বুধবার, ১৫ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৬ মে, ২০১৮, ০৯:২৭:০৩

খালেদা জিয়ার জামিন বহাল

খালেদা জিয়ার জামিন বহাল

ঢাকা: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আপিল আবেদন বিশ্লেষণ করে জামিন বহালের রায় দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার (১৬ মে) আদালত এ রায় দেন। পাশাপাশি ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়া হয়।
 
এর আগে মঙ্গলবার (১৫ মে) উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ বুধবার তারিখ নির্ধারণের আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার পক্ষে ‍শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। এসময় দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।
 
ওইদিন সকালে খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে রায় ঘোষণার জন্য বিচারপতিরা সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এজলাসে প্রবেশ করেন। এক পর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে বলেন, ‘মামলাটি আগামীকাল (বুধবার, ১৬ মে) শুনানির জন্য রাখা হোক। এ বিষয়ে আবারও শুনানি করতে চাই। ওইদিন (গত ৯ মে) হইচই, হট্টগোলের কারণে শুনানি করতে পারিনি।’
 
তখন আপিল বিভাগ বলেন, ‘এখনই করুন। আমরা রায়ের তারিখ ঠিক করেছি। এখন আর (পুনরায় শুনানির জন্য সময় মঞ্জুর) হয় না।’ জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, ‘শুনানির জন্য আমার প্রস্তুতি প্রয়োজন। আপনারা বহু মামলা এভাবে (রায়ের মুহূর্তে শুনানির আবেদন মঞ্জুর) করেছেন।আপিল বিভাগ বলেন, ‘তা হয় কীভাবে?’ জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, ‘রায়ের পূর্বের মুহূর্তে এমন শুনানির অনেক উদাহরণই তো রয়েছে। আগামীকাল (বুধবার) এ অবস্থাতেই থাকুক।’
 
এরপর আপিল বিভাগের বিচারপতিরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আমাদের এক ব্রাদার ভেরি সিক (আপিল বিভাগের এক বিচারপতি খুব অসুস্থ)। আগামীকাল (বুধবার) তিনি আসতে পারবেন না। আপনি এ মামলার নথিপত্র নিয়ে (আজ) ১১টা ৩০ মিনিটে আসুন।তবে এরপরও মাহবুবে আলম শুনানির জন্য ১২টায় সময় নির্ধারণের আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
 
উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে এই মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশে দেন ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। রায় ঘোষণার পরপরই তাকে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
 

এই বিভাগের আরও খবর

আজকের প্রশ্ন

খুলনা সিটি নির্বাচনের ভোটকে ‘প্রহসন’ বলেছেন বিএনপি ও বামপন্থিরা। আপনি কি একমত?