Prime News bd.com is about bangla newspaper, news dhaka, bangla online news, news in bangla
Print
প্রচ্ছদ » আলোচিত
Wed, 11 Nov, 2015

স্কুল ছাত্রীকে ‘পতিতাবৃত্তি’করতে বললেন শিক্ষক?

বাগেরহাট : বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সম্পূর্ণ টাকা জোগাড় করতে না পারায় এক দরিদ্র ছাত্রীকে অশালীন ভাষা ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ ওঠেছে স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় পর ওই ছাত্রী বাড়িতে ফিরে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে এবং স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয় ওই ছাত্রী।

জানা যায়, স্কুল ছাত্রীটি মোরেলগঞ্জ উপজেলার ভাইজোড়া গ্রামের হতদরিদ্র রুবেল শেখের মেয়ে। সে ২০১৬ সালের স্থানীয় কে, জি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী।

তার পিতা জানান, গত শনিবার অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তার মেয়েও ফরম পূরণের টাকা জমা দিতে স্কুলে যায়। পরিবারের অস্বচ্ছলতার কারণে স্কুলের ধার্যকৃত সাড়ে ৩ হাজার টাকার কিছু কম জমা দেয় সে।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম তালুকদার ওই ছাত্রীকে ক্লাস রুমে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সামনে প্রকাশ্যে অশালীন ভাষায় গালমন্দ করে। ফরম পূরণের টাকা জোগাড় করতে প্রয়োজনে ‘পতিতাবৃত্তি’ করতে বলেন তিনি।

এঘটনার পর বাড়ি ফিরে তার মেয়ে লজ্জা ও ঘৃণায় কয়েক দফা আত্মহত্যার চেষ্টা করে। গত দু’দিন ধরে স্কুল যাওয়াসহ পড়ালেখা বন্ধ করে দিয়েছে সে। তিনি বলেন, আমি মেয়ের জীবন ও লেখাপড়া নিয়ে চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছি।

এ ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ এলাকাবাসির মাঝে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা অবিলম্বে ওই শিক্ষকের পদত্যাগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

উল্লেখিত বিষয়টির প্রতিকার ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার চেয়ে ছাত্রীর পিতা হতদরিদ্র দিনমজুর রুবেল শেখ সোমবার মোড়েলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

কে,জি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সাজেদা খাতুন ও স্কুল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এম এমদাদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, গুরুতর অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সহকারী প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম তালুকদার তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে এ ধরনের মন্তব্য করা একজন শিক্ষকের পক্ষে কিভাবে সম্ভব? আমি একজন শিক্ষক হিসাবে ঘটনাটি বিকেলে শুনে মর্মাহত হয়েছি।

এ বিষয়ে মোড়েলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমানের সঙ্গে রাতে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি অভিযোগের কপি তার দপ্তরে জমা হবার কথা স্বীকার করেছেন।http:// www.timesofbangla.com

http://www.carmudi.com.bd#sthash.UVmC7gEH.dpuf