শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ২০ মার্চ, ২০১৮, ১১:০১:২৩

শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জিতিয়েছেন যারা

 শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জিতিয়েছেন যারা

স্পোর্টস ডেস্ক : শেষ বলে ছক্কা মেরে টাইগারদের হারিয়ে নিদাহাস ট্রফি জিতে নিয়েছে ভারত। এই ছক্কার নায়ক দীনেশ কার্তিক। তাই কার্তিককে নিয়ে ভারতীয়দের উচ্ছ্বাস যেন আর কমছেই না। ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি থেকে শুরু করে শচীন তেণ্ডুলকর থেকে জশপ্রীত বুমরাহ, অশ্বিন, যুবরাজ সিং, ভিভিএস লক্ষ্মণরাও রুদ্ধশ্বাস ফাইনাল দেখে মুগ্ধ-বিস্মিত।

কার্তিকের ৮ বলে অপরাজিত ২৯ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস মনে করিয়ে দিয়েছে বেশ কয়েকটি ম্যাচের কথা। যেখানে শেষ বলে ওভার বাউন্ডারি মেরে খেলার ফল পালটে দিয়েছিলেন ব্যাটসম্যানরা। হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়া ম্যাচ জিতিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন তারা। চলুন দেখে নেওয়া যাক এর আগে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে এমন রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দিয়েছিলেন কারা।

জাভেদ মিয়াঁদাদ: অস্ট্রাল-এশিয়া কাপে ভারতীয় বোলঅর চেতন শর্মার শেষ ওভারের শেষ বলে দরকার ছিল চার রান। ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন পাক ব্যাটসম্যান মিয়াঁদাদ।

চামারা কাপুগেদারা: ২০১০ সালে ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার সেই ম্যাচে আশিস নেহরার শেষ বলে দরকার ছিল তিন রান। নেহরা দলকে রক্ষা করতে পারেননি। ওভার বাউন্ডারি মেরে ম্যাচ জিতিয়ে ভারতকে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে দিয়েছিলেন চামারা।

ল্যান্স ক্লুজনার: সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বিপক্ষের ত্রাস ছিলেন এই প্রোটিয়া ক্রিকেটার। যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের চেহারা ঘুরিয়ে দিতে পারতেন তিনি। ১৯৯৯ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ ওভারে জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ছিল ১১ রান। ডিওন ন্যাসের ওভারের শেষ বলে ছয় মেরে ওয়ানডে সিরিজ ড্র করেছিলেন ক্লুজনার।

ব্রেন্ডন টেলর: জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে সেবারও প্রতিপক্ষ ছিল বাংলাদেশ। অনেক চেষ্টা করেও টেলরকে আটকাতে পারেননি মাশরাফি বিন মুর্তজা। শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়েই সিরিজ ড্র করেছিলেন তিনি।

রায়ান ম্যাকলারেন: ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম নিউজিল্যান্ডের সেই রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ আজও মনে আছে ক্রিকেটপ্রেমীদের। তৃতীয় ওয়ানডেতে ২৬১ রান দরকার ছিল প্রোটিয়াদের। শেষ বলে তিন রান বাকি ছিল। ছক্কা হাঁকিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করে লজ্জার হোয়াইওয়াশের থেকে দলকে রক্ষা করেন ম্যাকলারেন।

আজকের প্রশ্ন

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন ‘খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির নেতারা মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি করছে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন?