ঢাকা, মঙ্গলবার ২৪শে অক্টোবর ২০১৭ - 

পাকিস্তানের সামরিক শক্তি কতটুকু?

প্রাইমনিউজবিডি.কম
 সোমবার ২রা অক্টোবর ২০১৭

ঢাকা: সেনা, নৌ, বিমান, মেরিন, আধা-সামরিক এবং এসপিডি বাহিনী নিয়ে পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনী গঠিত। পাকিস্তানি নিয়মিত সেনা সদস্য ৬,১৭,০০০ জন, রিজার্ভ আর্মি ৫,১৩,০০০ জন এবং আধা-সামরিক বাহিনীতে রয়েছে ৩,০৪,০০০ জন সদস্য। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তান। ক্ষেপনাস্ত্র প্রযুক্তিতেও অগ্রগামী।

পাকিস্তানের রয়েছে ৪,০০০টি সাঁজোয়া ট্যাংক, ৪টি ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজ, ১৪টি ফ্রিগেট, ৮টি করভিট যুদ্ধজাহাজ, ২৮টি পেট্রল বোট, ৮টি সাবমেরিন, ৩২৫টি যুদ্ধবিমান, ৩০টি বোমারু বিমান, ২৫০টি জঙ্গিবিমান, ১১০টি সাঁজোয়া হেলিকপ্টার এবং ১১০টি পরমাণু অস্ত্র। পাকিস্তানের সামরিক বাজেট সাত দশমিক আট বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির জিডিপির দুই দশমিক সাত শতাংশ।


পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীতে বিশেষ রেজিমেন্ট আছে প্যালেস্টাইন ও অন্যান্য আরব জাতিদের জন্য। সামরিক দিক থেকে পাকিস্তান চীনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। এই বাহিনী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আল-কায়েদা ও তালেবান নির্মূলে কাজ করছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র তারা। জাতিসংঘের শান্তিমিশনেও অংশগ্রহণ রয়েছে এই বাহিনীর।

উল্লেখ্য সামরিক ক্ষেত্রে প্রতিবেশী ভারতের চাইতে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। যুদ্ব জাহাজ, সাবমেরিন ও অত্যাধুনিক যুদ্ব বিমানের প্রচুর ঘাটতি লক্ষনীয়। ভারতের সাথে সামরিক শক্তির গড় অনুপাত হচ্ছে ৬৫%৩৫ ।

সামরিক ড্রোন নির্মাণ কিংবা মহাকাশ প্রতিরক্ষায় ভারতের তূলনায় পাকিস্তান পিছিয়ে আছে। অপরদিকে দেশটির সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্বে বিরামহীন যুদ্ধ পরিচালনার কারণে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে প্রচুর ঘাটতি রয়েছে। পাকিস্তান অস্ত্রশস্ত্রের ৮০% চীন থেকে আমদানী করা হয়। এক সময় আমেরিকাসহ পশ্চিমাদেশ থেকে বিপূল অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ করে পাকিস্তান। পরবর্তীতে আঞ্চলিক ইস্যু নিয়ে এসব দেশের সাথে সম্পর্ক শীতল হওয়ায় এখন চীনই প্রধান ভরসা। তবে রাশিয়ার সাথে সম্পর্কন্নোয়নের মাধ্যমে কিছু সমরাস্ত্র ক্রয়ের তদবির করছে পাকিস্তান।

যে সব স্থানে পরমাণু অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছে পাকিস্তানদেশের নয়টি জায়গায় পরমাণু অস্ত্র লুকিয়ে রেখেছে পাকিস্তান। এমনই তথ্য প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে মার্কিন সংস্থা ফেডারেশন অব সায়েন্টিস্ট। তবে তার থেকেও আশঙ্কার বিষয় হল, ওই সব অস্ত্র চলে ‌যেতে পারে উগ্রবাদীদের হাতে। ফলে ‌যেকোনো সময় ঘটে ‌যেতে পারে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা।

ওই মার্কিন সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে রয়েছে চারটি অস্ত্র ভাণ্ডার, তিনটি রয়েছে সিন্ধু প্রদেশে, বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখাওয়ায় একটি করে।সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, দ্রুত পরমাণু অস্ত্রের উন্নতি করছে পাকিস্তান।ফেডারেশন অব সায়েন্টিস্টের গবেষক হানস ক্রিস্টেনসন জানিয়েছেন, নিউক্লিয়ার আর্সেনোলের দ্রুত উন্নতি করছে পাকিস্তান। দেশের আরো বহু জায়গায় পরমাণু অস্ত্রের গবেষণা চালাচ্ছে তারা।

গত ২০ সেপ্টেম্বর পাক প্রধানমন্ত্রী শহিদ খোকান আব্বাসি ভারতে পরমাণু হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। তার দাবি পাকিস্তানের হাতে শর্ট রেঞ্জের পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। প্রয়োজন পড়লে তা ভারতের উপরে ব্যবহার করতে পিছপা হবে না ইসলামাবাদ। পকিস্তানের সেই দাবি ফেডারেশন অব সায়েন্টিস্টের সাথে মিলে ‌যাচ্ছে, বলে মত কূটনৈতিক মহলের।

মার্কিন গবেষকদের দাবি, পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র এতটাই অসুরক্ষিত ‌তা ‌যে কোনো সময়ে উগ্রবাদীদের হাতে চলে ‌যেতে পারে।

পাকিস্তান ও সন্ত্রাসকে যুক্ত করাটা কি ভারতের একটা বাতিকে পরিণত হয়েছে?পাকিস্তান ও সন্ত্রাসকে যুক্ত করা কি ভারতের একটা 'অবসেশন' বা বাতিকে পরিণত হয়েছে?চীনের শিয়ামেনে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের শেষে জারি করা ঘোষণাপত্রে বিশ্বের বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের যে কঠোর নিন্দা করা হয়েছে - সেই তালিকায় পাকিস্তান-ভিত্তিক কমপক্ষে তিনটি সংগঠনের নামও আছে।বিবৃতিতে লস্কর-ই-তইবা, জইস-ই-মহম্মদ ও হাক্কানি নেটওয়ার্কের নাম থাকাটাকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দিল্লির জন্য 'বড় কূটনৈতিক বিজয়' হিসেবেই তুলে ধরছে।

কিন্তু ব্রিকস বা সার্কের মতো বহুপাক্ষিক ফোরামে ভারত কেন বছরের পর বছর ধরে পাকিস্তান ও সন্ত্রাসবাদকে যুক্ত করার এই নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে?এটা কি ভারতের 'অবসেশন' না কি এর মাধ্যমে সত্যিই কোনো কূটনৈতিক সাফল্য অর্জিত হচ্ছে? সেটা জানতেই কথা বলেছিলাম ভারতে একাধিক পর্যবেক্ষকের সাথে।

চীনের শিয়ামেনে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার শীর্ষ নেতারা মিলে যৌথ ঘোষণাপত্রে সম্মতি দেয়ার মাত্র কয়েক মিনিটের ভেতরেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি (ইস্ট) প্রীতি শরণ সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে বলেন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ব্রিকস যেভাবে একজোট হয়েছে তা এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ।

তিনি জানান, ওই বিবৃতির ছত্রে ছত্রে ব্রিকস নেতারা সন্ত্রাসবাদকে কঠোর ভাষায় নিন্দা করেছেন। তারপর নির্দিষ্টভাবে তিনটি পাকিস্তান-ভিত্তিক উগ্র সংগঠনের নামও উল্লেখ করেন তিনি - ওই বিবৃতির ভাষ্য অনুযায়ী যারা সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে।

যদিও বিশ্বের আরো বহু সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সাথেই এক ব্র্যাকেটে বিবৃতিতে এই নামগুলো এসেছে, তারপরও ভারত এটাকে বড় কূটনৈতিক সাফল্য বলেই মনে করছে।সাবেক ভারতীয় রাষ্ট্রদূত পিনাকরঞ্জন চক্রবর্তীর মতে, এই নামগুলোর উল্লেখ অবশ্যই পাকিস্তানের ওপর চাপ বাড়াবে।

"অবশ্যই বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে ওই সব সংগঠনের নাম করা দরকার - কারণ তাহলেই কেবল পাকিস্তানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি হবে। এই বিষয়ে কথা না-বললে কীভাবে পাকিস্তানের ওপর চাপ আসবে? তাই অবশ্যই এর মাধ্যমে ভারতের উদ্দেশ্য সিদ্ধ হচ্ছে", বলছেন তিনি।গত বছর গোয়াতে ব্রিকস সম্মেলনের ঘোষণাপত্রেও পাকিস্তানকে 'সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর' হিসেবে বর্ণনা করার জন্য জেদ ধরেছিল ভারত - এবার চীনের মাটিতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

কিন্তু এটা কি এক ধরনের অবসেসন নয়? পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট স্টাডিজের বিশেষজ্ঞ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রধান ড: কাকলি সেনগুপ্ত কিন্তু এটাকে সরাসরি সেভাবে বর্ণনা করতে রাজি নন।

তিনি বলছেন, "আমি বলব না এ ক্ষেত্রে ভারত অবসেসড, কারণ তাদের প্রতিবেশী দেশ সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে লিপ্ত - এটা তো ঘটনা। পাকিস্তানের ব্যাপারে এটাকে অবসেসন বলা উচিত হবে না - বরং কোনো কোনো ফোরামে এই ইস্যুটা তোলা ভারতের জন্য সত্যিই প্রয়োজন।"

"আর আজকের ব্রিকস ঘোষণাপত্রের পটভূমিতে আমি এটুকুই বলব এখন অন্যান্য দেশ, এমন কী চীনও সম্ভবত এটা উপলব্ধি করছে যে সন্ত্রাসবাদ - তা সে যারাই করুক না কেন - দ্ব্যর্থহীন ভাষায় তার প্রতিবাদ জানানো দরকার", বলছেন অধ্যাপক সেনগুপ্ত।

কিন্তু এটাও তো বাস্তব, যে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারত-পাকিস্তান বিতণ্ডার জেরেই সার্কের মতো আঞ্চলিক জোট নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে - আবার এখন মূলত অর্থনৈতিক জোট বিমস্টেকেও পড়ছে সেই একই ছায়া।

পিনাকরঞ্জন চক্রবর্তী তবুও মনে করেন কিছু করার নেই - বহুপাক্ষিক জোটে ভারতকে সন্ত্রাসবাদের মতো বিষয় তুলতেই হবে।

"আমি এমন কোনো রিজিওনাল বা গ্লোবাল ফোরাম জানি না যেখানে জিওপলিটিক্যাল বা ভূরাজনৈতিক ইস্যুকে আলোচনার বাইরে রাখা হয়। জিওপলিটিক্যাল ও জিওইকোনমিক বিষয়গুলো আসলে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত ... টেররিজম একদিকে চলবে আর আমরা পাশাপাশি কানেক্টিভিটির মতো অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাব - তা তো আর হয় না!"

"সার্কেও একই জিনিস ঘটেছে - আমরা যখনই সেখানে সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ এনেছি, তখন পাকিস্তান সব উদ্যোগে বাধা দিয়েছে। তাই বলে কি আমরা সন্ত্রাসবাদের কথা বলব না? অবশ্যই বলব", বলছেন সাবেক এই কূটনীতিক।

অধ্যাপক কাকলি সেনগুপ্ত আবার বলছেন, সার্ক অকার্যকর হয়ে পড়েছে বলে ব্রিকসেরও একই পরিণতি হবে ভাবার কোনো কারণ নেই।

তার কথায়, "ভারত-পাকিস্তানের ভেতরকার সমস্যার কারণেই সার্ক যে পিছিয়ে পড়েছে তা অস্বীকার করা যাবে না। কিন্তু ব্রিকস জোটে কিন্তু আমরা দেখছি একটা অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গী উঠে আসছে - যে সন্ত্রাসবাদ যারাই করুক, যে উদ্দ্যেশ্যেই করুক - কিছুতেই তা সমর্থন করা যাবে না।""আমি জানি না অন্য কোনো বিষয়ে ব্রিকস এভাবে অভিন্ন অবস্থান নিতে পারবে কি না কিংবা এক সুরে তারা কথা বলতে পারবে কি না - কিন্তু সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে তো তাদের কাছ থেকে একটা যৌথ ঘোষণাপত্র ইতিমধ্যেই এসে গেছে", বলছেন তিনি।

শিয়ামেন বিবৃতিতে চীনে তৎপর এমন কিছু উগ্রবাদী গোষ্ঠীরও নাম আছে - যারা আবার প্রশিক্ষণ নিয়ে আসে পাকিস্তানের একই ধরণের বিভিন্ন শিবির থেকেই।ফলে এই বিবৃতি ভারতের মতে খুবই উৎসাহব্যঞ্জক - এবং ভবিষ্যতেও বিভিন্ন ফোরামে তারা যে সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে পাকিস্তান-বিরোধী লড়াই চালিয়ে যাবে, সেটা এর মধ্যেই স্পষ্ট করে দেয়া হয়েছে।


প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

Advertisement
রবিবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন খালেদা জিয়া মিয়ানমারের ওপর অবরোধ আরোপ করছে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলে ভারত কি গুরুত্বপূর্ণ? বলিউড হিরোদের কার কত পারিশ্রমিক? আজ ১১ কোম্পানির পর্ষদ সভা ফিফার বর্ষসেরা হলেন যারা ‘ঢাকাকে কোনো সুখবর দিতে পারেননি সুষমা’ এমন কিছু মেয়েলি আদর যা পুরুষরা পেতে ভালবাসে! সম্পর্কে থেকেও অন্য কাউকে ভাল লাগছে? দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ বিপর্যয় যা বললেন: পাপন বিএনপি নেতা এম কে আনোয়ার আর নেই সিনেমা ভালই উপভোগ করছেন সৌদিরা কোন দল কি চায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ? মঙ্গলবার দিনটি কেমন যাবে আপনার? অভিমানে পাশাপাশি অ্যাশ-অভি! ফের শাহরুখ-কাজলের রোমান্স উপভোগ করবেন দর্শকরা! বাংলাদেশ ব্যাংকের আগুন নিয়ন্ত্রণে গোপালগঞ্জে বাস ও নসিমনের সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত-২ বাংলাদেশ ব্যাংকে ফের আগুন তারেক রহমানের বিরুদ্ধে পরোয়ানা, নয়াপল্টনে ছাত্রদলের বিক্ষোভ বিএনপি উচ্ছ্বসিত, আমরাও উচ্ছ্বসিত: কাদের ‘পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিলেন ইউনূস’ ৯ মাসে ক্রসফায়ারে ১০৭ ব্যক্তি নিহত এবার সিডনিতে থেরাপিস্টকে গেইলের কুপ্রস্তাব! নির্বাচনে নারীদের সুপারিশ ও পরামর্শ গুরুত্ব পাবে: সিইসি বুধবার সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদ সভা ধর্ষকের হুমকিতে গা ঢাকা স্কুল ছাত্রীর : ৪দিনপর উদ্ধার আঞ্চলিক শান্তির জন্য গোপনে ইসরায়েলে সৌদি যুবরাজ! মাজারে খাদেমের লাথিতে মারা গেলেন বৃদ্ধা ভক্ত বাহুবলীকে জন্মদিনে কি উপহার দিলেন দেবসেনা? যৌন নিপীড়নের আখড়া ইইউ পার্লামেন্ট! বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে এলজি বিশ্ববাসীকে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়াতেই হবে : জর্ডানের রানি গোপালগঞ্জ জেলা ব্রান্ডিং, কিশোর বাতায়ন বিষয়ক প্রেস ব্রিফিং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা : বিক্ষোভ করবে যুবদল শাহবাজপুরে আরও ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান ফখরুলের নাশকতার মামলা স্থগিত ধর্ষণ থেকে বাঁচতে ট্রেন থেকে লাফ ভারতের অগ্রাধিকার তালিকায় সবার আগে বাংলাদেশ: সুষমা ‘জনগণ প‌রিবর্তন চায়, খা‌লেদা জিয়াই হবেন প‌রিবর্ত‌নের নায়ক’ এনসিসি ব্যাংকের পর্ষদ সভা ২৯ অক্টোবর টানা তৃতীয়বারের মত বিজয়ী শিনজো আবে ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না ক্রেন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা দেয়াল ধসে প্রাণ গেলো ৩ বোনের জামায়াত নেতার রায় যে কোনো দিন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তারেক রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ভারতীয় অর্থায়নে ১৫ প্রকল্প উদ্বোধন সূচক পতনে লেনদেন সৈয়দ আশরাফের স্ত্রী আর নেই ২৫ দেশের ভিসা সহজ করেছে ওমান, নেই বাংলাদেশ