সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।


অধিকন্তু সুপ্রিম কোর্ট ১৯৯৬ সালের এনএইচআরসি বনাম অরুনাচল প্রদেশ মামলার রায়ে সুস্পষ্টভাবে বলেছে, ‘যেকোনো ব্যক্তি’ বলতে কেবল ভারতীয় নাগরিককে বোঝানো হয়নি, বরং ভারতীয় হোক বা না হোক, ওই সময়টাতে ভারতে থাকলেই তার ব্যাপারে প্রযোজ্য হবে। রায়ে বলা হয়, ‘রাষ্ট্র নাগরিক হোক বা না হোক, প্রতিটি মানুষের জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষা করতে বাধ্য।’ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজুর তা বিশেষভাবে জানা উচিত। কারণ তিনি অরুনাচল প্রদেশেরই এমপি।


এমনিতে ভদ্র ও পরিমার্জিত থাকলেও কিরেন রিজিজু নিজেকে মোদির নীতি অনুসরণেই নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি রোহিঙ্গা মুসলিমদের অবৈধ অভিবাসী হিসেবে অভিহিত করেছেন। দাবি করেছেন, তাদের এখানে বাস করার কোনো অধিকার নেই। অবৈধ যেকোনো অভিবাসীকে অবশ্যই বহিষ্কার করা হবে। কিন্তু কোথায়? মিয়ানমাওে – যেখান থেকে তারা পালিয়ে এখানে এসেছে?


এসব রোহিঙ্গা কত ভয়ঙ্কর নির্যাতনের শিকার হয়ে পালিয়ে এসেছে, তা মোদি সরকারের অবশ্যই জানা থাকা উচিত। তাদেরকে আবার ফেরত পাঠানো মানে ‘বিপদে না ফেলার’ সুপ্রতিষ্ঠিত নীতির বরখেলাফ। আন্তর্জাতিক প্রথা হলো, কোনো উদ্বাস্তুকে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো যাবে না। সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঘোষণায় সই করে ভারত এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে নিয়েছে। মোদি এবং তার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণলায়ের সিনিয়র ও জুনিয়র মন্ত্রীরা সম্ভবত ২০১৭ সালের ২৪ আগস্টে সুপ্রিম কোর্টের গোপনীয়তা-সংক্রান্ত রায়টি সম্পর্কেও অবগত নন। তাতে বলা হয়, সংবিধানের ধারাগুলো এমনভাবে পড়তে ও ব্যাখ্যা করতে হবে যাতে বৈশ্বিক মানবাধিকারের সাথে সামঞ্জস্য হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। অথচ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রতিটি রাজ্যে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তেুর সংখ্যা নিরূপণের নির্দেশ দিয়েছেন, যেকোনো অবৈধ অভিবাসীদের বহিস্কার করার জন্য টাস্ক ফোর্স গঠন করতে বলেছেন। তার সুপ্রিম কোর্টের ওই রায়টি দেখা উচিত। তাতে ভারতের আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি এবং বাধ্যবাধতা এবং বিশেষ করে সংবিধানের অনুসরণ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


এই গত বছরই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দেওয়া হয়েছে। দিল্লি হাইকোর্ট এক মামলায় বলেছে, বহিষ্কারের মাধ্যমে বিপদে না ফেলার বিষয়টি সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের সাথে সম্পর্কিত। আদালত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এই দেশের সোনালি ঐতিহ্য বজায় রাখা এবং উদ্বাস্তুদের সাথে ভালো আচরণ করার নির্দেশ দেয়। এ ধরনের রায়ের পরও কি মন্ত্রীরা পার্লামেন্টের ভেতরে বা বাইরে রোহিঙ্গাদের নিয়ে এ ধরনের বক্তব্য দিতে পারেন?


রোহিঙ্গারা কোন ধরনের নৃশংসতা থেকে রক্ষা পেতে আশ্রয় চাইছে? তাদের সমস্যাটির শুরু কোথা থেকে? স্থানীয় ভাষায় রোহিঙ্গা মানে ‘আরাকানের লোক।’ বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদীরা বলছে, তারা আরাকানের (বাংলাদেশ-সংলগ্ন রাখাইন রাজ্য) লোক নয়। তারা আসলে বাঙালি বসতি স্থাপনকারী। মিয়ানমারে থাকার কোনো অধিকার তাদের নেই, যদিও তারা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রাখাইন পল্লীতে বাস করে আসছে। বিষয়টি এতই জটিল রূপ ধারণ করেছে যে, সাবেক জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব কফি আনানকে দিয়ে একটি কমিশন পর্যন্ত গঠন করতে হয়েছে। এই আন্তর্জাতিক পরামর্শক সংস্থাকে সমস্যাটির অবস্থা বিবেচনা করা এবং সমাধান সুপারিশ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আঙ সান সু চি বলেছিলেন, তাদের রিপোর্টে রোহিঙ্গা হিসেবে নয়, তাদেরকে যেন কেবল মুসলিম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।


এখানেই ১০ লাখ লোকের নাগরিকত্ব বাতিল করার মূল সূত্র রয়ে গেছে। বার্মার স্বাধীনতার পর ১৯৬২ সালে যখন নাগরিকত্ব সনদ চূড়ান্ত হয়, তখন রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়নি। এর ফলে কার্যত তারা রাষ্ট্রহীন রয়ে গেছে।


তারপরও সামরিক বাহিনীর চোখ রাঙানি সত্ত্বেও থেকে গিয়েছিল। ২০০৮ সালে মিয়ানমারের প্রথম গণতান্ত্রিক যাত্রাপথে রোহিঙ্গাদের ভোটাধিকার দেওয়া হয়েছিল এবং পার্লামেন্টে তারা তাদের প্রতিনিধিও পাঠিয়েছিল। কিন্তু সামরিক-নিযুক্ত প্রদেশটির মুখ্যমন্ত্রী এবং অ-রোহিঙ্গা রাখাইনের সংখ্যাগরিষ্ঠা বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি। পরিণতিতে পরবর্তী রাউন্ডের নির্বাচনে পুরো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কেই ভোটাধিকারহীন করে দেওয়া হয়। তবে ক্ষমতায় আসেন আঙ সান সু চি। কিন্তু তিনি রোহিঙ্গাদের নির্যাতন নিয়ে কিছু না করায় বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার কর্মীরা হতাশ হয়।


২০১২ সালে বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় নির্মমতা ও সহিংসতার সৃষ্টি হয়। রোহিঙ্গা গ্রামগুলো আক্রান্ত হয়, তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, ফসল ধ্বংস করা হয়। ফলে তাদের জীবন নিয়ে পালাতে হয়। এই দুষ্কর্মে সেনাবাহিনী সম্পৃক্ত ছিল। হাজার হাজার লোক বিক্ষুব্ধ বঙ্গোপসাগর আর আন্দামান সাগর পাড়ি দেয়। অনেক লোক ডুবে যায়। বেঁচে যাওয়া লোকজন মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনে ওঠে। ভাগ্যবান কয়েকজন যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিতে পারে।


গরম মাথার কিছু তরুণ আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (এআরএসএ) গঠন করে থানা এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রতীক বিবেচিত স্থাপনায় গেরিলা হামলা শুরু করে। এতে অবস্থার কেবল অবনতিই ঘটে, সেনাবাহিনী এবং বৌদ্ধ উগ্রবাদীদের নিরীহ রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা চালানোর অজুহাতের ব্যবস্থা করে দেয়। ইতোমধ্যে ২০১৫ সালে আরেক দফা নির্মম নির্যাতন হয়। এর জের ধরে ভারতে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয়। বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়া চার লাখ রোহিঙ্গার একটি অংশ ছিল তারা। বাংলাদেশে যারা রয়ে যায়, তাদের এক লাখ ২০ হাজার ৭০টি ক্যাম্পে আশ্রয় পায়। এসব ক্যাম্পের পরিবেশ ভয়ঙ্কর। মৃত্যু সবসময়ে ওঁত পেতে আছে বলে মনে হয়, কেবল আশাই তাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ৮০ হাজার শিশুর ‘চরম খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়’ রয়েছে বলে জানিয়েছে।


জাতিসঙ্ঘ মানাবাধিকার কমিশন ২০১৬ সালের রিপোর্টে আরাকানে ‘গণহত্যা, গুম, নির্বিচারে গ্রেফতার, আটক, নির্যাতন, যৌন নিপীড়নের’ অভিযোগ এনেছে। এ ধরনের পরিবেশেই কি মোদি তাদের ফিরিয়ে দিতে চান? তবে ভালো কথা যে রিজিজু তাদেরকে ‘সাগরে ছুঁড়ে ফেলার’ কথা বলেননি। কিন্তু তার মন্ত্রণালয় যে নির্দেশ দিয়েছে, তার অর্থ কী দাঁড়ায়?


আঙ সান সু চি বা মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে কিছু বলাটা এখন বিষয় নয়। এখন সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আমাদের পুলিশ যাতে ভারতে আশ্রয়প্রার্থী এসব গরিব রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুকে নির্যাতন না করে, তাদের সাথে যেন অসদাচরণ না করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘সম্পদের সীমাবদ্ধতার’ যে কথা বলেছে, সেটা সত্য হলেও ভারত সহজেই তাদেরকে রেখে দিতে পারে, যত দিন না তারা নিরাপদে তাদের দেশে ফেরার মতো অবস্থায় পৌঁছাতে না পারে। খুব সম্ভবত সেটা কখনোই হবে না। তাহলে একটি প্রশ্ন দাঁড়ায়। আমরা কেন অসংখ্য তিব্বতি উদ্বাস্তুকে বছরের পর বছর ধরে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছি, কেন অগণিত আফগানকে রাখা হচ্ছে, কেন শত শত তামিল উদ্বাস্তুকে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে? তাদের আশ্রয় দিতে পারলে মাত্র কয়েক হাজার রোহিঙ্গাকে কেন দেওয়া যাবে না? এর একমাত্র কারণ যে তারা যখন এখানে এসেছে তখন একটি মানবিক সরকার ক্ষমতায় রয়েছে বলে? রোহিঙ্গাদের ট্রাজেডি হলো, তারা এমন এক সময় আশ্রয় চাইছে, যখন বর্তমান সরকার তাদের সাম্প্রদায়িক মেশিনকে পরিপুষ্ট করে তুলতে চাইছে। ২০১৯ সালে এই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা পর্যন্ত তারা যদি টিকে থাকতে পারে, তবে আমরা তাদেরকে উদারভাবে সহায়তা করতে পারব।


লেখক : সাবেক কংগ্রেস এমপি, লোকসভা এবং রাজ্যসভা


প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন




Advertisement
তুর্কি চাপে নত জার্মানি? রোহিঙ্গাদের রক্ষায় জাতিসংঘে ৫ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর ভারতে ওমান ও কাতারের ৮ শেখ গ্রেফতার ‘সুন্দরী মেয়েদের তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে মিলিটারিরা’ : তারপর হাত-পা, বুক কেটে ফেলে দেয় মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান মেসির ছায়া থেকে বের হতেই বার্সা ছাড়ে নেইমার: ম্যাথিউর অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার প্রধান টার্গেট রুট : স্ট্রাউস রাখাইনে মসজিদে আজান দেয়ার ও নামাজ আদায়ের কেউ নেই! সঞ্জয় দত্তকে জুতাপেটা করেন স্ত্রী! রাজধানীতে একই পরিবারের ৫ জন দগ্ধ সুচিকে দেয়া পদক সম্মাননা ফিরিয়ে নেয়ার হিড়িক রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজন গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার চাপ উপেক্ষা করে মিয়ানমারকে সামরিক সরঞ্জাম দিচ্ছে ভারত পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নারী: ‘পা ধরে বলেছি কাউকে বলবো না, বাংলাদেশে চলে যাব’ যুবদল নেতা ইমনের নামে ৫৭ ধারায় মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ। নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে ৩৮তম বিসিএস ‘রিয়া আমার প্যান্ট খোলেননি’ শুক্রবার দিনটি আপনার কেমন যাবে? দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আরাকানের স্বাধীনতা অপরিহার্য: মুফতি ফয়জুল্লাহ রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে বিশ্ব মেডিকেলে ভর্তিতে নম্বর কাটার আপিল শুনানি ৩ অক্টোবর টেকনাফ অভিমুখে রোডমার্চে পুলিশের বাধা র‌্যাম্প মডেল থেকে ‘জেএমবির কমান্ডার’ বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করলেন রিজভী কাশ্মিরে মন্ত্রীকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা, নিহত ৩ গোপালগঞ্জে সাঁতার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন আমরা জয়ের মুখোমুখি: নোমান ডেসকোর পর্ষদ সভা ২৮ সেপ্টেম্বর এইচটিসির সঙ্গে ১১০ কোটি ডলারের চুক্তি গুগলের তারকা হওয়ার আগেই দেমাগ দেখাচ্ছেন সাইফ কন্যা সারা সূচকের সাথে কমেছে লেনদেনও রাখাইনে রেডক্রসের ত্রাণবহরে বৌদ্ধদের বোমা নিক্ষেপ রোহিঙ্গা মুসলমান গণহত্যার প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে মানববন্ধন শেয়ার কিনবে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের পরিচালক দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারী ব্যাক আপ দিবে আইটেল পি ১১ স্মার্টফোন ভারতের আগ্রাসনের জবাবে পরমাণু হামলার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের বিশ্ব জনমত গড়তে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল ৩ কোম্পানির লেনদেন চালু রোববার কে এই রহস্যময়ী? শাভেজ 'পত্নী', নাকি ইভাঙ্কার 'বন্ধু'! যৌন সন্ত্রাসের শিকার রোহিঙ্গা নারীরা কী করবে? রাম রহিমের মতোই যৌনতায় আসক্ত ভণ্ডবাবা ফলহারি মহারাজ! আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন ইমরান এইচ সরকার মায়নমারকে চাপ দিতে ভারতের প্রতি ওবায়দুল কাদের আহ্বান বেগুনের যত স্বাস্থ্য উপকারিতা! প্রথম ঘণ্টায় লেনদেন ১৯৪ কোটি টাকা আমরা নেটওয়ার্কসের শেয়ার বিওতে গণহত্যার দায়ে বার্মিজ সেনাবাহিনীকে সব ধরনের সহযোগিতা স্থগিত করল যুক্তরাজ্য অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে চট্টগ্রাম বিএনপি রোহিঙ্গা বিতারণের নীলনকশা চূড়ান্ত হয় ১০ দিন আগেই