মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৮, ০৯:০৯:৫৭

নিষেধাজ্ঞা কাটলেও শুরুতেই জাতীয় দলে জায়গা হচ্ছে না আশরাফুলের

নিষেধাজ্ঞা কাটলেও শুরুতেই জাতীয় দলে জায়গা হচ্ছে না আশরাফুলের

স্পোর্টস ডেস্ক : দীর্ঘ পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলে ফেরার আশায় যখন ভক্তকুল উদ্বেলিত তখন আশরাফুল জানালেন আশ্চর্যজনক এক তথ্য। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ দলে তার কোনো জায়গা হচ্ছে না।

আশরাফুল আরো জানান, তবে ভবিষ্যতে নিজেকে প্রমাণ করতে পারলে তার জাতীয় দলে ফেরা হতে পারে।

আজ শেষ হচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোহাম্মদ আশরাফুলের পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা।

ফলে উঠে গিয়েছে প্রশ্ন, জাতীয় দলের জার্সিতে আবারও কি দেখা যাবে আশরাফুলকে? এই বিষয়ে আশরাফুল বা তার ভক্তদের জন্য আপাতত কোনো আশার খবর নেই। কারণ প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীনের দৃষ্টিতে এই মুহূর্তে জাতীয় দলে আশরাফুলের কোনো সুযোগ নেই। তবে একেবারে হতাশ না করে আশরাফুলের ফেরার ব্যাপারে ‘যদি-কিন্তু’র রাস্তাও দেখিয়েছেন তিনি।

লম্বা নিষেধাজ্ঞার পর ফিরছেন আশরাফুল। স্বাভাবিকভাবে আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম ছিল আশরাফুলময় আলোচনায় সরব। সেখানে মিনহাজুল আবেদীন আশরাফুলের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে অনেক কথাই বলেছেন। তবে সোজা বলে দিয়েছেন আপাতত জাতীয় দলে কোনো জায়গা নেই আশরাফুলের, ‘এই মুহূর্তে যদি বলতে হয় তাহলে বলব, এই মুহূর্তে দলে কোনো জায়গা নেই। আমাদের খেলোয়াড়রা যে ফিটনেস লেভেলে আছে, এইচপি থেকে শুরু করে এ দল ও জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে সে মানানসই না। এই জায়গায় আসতে হলে তাকে কিছু সময় দিতে হবে। সুতরাং এই মুহূর্তে আমরা চিন্তা ভাবনা করছি না।’

বিপিএলে স্পষ্ট ফিক্সিংয়ে ধরা পড়ে ২০১৩ সালে নিষিদ্ধ হন সাবেক অধিনায়ক আশরাফুল। আগামীকাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেলেও দুই বছর আগ থেকেই ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছেন। ২০১৬ সালে জাতীয় ক্রিকেট লিগ দিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরেন আশরাফুল। ঢাকা মহানগরের হয়ে ৫ ম্যাচে ২০.৫০ গড়ে করেছিলেন ১২৩ রান। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটের সর্বশেষ মৌসুম তার স্বপ্ন জাগিয়েছে জাতীয় দলে ফেরার। প্রথম শ্রেণিতে পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা। আর ‘লিস্ট এ’ তালিকাভুক্ত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে তো রানের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন। পাঁচ সেঞ্চুরি করে নাম লিখিয়েছেন রেকর্ড বইয়ে।

এরপরও ঘরোয়া ক্রিকেট আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মাঝে বিস্তর ফারাক স্মরণ করিয়ে দিলেন প্রধান নির্বাচক, ‘সে অনেকদিন ধরেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেই। সুতরাং ঘরোয়া ক্রিকেটে সব ফরম্যাটে তাকে খেলতে হবে। ওর ফিটনেস আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জন্য ঠিক আছে কি না, সেটা দেখতে হবে। নিষেধাজ্ঞা যাওয়ার পর সব ফরম্যাটে খেলুক, তারপর এক বছর যাওয়ার পর বুঝতে পারব তার ফিটনেস কোন লেভেলে আছে।’

আশরাফুলের বর্তমান বয়স ৩৪। সে হিসেবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় দলে ফেরার লড়াইয়ে ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরিয়ানের হাতে সময়টাও সীমিত। যদিও বয়সের কোনো বাধা দেখছেন না প্রধান নির্বাচক, ‘বয়স কোন বিষয় না। আপনার যদি ফিটনেস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মানের হয় তাহলে যে কোনো প্লেয়ারই আসতে পারে। আমি বলব সে আমাদের দেশের জন্য অনেক ভালো ক্রিকেট খেলেছে। তার তো অবশ্যই সামর্থ্য আছে। এই মুহূর্তে যদি বলতে হয় তাহলে বলব, এই মুহূর্তে দলে কোনো জায়গা নেই।’

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ায় সরকার আতঙ্কিত - ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?