Primenewsbd
সব অপারেটরে সর্বনিম্ন কলরেট ৪৫ পয়সা
Tuesday, 14 Aug 2018 13:47 pm
Reporter :
Primenewsbd

Primenewsbd

নিজস্ব প্রতিবেদক: সেলফোন অপারেটরদের অননেট (নিজস্ব নেটওয়ার্ক) ও অফনেট (অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক) ভয়েস কলে এতদিন ভিন্ন ভিন্ন হারে ট্যারিফ বিদ্যমান ছিল। এ ভিন্নতা দূর করে অননেট-অফনেট কলে একই ধরনের ট্যারিফ চালু করা হয়েছে। সেলফোন অপারেটরদের অননেট-অফনেট কলের ট্যারিফ সর্বনিম্ন ৪৫ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গতকাল রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে চালু হয়েছে অভিন্ন ট্যারিফ হার।

দেশের সব সেলফোন অপারেটরের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো চিঠিতে ১৪ আগস্ট রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে নতুন ট্যারিফ হার কার্যকর করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ নির্দেশনা অনুযায়ী অন্য অপারেটরে কল করার জন্য কোনো অপারেটরের প্যাকেজেই ভিন্ন কোনো ট্যারিফ থাকবে না। এছাড়া চিঠিতে আন্তঃসংযোগের বিদ্যমান রাজস্ব ভাগাভাগির কাঠামোও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী আন্তঃসংযোগ চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ পয়সা। এর মধ্যে ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ (আইসিএক্স) পাবে ৪ পয়সা ও টার্মিনেটিং অপারেটর (যে অপারেটরের গ্রাহক কল রিসিভ করবেন) পাবে ১০ পয়সা।

নতুন এ নির্দেশনার আগে সেলফোন অপারেটরদের কল ট্যারিফের সীমা নির্ধারিত ছিল ২৫ পয়সা থেকে ২ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ এ সীমার মধ্যে ভয়েস কল বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে নিজেদের অনুমোদিত প্যাকেজ অনুযায়ী চার্জ নিতে পারত অপারেটররা। এছাড়া আগের রাজস্ব ভাগাভাগির কাঠামো অনুযায়ী অফনেট কলের ক্ষেত্রে টার্মিনেটিং অপারেটরকে মিনিটপ্রতি ১৮ পয়সা ও আইসিএক্সকে ৪ পয়সা করে দিতে হতো মূল অপারেটরদের (অরিজিনেটিং)। অর্থাৎ অন্য অপারেটরে কলের ক্ষেত্রে মূল অপারেটরের ব্যয় হতো ২২ পয়সা। তবে অন্য অপারেটরে কল করার ক্ষেত্রে আগে সব অপারেটরের জন্য সর্বনিম্ন কলরেট মিনিটপ্রতি ৬০ পয়সা নির্ধারিত ছিল। অর্থাৎ ২২ পয়সা ব্যয় বাদ দিলেও প্রতি মিনিট অফনেট কলে মূল অপারেটরের অংশ ছিল ৩৮ পয়সা করে। আর নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী অফনেট কলে ১৪ পয়সা ব্যয় বাদ দিলে মূল অপারেটরের আয় হবে ৩১ পয়সা।

খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অপারেটরদের অননেট কলের ট্যারিফ অফনেটের চেয়ে কম। ফলে তুলনামূলক কম গ্রাহক সংখ্যার সেলফোন অপারেটরগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। এটি বিবেচনায় নিয়ে অননেট ও অফনেট কলের ক্ষেত্রে ট্যারিফের ভিন্নতা দূর করতে উদ্যোগ নেয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।