বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ১০:৩৪:৩১

ক্রোয়েটদের বিপক্ষে স্প্যানিস উৎসব

ক্রোয়েটদের বিপক্ষে স্প্যানিস উৎসব

স্পোর্টস ডেস্ক : ইভান রাকিতিচের শততম ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে একেবারে উড়ে গেছে ক্রোয়েশিয়া। দেশের মাটিতে উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচে ক্রোয়াটদের জালে গুণে গুণে ৬ গোলের উৎসব পালন করেছে জেরার্ড পিকেরা। লিগের গ্রুপ ৪-এর এই খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার রাতে।

নতুন কোচ লুইস এনরিকের অনবদ্য কোচিংয়ে এটি স্প্যানিশ দলের দ্বিতীয় জয়। ক্রোয়াটরাও এদিন নতুন রেকর্ডের স্বাদ নিয়েছে। তবে কষ্টের। কেননা এর আগে কখনোই ৬ গোল হজম করেনি তারা। এর আগে সর্বোচ্চ পাঁচটি গোল নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের।

লিগের গ্রুপ ৪-এ টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে স্পেন। ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার পয়েন্ট শূন্য।

এদিন দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন সাউল নিগেস। ম্যাচের ২৪তম মিনিটে করভাহালের দারুণ ক্রসে গোলবার বরাবর হেড করেন সাউল। চলতি লিগে এটি সাউলের দ্বিতীয় গোল।

যদিও প্রথম সুযোগটা মিস করেন রদ্রিগো। ম্যাচের ১৬ মিনিটে ইসকো তাকে একটি ক্রাস পাস করেন। সুন্দর করেই ফ্লিক করেছিলেন রদ্রিগো। কিন্তু তাকে পরাস্ত করে দেন ক্রোয়েশিয়ান গোলরক্ষক কালিনিচ।

এর আগে ১৩ মিনিটে এগিয়ে যেতে পরতো ক্রোয়েশিয়া। ভালো সুযোগ এসেছিল দলের জন্য, কিন্তু স্ট্রাইকার ইভান সান্তিনি তা পূর্ণ করতে পারেননি। শিমে ভারসালকো তাকে ক্রসে বল দেওয়ার পর গোলবারের ৮ গজ দূর থেকে শট করেন সান্তিনি। বল চলে যায় সীমানার বাইরে।

১৮ মিনিটে স্পেন গোল হজম করতে পারতো। কিন্তু দানি কারভাহাল ব্লক করে এ যাত্রায় দলকে বাঁচিয়ে দেন। লুকা মদ্রিচ থেকে ভারসালকো হয়ে বল পান ইভান পেরিসিচ। তার শট ছুটে এসে দারুণ ব্লকে ব্যর্থ করে দেন কারভাহাল।

ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান আসেনসিও। দলের দ্বিতীয় গোলটি তিনি করেছেন গোলবারের ২৫ গজ দূর থেকে বুলেট শটের মাধ্যমে। দেশের হয়ে এটাই আসেনসিওর প্রথম গোল।

৩৫ মিনিটে আবারও আসেনসিও ঝলক। তবে এবার তার করা গোলটির ভাগীদার ক্রোয়েশিয়া গোলরক্ষক লোভরে কালিনিচও। বাঁ দিক থেকে আসেনসিওর বাঁকানো শট ক্রসবারের নিচে লেগে কালিনিচের পিঠ ছুঁজে জালে জড়ায়। গোল সংখ্যা তখন ৩-০। এর পর দুই দলই যায় বিরতিতে।

বিরতি থেকে ফিরে ব্যবধান বাড়ায় স্পেন। দলের হয়ে চার নম্বর গোলটি করেন রদ্রিগো। এবারের গোলটি হয় তিন পাসে। সাউল ও আসেনসিও গোলটি নিজেদের বলেই মনে করবেন। মানে, তাদের পাসেই কালিনিচের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠান রদ্রিগো। দেশের হয়ে এটি রদ্রির চতুর্থ গোল।

দলের সতীর্থরা গোল করলে অধিনায়কই বা বসে থাকবেন কেন। সার্জিও রামোসও অপেক্ষায় ছিলেন। সুযোগ পেয়ে মিস করবেন এখন ফুটবলার নন রামোস। ৫৭তম মিনিটে আসেনসিওর কর্নার থেকে হেড করে ক্রোয়েট জালে বল জড়ান রিয়াল মাদ্রিদ সুপারস্টার।

ম্যাচের ৭০ মিনিটটি ইসকোর। দলের হয়ে ৬ নম্বর গোলটি করেই ম্যাচ শেষ করেন এই মিডফিল্ডার। যদিও তার নামের পাসে বসবে আসেনসিওর নামটি। কেননা তার পসেই বল ডান পায়ে পান ইসকো। আর তার শটের জোর তো জানা আছেই ভক্তদের।

পুরো ম্যাচে রাশিয়া বিশ্বকাপের রানার্স আপ ক্রোয়েশিয়াকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি স্পেনের বিপক্ষে। উয়েফা বর্ষসেরা ফুটবলার লুকা মদ্রিচকে চেনা যায়নি তার রুপে। ম্লান ছিলেন রাকিটিচরাও। রক্ষণভাগও ছিল লাগামছাড়া।

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ায় সরকার আতঙ্কিত - ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?