বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ২৭ জুন, ২০১৮, ১০:৩৪:০৮

গাজীপুর সিটিতে কাউন্সিলর হলেন যারা

গাজীপুর সিটিতে কাউন্সিলর হলেন যারা

ঢাকা: গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষে বুধবার (২৭ জুন) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মণ্ডল বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

তিনি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলমের হাতে ফলাফলের শিট তুলে দেন। পরে তিনি সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড ও সাধারণ সদস্য ওয়ার্ডের নির্বাচিত কাউন্সিলরের নাম ঘোষণা করেন।

গাজীপুর সিটিতে কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের ৩৭, বিএনপি ১২, জাতীয় পার্টি ২ ও স্বতন্ত্র ১ প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫০টি ওয়ার্ডের ফলাফলে বেসরকারিভাবে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন- ১নং ওয়ার্ডে মো. ওসমান গণি লিটন (আওয়ামী লীগ), ২নং ওয়ার্ডে মোন্তাজ উদ্দিন আহম্মেদ (আওয়ামী লীগ), ৩নং ওয়ার্ডে সাইজুদ্দিন মোল্লা (আওয়ামী লীগ), ৪নং ওয়ার্ডে মো. রফিকুল ইসলাম (বিএনপি), ৫নং ওয়ার্ডে দবির সরকার (আওয়ামী লীগ), ৬নং ওয়ার্ডে মীর মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান তুলা (আওয়ামী লীগ), ৭নং ওয়ার্ডে কাওসার আহম্মেদ (আওয়ামী লীগ), ৮নং ওয়ার্ডে সেলিম রহমান (আওয়ামী লীগ)।

এছাড়া ৯নং ওয়ার্ডে নাসির উদ্দিন মোল্লা (আওয়ামী লীগ), ১০নং ওয়ার্ডে দেলোয়ার হোসেন দুলাল (জাতীয় পার্টি), ১১নং ওয়ার্ডে আবুল কালাম আজাদ (আওয়ামী লীগ), ১২নং ওয়ার্ডে আব্বাস উদ্দীন (আওয়ামী লীগ), ১৩নং ওয়ার্ডে খোরশেদ আলম সরকার (আওয়ামী লীগ), ১৪নং ওয়ার্ডে শোয়েব আল আসাদ (বিএনপি), ১৬নং ওয়ার্ডে মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী (বিএনপি), ১৭নং ওয়ার্ডে হাজী রফিকুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)।

১৮নং ওয়ার্ডে আবদুল কাদির মণ্ডল (আওয়ামী লীগ), ১৯নং ওয়ার্ডে তানভীর আহমেদ (বিএনপি), ২০নং ওয়ার্ডে মো. শহীদুল ইসলাম (বিএনপি), ২১নং ওয়ার্ডে ফারুক আহম্মেদ (আওয়ামী লীগ), ২২নং ওয়ার্ডে মোশাররফ হোসেন (জাতীয় পার্টি), ২৩নং ওয়ার্ডে মাওলানা মুনজুর হোসেন (স্বতন্ত্র), ২৪নং ওয়ার্ডে মো. রফিকুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ), ২৫নং ওয়ার্ডে মজিবুর রহমান (বিএনপি)।

২৭নং ওয়ার্ডে জাবেদ আলী জবে (আওয়ামী লীগ), ২৮নং ওয়ার্ডে হাসান আজমল ভূইয়া (বিএনপি), ২৯নং ওয়ার্ডে শাজাহান মিয়া (আওয়ামী লীগ), ৩০নং ওয়ার্ডে মো. আনোয়ার হোসেন (বিএনপি), ৩১নং ওয়ার্ডে মকবুল হেসেন (আওয়ামী লীগ), ৩২নং ওয়ার্ডে মো. পাঞ্জর আলী (আওয়ামী লীগ)।

৩৩নং ওয়ার্ডে মো. মিজানুর রহমান (আওয়ামী লীগ), ৩৪নং ওয়ার্ডে মো. জাহাঙ্গীর আলম (আওয়ামী লীগ), ৩৫নং ওয়ার্ডে আবদুল্লাহ আল মামুন মন্ডল (আওয়ামী লীগ), ৩৬নং ওয়ার্ডে মো. মনির হোসেন (আওয়ামী লীগ), ৩৮নং ওয়ার্ডে মো. মুনীরুজ্জামান (আওয়ামী লীগ), ৩৯নং ওয়ার্ডে মো. শাহীনুল আলম মৃধা (আওয়ামী লীগ), ৪০নং ওয়ার্ডে মো. আজিজুর রহমান শিরিশ (আওয়ামী লীগ)।

৪১নং ওয়ার্ডে মোমেন মিঞা (আওয়ামী লীগ), ৪৩নং ওয়ার্ডে আসাদুর রহমান কিরণ (আওয়ামী লীগ), ৪৪নং ওয়ার্ডে মো. মাজহারুল আলম- বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত (আওয়ামী লীগ), ৪৫নং ওয়ার্ডে শাহ আলম রিপন (আওয়ামী লীগ), ৪৬নং ওয়ার্ডে নুরুল ইসলাম নুরু (আওয়ামী লীগ), ৪৭নং ওয়ার্ডে সাদেক আলী (আওয়ামী লীগ)।

৪৯নং ওয়ার্ডে ফারুক আহমেদ (আওয়ামী লীগ), ৫০নং ওয়ার্ডে কাজী আবু বকর সিদ্দীক (আওয়ামী লীগ), ৫২নং ওয়ার্ডে আবদুল আলীম মোল্লা (আওয়ামী লীগ), ৫৪নং ওয়ার্ডে নাসির উদ্দীন মোল্লা (আওয়ামী লীগ), ৫৫নং ওয়ার্ডে মো. আবুল হাসেম (বিএনপি), ৫৬নং ওয়ার্ডে আবুল হোসেন (আওয়ামী লীগ) ও ৫৭নং ওয়ার্ডে গিয়াস উদ্দিন সরকার (আওয়ামী লীগ)।

এদিকে দুষ্কৃতিকারী কর্তৃক ব্যালট পেপার ছিনতাই এবং ব্যালট বাক্সে জোরপূর্বক প্রবেশ করার ঘটনায় ৯টি ভোটকেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। স্থগিতকৃত ওই ৯ কেন্দ্রের যে সাত প্রার্থী ভোটে এগিয়ে আছেন তারা হলেন- ১৫নং ওয়ার্ডে ফয়সাল আহামেদ সরকার (বিএনপি), ২৬নং ওয়ার্ডে হান্নান মিয়া হান্নু (বিএনপি), ৩৭নং ওয়ার্ডে মো. সাইফুল ইসলাম দুলাল (আওয়ামী লীগ)।

৪২নং ওয়ার্ডে আবদুস সালাম (আওয়ামী লীগ), ৪৮নং ওয়ার্ডে সফি উদ্দিন সফি (বিএনপি), ৫১নং ওয়ার্ডে মো. আমজাদ হোসেন (আওয়ামী লীগ) ও ৫৩নং ওয়ার্ডে মো. সোলেমান হায়দার (আওয়ামী লীগ)।

এ ব্যাপারে রিটার্নিং অফিসার রকিব উদ্দিন মণ্ডল জানান, স্থগিত এসব কেন্দ্রে যেসব প্রার্থী ওই স্থগিত কেন্দ্রের ভোটের চাইতে বেশি ভোট পেয়েছেন তাদের ওই স্থগিত কেন্দ্রে ফের নির্বাচন হবে না। তারাও বেসরকারিভাবে নির্বাচিত। আর যেসব স্থগিত কেন্দ্রের প্রার্থীরা ওই কেন্দ্রের ভোটের পরিমাণের চাইতে কম ভোট পেয়েছেন তাদের ওই স্থগিত কেন্দ্রে ফের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এর মধ্যে ১৫ ও ২৬নং ওয়ার্ডের স্থগিত কেন্দ্র থেকে যথাক্রমে ফয়সাল আহমাদ সরকার ও হান্নান মিয়া হান্নু বেশি ভোট পাওয়ায় এ দুটি কেন্দ্রে ভোট হবে না। অপর ৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৮, ৩৭, ৫৩, ৫১ ও ৪২নং কেন্দ্রের চারটিতে আওয়ামী লীগ ও ৪৮নং কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থী বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। এসব কেন্দ্রে প্রার্থীর ভোটের চাইতে কেন্দ্রে ভোট বেশি থাকায় সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া ১৯টি সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডের নির্বাচত কাউন্সিলররা হলেন- সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডে নাজনীন আক্তার, ২নং ওয়ার্ডে মাহমুদা আক্তার,৩নং ওয়ার্ডে বিনু বারেক, ৪নং ওয়ার্ডে তাসলিমা নাসরিন, ৫নং ওয়ার্ডে লিপি আক্তার, ৬নং ওয়ার্ডে রোকসানা আহমেদ।

৭নং ওয়ার্ডে আয়েশা খাতুন, ৮নং ওয়ার্ডে আফসানা আক্তার, ৯নং ওয়ার্ডে খন্দকার নূরুন্নাহার , ১০নং ওয়ার্ডে আয়েশা আক্তার, ১১নং ওয়ার্ডে রুহুন নেছা, ১২নং ওয়ার্ডে পুষ্প আক্তার মায়া, ১৩নং ওয়ার্ডে শিরিন আক্তার।

১৪নং ওয়ার্ডে জোছনা বেগম, ১৫নং ওয়ার্ডে ফেরদৌসি জামান ফিরু, ১৬নং ওয়ার্ডে হামিদা বেগম, ১৭নং ওয়ার্ডে নাসরিন আক্তার, ১৮নং ওয়ার্ডে কেয়া শারমিন ও ১৯নং ওয়ার্ডে রাখি সরকার।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ায় সরকার আতঙ্কিত - ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?