সোমবার, ১৮ জুন ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ, ২০১৮, ০৪:১৬:১৫

একই দিনে ঢাকা-কুমিল্লায় হাজিরার নির্দেশ খালেদা জিয়াকে

একই দিনে ঢাকা-কুমিল্লায় হাজিরার নির্দেশ খালেদা জিয়াকে

ঢাকা : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে একই দিনে দুই মামলায় ঢাকা ও কুমিল্লার আদালতে হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে গতকাল সোমবার চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুরের পরপরই কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা হামলা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় তাকে।

খালেদা জিয়াকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা আরেকটি মামলায় আগামী ২৮ মার্চ পুরান ঢাকার বকশীবাজারের পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এই মামলাটি করা হয়েছিল। আজ মঙ্গলবার ওই মামলায় খালেদা জিয়াকে হাজিরার নির্দেশ দেন বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আক্তারুজ্জামান।

অন্যদিকে, যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা মেরে ৮ জনকে পুড়িয়ে হত্যার মামলায় একই দিন খালেদা জিয়াকে কুমিল্লার ৫ নম্বর আমলি আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবারই এ নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাইন বিল্লাহ।

এদিন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ড নিয়ে কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। কিন্তু কারামুক্তির দিনক্ষণ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই বাসে পেট্রলবোমা হামলা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন গুলশান থানার ওসি আবু বকর। সোমবার বিকালেই কুমিল্লার ৫ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুস্তাইন বিল্লাহ বিএনপি চেয়ারপারসনকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশসহ ২৮ মার্চ তাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ (পিডব্লিউ) দেন।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম জয়নব বেগম আট বাসযাত্রীকে হত্যার দায়ে করা এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ৪৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। ওই দিন থেকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তিনি বন্দি আছেন। কারাদণ্ডের এক মাস পাঁচ দিন পর গতকাল সোমবার তার চার মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেছিলেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আজকের প্রশ্ন

খুলনা সিটি নির্বাচনের ভোটকে ‘প্রহসন’ বলেছেন বিএনপি ও বামপন্থিরা। আপনি কি একমত?