মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮, ০৭:৫৭:১৯

খালেদা জিয়ার রায়কে কিভাবে দেখছে জাতিসংঘ ও বিশ্ব

খালেদা জিয়ার রায়কে কিভাবে দেখছে জাতিসংঘ ও বিশ্ব

ঢাকা: বহুল আলোচিত জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের রায় এবং রায়-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিশ্ব। এরই মধ্যে এ ঘটনায় সহিংসতা হলে তা অবশ্যই উদ্বেগের বিষয় হবে উল্লেখ করে সব পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

একই সঙ্গে বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য আহ্বান জানানো অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

বৃহস্পতিবার রাতে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপমুখপাত্র ফারহান হক এ কথা জানান।

ব্রিফিংয়ের বিবরণী থেকে জানা গেছে, জাতিসংঘ মহাসচিবের উপমুখপাত্র ফারহান হক ব্রিফিংয়ের শুরুতে যেসব বিষয় নিয়ে কথা বলেন তাতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ ছিল না। তবে প্রশ্নোত্তর পর্বে সাংবাদিকরা খালেদা জিয়ার সাজার প্রসঙ্গ তুলে ধরে জাতিসংঘের প্রতিক্রিয়া জানতে চান।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’—এ মন্তব্য করে এক সাংবাদিক বলেন, রায়ের প্রতিবাদে কোটি মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে।

তাদের ঠেকাতে পুলিশ গুলি ছুড়েছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাজার হাজার বিরোধী কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে। খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানকে আগামী নির্বাচন থেকে দূরে রাখার চেষ্টা চলছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গণমাধ্যমকে বলেছেন। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘ মহাসচিব কী উদ্যোগ নিয়েছেন? রাজনৈতিক সংকট নিরসনে তিনি কি কাউকে বাংলাদেশে পাঠাবেন?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপমুখপাত্র বলেন, ‘গ্রেপ্তার এবং এ সম্পর্কিত ঘটনাগুলোর খবর আমরা কেবল পেয়েছি। আমরা মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং সে অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া জানাব। সহিংসতার যেকোনো খবরে অবশ্যই আমরা উদ্বিগ্ন থাকব। এ পর্যায়ে আমরা সব পক্ষকে শান্ত থাকতে আহ্বান জানাই। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে আমরা আরো প্রতিক্রিয়া জানাতে পারব বলে আশা করছি।’

এর পর আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করতে গিয়ে বলেন, জাতিসংঘের এই মঞ্চ থেকে মুখপাত্ররা বাংলাদেশে সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বানের কথা বলেছেন। কিন্তু খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায়ের পর বাংলাদেশে কি আর অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের আশা আছে? বাংলাদেশে আইনের শাসন নেই, প্রধান বিচারপতিকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে এবং বিচারব্যবস্থা অত্যন্ত বিতর্কিত—এমন মন্তব্য করে ওই সাংবাদিক খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চান। জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপমুখপাত্র বলেন, পরিস্থিতি আরো মূল্যায়ন শেষে তারা (জাতিসংঘ) এ বিষয়ে বলবেন। রায়ের প্রভাব মূল্যায়নের মতো সময় এখনো আসেনি। তবে জাতিসংঘ বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য আহ্বান জানানো অব্যাহত রাখবে।

বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি ছোড়ার অভিযোগের বিষয়টি তুলে ধরে আরেক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশ থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের মানবাধিকারের রেকর্ড দেখা হয় কি এবং গত পাঁচ বছরে এই ইস্যুতে কোনো বাংলাদেশির শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদান আটকে দেওয়া হয়েছি কি?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের উপমুখপাত্র বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িতরা যাতে শান্তিরক্ষা মিশনে আসতে না পারে সে জন্য সব দেশের ক্ষেত্রেই এটি করা হয়।

খালেদা ইস্যুতে নজর রাখছে বিশ্ব

এ বিষয়ে ইতোমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। ভারতসহ কয়েকটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না দিলেও বিষয়টি তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করছে।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দফতরে দেয়া নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিষয়টি মাত্রই আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। আমরা উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে দেখছি।’

এর আগে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাংলাদেশের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন একজন সাংবাদিক।

খালেদা জিয়ার সমর্থকদের ওপর পুলিশের টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপের বিষয়ে ফারহান বলেন, ‘সহিংসতা কখনো কাম্য নয়। আমরা সহিংসতার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করছি। উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। ঘটনার যথাযথ পর্যবেক্ষণ শেষে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে জাতিসংঘ।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের ডেপুটি মুখপাত্র ফরহান হক বলেন, ‘নির্বাচনের ওপর এ রায়ের কোনো প্রভাব পড়বে কিনা, তা নিয়ে এক্ষুণি কিছু বলতে নারাজ আমরা। আমরা পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখছি। জাতিসংঘের অবস্থান সব দলের অংশগ্রহণে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পক্ষে।’

এদিকে, খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের রায় ও রায়-পরবর্তী ঘটনায় ভারত ঢাকার পরিস্থিতি গভীর পর্যবেক্ষণে রাখছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে চীনও ঢাকার ওপর বিশেষ নজর রাখছে জেনে ভারত আপাতত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাইছে না।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের আগে এই রায়ের ফলে খালেদা হয়তো নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। একে ‘অস্বস্তিকর অবস্থায় থাকা’ আওয়ামী লীগের ‘রাজনৈতিক বিজয়’ হিসেবেও লিখেছে ভারতীয় গণমাধ্যমটি।

এ বিষয়ে অবশ্য কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস। তবে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা সাবেক এক ভারতীয় কূটনীতিক মনে করেন, এটা একটা কৌশলগত অবস্থা। কারণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের একজন পরিচিত মিত্র।

তিনি বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশসমূহের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারত হস্তক্ষেপ করে না। তবে দিল্লি বিএনপির ওপর নজর রাখছে ও জামায়াত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

ভারতীয় ওই কূটনীতিক মনে করেন, আগামী নির্বাচনে খালেদা অংশ নিতে না পারলেও বিএনপি অংশ নেবে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে, বিশেষ করে শেখ হাসিনা সরকারের, এখন তিস্তা পানি চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য ভারতের সাথে পরিকল্পনা করা উচিত।

এদিকে, খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

প্রভাবশালী এই চার দেশের জারিকৃত এই বার্তায় দেশগুলোর নাগরিকদের বাংলাদেশে চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

উল্লিখিত চার দেশের ঢাকায় নিযুক্ত দূতাবাস ও হাইকমিশনের ওয়েবসাইটে এ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশে অবস্থানকারী এ দেশগুলোর নাগরিকদের জনসমাগম এড়িয়ে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এছাড়া স্থানীয় গণমাধ্যমের ওপর নজর রাখার পরামর্শও দিয়েছে এ চার দেশ। গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য প্রধান প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ সতর্কতা জারি করে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাস।

দূতাবাসের সতর্ক বার্তায় বলা হয়, বিরোধীদলীয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে একটি মামলার রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হতে পারে। বিক্ষোভে স্থানীয় পরিবহনসেবা, স্কুল, শপিং মল এবং অন্যান্য স্থাপনায় প্রভাব পড়তে পারে অথবা নাও পারে।

সতর্কবার্তায় বাংলাদেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের স্থানীয় গণমাধ্যমের ওপর দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া বড় ধরনের সমাবেশ, প্রতিবাদ এড়িয়ে চলা ও আশপাশের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেয়া হয়।

বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি করে নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশে নাগরিকদের সব সময় সতর্কতা অবলম্বন ও বড় ধরনের জনসমাবেশ, রাজনৈতিক অফিস এবং সমাবেশ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার রায় ঘিরে একই ধরনের সতর্কতা জারি করেছে কানাডা। রায়-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে সহিংস আকার ধারণ করতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে দেশটি। বিক্ষোভ, জনসমাবেশ এড়িয়ে চলতে ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী বাংলাদেশে নাগরিকদের চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে কানাডা।

একই ধরনের সতর্কতা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটি বলছে, রায়কে কেন্দ্র করে পরিবহনসেবা ব্যাহত হতে পারে। এজন্য নাগরিকদের সতর্কতার সঙ্গে বাংলাদেশে চলাচলের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন।

বৃহস্পতিবার পুরনো ঢাকার বখশিবাজারে কারা অধিদপ্তরের মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানের আদালতে খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেয়া হয়।

এর আগে দুপুর ২টা ১৪ মিনিটের দিকে আদালত কক্ষে প্রবেশ করেন বিচারক বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। দুপুর ২টা ১৬ মিনিটের দিকে ৬৩২ পৃষ্ঠার রায় পড়া শুরু করেন তিনি। এর আগে দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে বেগম খালেদা জিয়া আদালত চত্বরে পৌঁছান।

এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে তিনি গুলশানের নিজ বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে আদালতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। এরই মধ্যে রায়কে ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতে যাওয়ার পথে রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে পুলিশের সঙ্গে তার দলের কর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ ১০-১২ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এরপর কাকরাইল মোড়ে পুলিশ বক্সে ভাঙচুর করে বিএনপি কর্মীরা। সেখান থেকে আটক করা হয়েছে অনেককে।

এর আগে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মগবাজার এলাকায় এলে শত শত নেতাকর্মী সেখানে যুক্ত হন। এ সময় রাস্তার পাশেও অনেকে দাঁড়িয়ে ছিলেন। নেতাকর্মীরা মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে সেখানে যুক্ত হন। তারা খালেদা জিয়ার নামে স্লোগান দিয়ে এগোতে থাকেন।

এই মামলার প্রধান আসামি বিএনপির চেয়ারপারসন এবং তিনতিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ফলে দেশবাসীর আগ্রহ অন্যরকম। রায়ের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই টানটান উত্তেজনা জনমনে ছড়িয়ে পড়ে। রায়কে ঘিরে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। রাজনীতির মাঠে রায় নিয়ে আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে জাতীয় নির্বাচনও।

দেশের মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালত। এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি ওই মামলার শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করেন বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান।

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

 

এই বিভাগের আরও খবর

  ১০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আ'লীগ

  দিল্লি সফরে আ.লীগের প্রতিনিধি দল, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও নির্বাচনে কী প্রভাব পড়তে পারে?

  নানামুখি চাপে থাকা বুলবুল পাশে চান মিনুকে

  আওয়ামী লীগে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দুই তালিকা

  ‘বাংলাদেশের মানুষের প্রতি ভারতের শ্রদ্ধা না থাকলে সম্পর্ক খারাপ হবে’

  বিটিসিএলের ৩০ শতাংশ কল সক্ষমতা কমাল বিটিআরসি

  আ’লীগ-বিএনপি প্রশ্নে দিল্লি নিরপেক্ষ: ওআরএফ

  বাংলাদেশে সেনা সরকার গঠিত হতে পরে: ভারতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান

  এখনো অগোছালো ঢাকা মহানগর বিএনপি

  এয়ারটেলের বৈশাখী অফারে বিভ্রান্তি, প্রতারণার অভিযোগ

  এবার এশার প্রেমে অন্ধ ছাত্রলীগের সোহাগ-জাকির

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন?