বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১০ মে, ২০১৮, ১০:৩৬:২৬

কৈলাস পর্বতে ওঠেছে মাত্র একজন!

কৈলাস পর্বতে ওঠেছে মাত্র একজন!

ঢাকা : কৈলাস পর্বত মানেই এমন এক স্থান যা হিন্দুদের কাছেই নয়, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছেও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এমন কি তিব্বতের প্রাচীন বন ধর্মের কাছেও কৈলাস পর্বত খুবই পবিত্র।

আর এই কৈলাসকে ঘিরে রয়েছে নানা রকম রহস্য ঘেরা কথা। আপনি যদি ঘুরতে যেতে চান এখানে তবে জেনে নিন এমনই কিছু রহস্যের কথা।

এক সময়ে রাশিয়ার বিশেষজ্ঞরা কৈলাসকে একটি বিশালাকৃতি পিরামিড বলে বর্ণনা করেছিলেন। তবে পৌরাণিক মতে, কৈলাস পর্বতের চারটি মুখ রয়েছে যা ক্রিস্টাল, সোনা, চুনী ও নীলার তৈরি।

কৈলাস পর্বত থেকে চারটি নদীর সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো হলো সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র, শতদ্রু ও ঘাগরা নদী। আরো অবাক করা কথা হলো বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ ফ্রেশওয়াটার হ্রদ মানস সরোবর রয়েছে কৈলাসেই।

আর তার পাশেই রয়েছে সর্বোচ্চ লবনাক্ত লেক যার নাম রাক্ষস তাল। মানস সরোবর গোলাকার। রাক্ষস তালের আকৃতি অর্ধচন্দ্রাকার। অনেকেই বলেন এরা নাকি সূর্য ও চন্দ্রের শক্তিকে প্রকাশ করে।

জৈন ধর্মে কৈলাসের নাম অষ্টপদ। তিব্বতের বৌদ্ধরা মনে করেন যে, তাদের তান্ত্রিক দেব-দেবী দেমচং ও দোরজে ফাগমো থাকেন এই কৈলাসেই। ফলে, এই পর্বতে তাদের পা রাখা নিষিদ্ধ।

তবে কৈলাস পর্বতকে একবার প্রদক্ষীণ করতে পারলে জীবনের সব পাপ ধুয়ে যায়। এমনই বিশ্বাস তিন ধর্মের মানুষদেরই। এই প্রদক্ষীণের রীতিকে হিন্দু ধর্মে বলা হয় পরিক্রমা। বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মে বলা হয় খোরা।

বলা হয় যারা কৈলাসের খুব কাছাকাছি থাকে, তাদের মাথার চুল ও নখ খুব তাড়াতাড়ি বেড়ে যায়। তবে এখন পর্যন্ত কেবলমাত্র একজন তিব্বতী বৌদ্ধ যোগী, মিলারেপা, কৈলাসে উঠেছিলেন।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ায় সরকার আতঙ্কিত - ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?