মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০৭ নভেম্বর, ২০১৭, ০৯:৫২:১০

ইসলামী ব্যাংককে দখলকারী এস আলম গ্রুপের ভয়ঙ্কর দুর্নীতি!

ইসলামী ব্যাংককে দখলকারী এস আলম গ্রুপের ভয়ঙ্কর দুর্নীতি!

ঢাকা : দেশের ব্যাংকিং ও জ্বালানি খাতে নতুন শক্তি হিসাবে আবির্ভুত হয়েছে এস আলম গ্রুপ। এদের হাতে যখন প্রথম ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সিংহভাগ শেয়ারের মালিকানা গেলো তখন সেটা তেমন অবাক হওয়ার বিষয় ছিল না। কিন্তু যখন তারা বেক্সিমকো ও বসুন্ধরা গ্রুপের সাথে রীতিমত প্রতিযোগিতা করে দেশের বৃহত্তম বেসরকারি মালিকানাধীন ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের অধিকাংশ শেয়ার মালিকানা গ্রহন করে এরা অনেকেরই নজরে পড়লো। এভাবে একাধিক বেসরকারি ব্যাংকের সিংহভাগ মালিকানা এখন তাদের হাতে।

 

শুধু তাই না, বেসরকারি পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে দেশের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হচ্ছে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারা পশ্চিম বড়ঘোনায়। চায়না সেবকো এইচটিজির সঙ্গে যৌথভাবে ৬০০ একর জমির ওপর ২০ হাজার কোটি টাকার এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে এস আলম গ্রুপ। কয়লাভিত্তিক ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৭০ শতাংশের মালিকানা চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের বাকী চীনের ২ প্রতিষ্ঠানের। উল্লেখ্য দেশের প্রথম বেসরকারি টিভি চ্যানেল একুশে টিভি’র মালিকানায় এখন এই গ্রুপের হাতে।

শুধু কি দেশে বিনিয়োগ? সিঙ্গাপুরে এস আলম গ্রুপ সোয়া দুই হাজার কোটি টাকা ‘বিনিয়োগ’ করেছে।

এতো কম সময় কিভাবে এতো কিছু করা সম্ভব?

 

লুটপাটের দেশ বাংলাদেশ। এখন যার মহা উৎসব চলছে। তারই উপর একটা প্রতিবেদন দিয়েছিল দৈনিক ইত্তেফাক সেখানে তারা লিখেছিল –

“এস আলম গ্রুপের ১৭ হাজার কোটি টাকা ইনল্যান্ড বিল পার্চেজ (আইবিপি) অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জনতা ব্যাংকের চট্টগ্রামের একটি শাখা থেকে এস আলম গ্রুপের সাতটি প্রতিষ্ঠান সাড়ে ১২ কোটি টাকার মূল্যের বন্ধকের বিপরীতে এক হাজার ৯৩২ কোটি টাকা ঋণ নেয়। এই অভিযোগ দুদকে জমা পড়লে দুদক প্রাথমিক অনুসন্ধান করে। এরপর দুদক কর্মকর্তারা অভিযোগটিসহ এস আলম গ্রুপের ১৭ হাজার কোটি টাকা আইবিপিতেও অনিয়মের খোঁজ পায়। গতকাল সোমবার দুদক এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে জমা পড়া সব অভিযোগ খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

দুদকে জমা পড়া একটি অভিযোগে বলা হয়, জনতা ব্যাংক নিয়ম বহির্ভূতভাবে এস আলম গ্রুপের সাতটি প্রতিষ্ঠানকে ২০১২ সাল পর্যন্ত সাড়ে ১২ কোটি টাকা মূল্যে জমির বিপরীতে এক হাজার ৯৩২ কোটি ৯২ লাখ টাকা ঋণ ছাড় করে। কিন্তু ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, এ পরিমাণ টাকা ঋণ ছাড় করতে দুই হাজার ৫৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকার সম্পত্তি বন্ধক রাখতে হতো। নিয়ম অনুযায়ী সম্পত্তি বন্ধক না রেখে এস আলম গ্রুপ ও ব্যাংক কর্মকর্তারা অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে বিপুল অঙ্কের ওই ঋণ ছাড় করে। এরপরও ঋণের টাকা ১৮০ দিনের মধ্যে শোধ করার নিয়ম থাকলেও এস আলম গ্রুপ নিয়মিত এ সময় বাড়ানোর চেষ্টা করে এবং এক পর্যায়ে খেলাপি হয়। দুদক কর্মকর্তারা অভিযোগটি যাচাই-বাছাই করার সিদ্ধান্ত নেন। এরপর দুদক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ১৭ হাজার কোটি টাকা আইবিপিতে অনিয়মের অভিযোগের খোঁজ পান।

ব্যাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে আরো জানা গেছে, এস আলম গ্রুপের নামে আগে এলসি, বিল ও ঋণের ব্যাপারে অনেক অনিয়ম ছিল। “

সম্ভবত এটা ছিল দেশের একক কোন গ্রুপের করা সবচাইতে বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির খবর। কিন্তু বিস্ময়করভাবে এই নিয়ে কোন পত্রিকায় ফলোআপ প্রতিবেদন দেখা যায় নাই। দুদকও কিছু জানায় নাই। আমি দেখি নাই।

আপনারা কেউ কিছু জানেন?

নাকি এটা ছোট গল্পের সেই সংজ্ঞা “শেষ হইয়াও হইল শেষ” এর মতো করে আমাদের যা বুঝার বুঝে নিতে হবে? শাফিউর রহমানের ফেবসুক থেকে নেওয়া

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ায় সরকার আতঙ্কিত - ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?