বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৬:৩০:৩৭

'সরকার ও নির্বাচন কমিশনের যোগসাজশে সিটি নির্বাচন স্থগিত হয়েছে'

'সরকার ও নির্বাচন কমিশনের যোগসাজশে সিটি নির্বাচন স্থগিত হয়েছে'

ঢাকা : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, মেয়র পদে উপনির্বাচন নিয়ে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশে রাষ্ট্রপক্ষের নীরবতাই প্রমাণ করে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের যোগসাজশে এই নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। আমার বলতে হবে, তারা একই পথের যাত্রী এই ব্যাপারে। তারা হেরে যাবেন বলেই এ কাজগুলো করেছেন। আগামী নির্বাচনে কী হতে যাচ্ছে এটা এখন দেশের মানুষ নিশ্চই বুঝতে পারছে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, সরকার যদি সত্যিই নির্বাচন চাইত, তাহলে হাই কোর্টের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে যেত।

এক্ষেত্রে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মওদুদ। তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন হল- এত গুরুত্বপূর্ণ একটা মামলার শুনানি হল। প্রথম দিন অ্যাটর্নি জেনারেল আসলেন না। আদালত বললেন, ‘আগামী দিন আদেশের জন্য রাখছি, যাতে আমরা তার বক্তব্য শুনতে পারি।’ তার পরের দিন আদেশের জন্য যখন মামলা উঠল, অ্যাটর্নি জেনারেল তখনও আসলেন না। তাকে খবর দেওয়া হল। আদালত অপেক্ষা করেছিল তার আসার জন্য। কিন্তু তিনি আসলেন না। এর অর্থ কী? এর অর্থ হল, সরকার চেয়েছে, স্থগিতাদেশ দিয়ে দিক। এ জন্যই অ্যাটর্নি জেনারেল যাননি।

নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীও সেদিন ‘দায়সারা একটা আবেদন’ করেছিলেন মন্তব্য করে মওদুদ বলেন, তারাও চেয়েছেন যেন, এটা স্থগিত হয়ে যায়।

ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে উপনির্বাচন এবং দুই সিটিতে নতুন যুক্ত হওয়া ৩৬টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর নির্বাচনের জন্য ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন ঠিক করে তফসিল দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

কিন্তু বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুই ইউপি চেয়ারম্যানের রিট আবেদনে গত বুধবার হাই কোর্ট উত্তরের ভোট স্থগিত করে দেয়। এরপর বৃহস্পতিবার দক্ষিণের নির্বাচনের ওপরও আদালতের স্থগিতাদেশ আসে এক ভোটারের রিট আবেদনের কারণে।

এসব রিট আবেদনের অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কমিশনের তফসিলে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলা হলেও এখনও পর্যন্ত তারা চূড়ান্ত ভোটার তালিকাই প্রকাশ করেনি।  

বিএনপি সেদিনই অভিযোগ তোলে, ঢাকার সিটি নির্বাচন স্থগিত হয়েছে ‘সরকারের ইঙ্গিতে’। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়, আদালতের আদেশের পেছনে সরকারের কোনো ভূমিকা নেই।

হাই কোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কি না- সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানায়নি নির্বাচন কমিশন। ইসির আইনজীবী শুধু বলেছেন, কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  কোটা সংস্কার আন্দোলন নেত্রী সহ ছাত্রদল নেতাদের গ্রেফতারে ছাত্রদলের নিন্দা

  শুক্রবার ১৪ দলের শোক দিবসের আলোচনা সভা

  খালি মাঠে গোল দিতে চাই না : নাসিম

  বিএনপি-জামায়াতকে রাজনীতি থেকে নির্বাসনে পাঠাতে হবে: ইনু

  সংগ্রামে আমাদের জয়ী হতে হবে : ফখরুল

  সরকার বিরোধীরা এক মঞ্চে আসছে: আজ বি. চৌধুরীর বাসায় যুক্তফ্রন্টের বৈঠক

  সরকারকে বাধ্য করতে হবে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে :ফখরুল

  কারাগারে খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন বিএনপির নেতারা

  ‘সরকারবিরোধী কোনো আন্দোলন সফল হবে না’

  দাস বানানোর চেষ্টা করলে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে শিক্ষা দেবে : ড. কামাল

  গণতন্ত্রের উসিলায় বিএনপি-জামায়াত অপশক্তিকে হালাল করা যায় না : ইনু

আজকের প্রশ্ন

খুলনা সিটি নির্বাচনের ভোটকে ‘প্রহসন’ বলেছেন বিএনপি ও বামপন্থিরা। আপনি কি একমত?