মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৮, ০৬:৫১:৪৬

বিশ্বজুড়ে বিয়ের যত আজব রীতি

বিশ্বজুড়ে বিয়ের যত আজব রীতি

পারিবারিক জীবন শুরু হয় বিয়ের মাধ্যমেই। আর এই বিয়ে নিয়ে প্রত্যেকে সমাজেই আছে নানা রকম ভিন্ন ভিন্ন প্রথা।একজনের কাছে যা মনে হতে পারে আজব, অন্যের কাছে হয়তো সেটাই সবচেয়ে জরুরি। 

বিয়ে নিয়ে সেই আজব রীতি আসুন জেনে নিন:

১. বিয়ের কনের পরনে সাদা শাড়ি? আমরা ভাবতে পারিনা ঠিকই, কিন্তু ইংরেজদের বিয়ের গাউন হয় সাদা রঙেরই। তাদের কাছে সাদা কুমারিত্বের প্রতীক।

২. কোরিয়ায় বিয়ের রাতে নতুন বরের পুরুষত্ব জাগিয়ে তুলতে তার বন্ধুদের কাজ হলো- বরের পা বেঁধে, মাছের লেজ ও পাখনা দিয়ে পায়ের পাতায় আঘাত করা।

৩. কঙ্গোতে বিয়ের আসরে উপস্থিত থাকেন একজন কৌতুক অভিনেতা। তিনি নিমন্ত্রিতদের হাসাবেন, তারা হাসবেনও। কিন্তু বর-কনের হাসা মানা!

৪. সুইডেনে যখনই নববধূ বা বর বাথরুমে যাবার জন্যে তাদের টেবিল থেকে উঠে যায়, বসে থাকা তার সঙ্গীকে বিপরীত লিঙ্গের মেহমানরা এসে চুম্বন করার সুযোগ পায়। মানে নতুন বর যদি অন্যদের মাঝ থেকে উঠে বাথরুমে যায়, তবে তার নববধূকে অন্য লোকেরা এসে চুম্বন করে যাবে। আর নববধূ যদি তার বরকে রেখে যায়, তবে অন্য নারীরা এসে তাকে আদর করে রেখে যাবে। বোঝাই যাচ্ছে যে বর বাথরুমে যাবে, এমনটাই সবাই আশা করে।

৫. আয়ারল্যান্ডের নববধূ এবং বর যখন নাচবে তখন নববধূর খেয়াল রাখতে হয় যেন তার পা অবশ্যই মাটিতে থাকে। নইলে কিন্তু দুষ্ট পরীরা এসে ওকে উড়িয়ে নিয়ে যাবে। কেন এমন বিশ্বাস? কারণ পরীরা সুন্দর জিনিস ভালবাসে। আর নববধূ হল সবচেয়ে সুন্দর আর আকর্ষণীয়। কাজেই একবার যদি সুযোগ পায়, পরীরা কিন্তু ওকে নিয়ে যাবেই। তবে পা যদি মাটির স্পর্শে থাকে তাহলে আর দুষ্টগুলো ওকে নিতে পারবে না।

৬. চীনের তুইজা গোষ্ঠীর মেয়েরা বিয়ের ঠিক এক মাস আগে থেকে প্রতিদিন নিয়ম করে এক ঘণ্টা ধরে কাঁদে। বিয়ের যখন ২০ দিন বাকি তখন মা তার সঙ্গে এ প্রাকবিবাহ কান্নায় যোগ দেন। এরপর ২০ দিনের মাথায় এ আসরে যোগ দেন কন্যার নানি। শেষের দিনগুলোতে পরিবারের বাকি সব মেয়েও এতে যোগ দেয়। উদ্দেশ্য একটাই, বিয়ের আনন্দ প্রকাশ করা। আসলে তারা যা করেন তা হল নিচুস্বরে এক ধরনের গান, যা কান্নার মতোই শোনায়। এটাই তাদের ঐতিহ্য।
 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপি জাতিসংঘে যাওয়ায় সরকার আতঙ্কিত - ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের এ বক্তব্য সমর্থন করেন কি?