Print
প্রচ্ছদ » জাতীয়
Wed, 11 Jan, 2017

মিল মালিকদের কারসাজিতে ফের চালের দাম বৃদ্ধি

আরিফ সুমন, বরিশাল ব্যুরো : মিল মালিকদের কাছে চাল ব্যবসায়ীরা জিম্মি হয়ে পড়েছে । ফলে দফায় দফায় চালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারী ভাবে কোন তদারকি না থাকার কারনে মিল মালিকরা তাদের ইচ্ছে মতো চালের সংকট দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরী করছে। এমন কি বিদেশী চাল দেশীয় বাজারে প্রবেশ করার পায়তারা চলছে।

জানাগেছে, দেশের ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় পাচ শতাধিক চালের মিল রয়েছে। উক্ত মিল গুলোতে ইতিমধ্যে হাজার হাজার টন চাল মজুদ করে রাখা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে চাল বাজারজাত করার নিয়ম থাকলে ও তা না করে এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কালো বাজারে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা চালাচ্ছে একটি মহল।
ফয়দা লুটে নিচ্ছে মিল মালিকেরা। দেশের বড় বড় মিল গুলো এই কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে পড়েছে।

দক্ষিনাঞ্চলে চালের মিলের সংখ্যা অতি নগন্য।বরিশাল বিভাগে দপদপিয়া,নলছিটি গৌরনদীতে ছোট ছোট কায়েকটি চালের মিল থাকলে ও তা চাহিদার তুলনায় নগন্য।
ফলে দক্ষিন বঙ্গে ও উত্তর বঙ্গে চালের সংকট দিন দিন তীব্র হচ্ছে। উত্তর বঙ্গ হতে চালের মুল চালান আসে।

এ দিকে বরিশালে ফরিয়াপট্রি চালের আরৎ এ খোজ নিয়ে দেখা গেছে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে। যা প্রতি বস্তায় ৫০/১০০ টাকা হারে বেড়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে যে মিনিকেট চালের বস্তা ২৩০০ শত টাকা ছিল তা গত কয়েক দিনের ব্যবধানে ২৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ব্যাপাওে খোজ নিয়ে আলাপকালে ফরিয়াপট্রি চালের বাজারে মেসাস্ শাজাহান ষ্টোরের এনায়েত হোসেন বলেন-মোকামে মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৪৬ টাকা থেকে বর্তমানে তা ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত ১৫ দিনের মধ্যে বস্তায় ৫০/১০০ টাকা বেড়েছে।

বুলেট চাল মোকামে ৩২ টাকা কেজির দাম বেড়ে ৩৩ টাকা হয়েছে। প্রতি ৫০ কেজির বস্তায় পঞ্চাশ টাকা বৃদ্দি পেয়েছে। সাতক্ষিরা চিংড়ি চাল মোকামে ৩২ শত টাকা কুন্টাল বিক্রি হলে ও বর্তমানে তা ৩৭ শত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আঠাশ বালাম চাল প্রতি কেজি ৩৬ থেকে ৩৭ টাকা দাম বেড়েছে। প্রতি বস্থায় ৫০ টাকা বেড়েছে। দেশী মোটা ৩২ টাকার স্থলে ৩৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা বস্তা প্রতি ৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চাল ব্যবসায়ী বলেন,মূলতঃ মিল মালিকদের দৌরাত্বে এ রকম হচ্ছে । এখনি নাগাল টেনে না ধরলে সামনে আরো দাম বাড়বে বৈকি কমবে না।